৬:৪৭ পিএম, ২৩ নভেম্বর ২০১৭, বৃহস্পতিবার | | ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

South Asian College

অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ ডেকে আনে মৃত্যু

১৬ আগস্ট ২০১৭, ১০:৫১ এএম | রাহুল


এসএনএন২৪.কমঃ  লবণ।  রান্নার অপরিহার্য উপাদান।  যা হজমের জন্য মানুষের শরীরে প্রয়োজনীয় সোডিয়ামের জোগান দেয়া ছাড়াও অব্যাহত রাখে রক্তপ্রবাহ।  তবে, সব চেয়ে আতঙ্কের খবরটি হচ্ছে, নিরাপদ মাত্রার থেকে অতিরিক্ত লবণ মানুষকে ঠেলে দিতে পারে মৃত্যুর দিকে।  মাত্রাতিরিক্ত লবণ গ্রহণকে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, ক্যান্সারসহ বিভিন্ন অসংক্রামক কঠিন রোগের কারণ হিসেবে উল্লেখ করে, এ থেকে বাঁচতে জনসচেতনতা বৃদ্ধির উপর জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। 

লবণ খাবার রান্নার আবশ্যিক উপকরণ হিসেবেই সমাদৃত।  যা খাবারকে সুস্বাদু করা ছাড়াও উপযুক্ত সিদ্ধ বা নরম হতে সাহায্য করে।  তাইতো এই গৃহিনীর মতোই, প্রায় প্রতিটি পরিবারে প্রতিদিনের খাবার তৈরিতে নানা উপাদানের সাথে ব্যবহার হয় লবণ।  কিন্তু এই খাবার, টেবিলে আসার পরও আবার বাড়তি লবণ ব্যবহার করেন কেউ কেউ। 

গবেষকরা বলছেন, প্রয়োজনের অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ উচ্চ রক্তচাপের কারণ হতে পারে।  যা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।  দেশে ১৫ শতাংশ মানুষ উচ্চ রক্তচাপে ভুগছে।  আর ৫৯ শতাংশ মৃত্যুর কারণ বিভিন্ন অসংক্রামক ব্যাধি। 

সম্প্রতি রাজধানীর একটি বস্তিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ওই বস্তির মানুষ দৈনিক গড়ে ৭ দশমিক ৮ গ্রাম লবণ খায়।  যেখানে একজন মানুষের দৈনিক সর্বোচ্চ ৫ গ্রাম লবণ খাওয়াকে স্বাস্থ্যসম্মত বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।  বাজারে প্রচলিত প্যাকেটজাত খাবারেও পাওয়া গেছে অতিরিক্ত লবণ।  বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১০০ গ্রাম পাউরুটিতে লবণের সহনীয় পরিমাণ সর্বোচ্চ ৪৫০ মিলিগ্রাম বললেও, বাজারে সর্বোচ্চ বিক্রি হওয়া ১০টি ব্রান্ডের রুটির ৭টিতেই পাওয়া গেছে অতিরিক্ত লবণ। 

অতিরিক্ত লবণের ক্ষতি থেকে বাঁচতে ব্যক্তি পর্যায়ে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনার পাশাপাশি প্রক্রিয়াজাত খাবারে লবণ ব্যবহারে নীতিমালা করারও পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।  শৈশব থেকেই বাচ্চাদের কম লবণযুক্ত খাবারে অভ্যস্ত করারও পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।