১:১২ এএম, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, শনিবার | | ৮ সফর ১৪৪২




অপেক্ষা নির্দেশের, চলাচলের জন্য প্রস্তুত ট্রেন

৩০ এপ্রিল ২০২০, ১১:৩১ এএম | নকিব


এসএনএন২৪.কমঃ যেকোনও মুহূর্তে যাত্রী পারাপারের জন্য প্রস্তুত রয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। 

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে গত ২৫ মার্চ থেকেই যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ রেখেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। 

তবে সম্প্রতি সময়ে লকডাউন বিষয়ে সরকারের শৈথিল্য মনোভাব থাকায় ট্রেনকেও প্রস্তুত রেখেছে সংস্থাটি। 

সরকারের উচ্চমহলের নির্দেশনা পেলেই যে কোনও মুহূর্তে যাত্রী আনা-নেওয়ার জন্য চালু করে দেওয়া হবে।  মন্ত্রণালয়ের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

রেলওয়ে সূত্র জানিয়েছে, গত ২৫ মার্চের পর মালবাহী ট্রেন ছাড়া পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সারাদেশে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়।  তবে ট্রেন পরিচালনার সঙ্গে সম্পৃক্ত স্টেশন মাস্টার, ট্রেন চালক-গার্ডসহ মাঠ পর্যায়ের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী সংশ্লিষ্ট হেডকোয়ার্টার এবং স্টেশনে রয়েছেন।  ট্রেনগুলোও প্রতিদিন রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়। 

এরইমধ্যে লাগেজ ভ্যান ট্রেন চালানোর নির্দেশনা পাওয়া গেছে।  সরকারের নির্দেশনা পাওয়া গেলে যাত্রীবাহী ট্রেনও পরিচালনা করা হবে।  তবে করোনা পরিস্থিতিতে যদি ট্রেন চলাচলের সিদ্ধান্ত হয় তাহলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সব নির্দেশনা মেনেই পরিচালনা করা হবে। 

জানতে চাইলে রেলওয়ে মহাপরিচালক মো. শামছুজ্জামান বলেন, যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচলের কোনও সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি।  তবে আমরা প্রস্তুত।  সবগুলো ট্রেন প্রস্তুত রাখা হয়েছে।  সরকার যখনই সিদ্ধান্ত দেবে আমরা তখনই ট্রেন চালাতে পারবো।  আমরা সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি। 

রেলপথ মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, ২৫ মার্চ থেকেই যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়।  কিন্তু আমরা মালবাহী ট্রেন পরিচালনা করে আসছি।  আমরা ট্রেন চালাতে সব সময়ই প্রস্তুত।  আল লাগেজ ভ্যান ট্রেন চালানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পাওয়া গেছে। 

লাগেজ ভ্যান, বিভিন্ন যাত্রীবাহী ট্রেনের সঙ্গে একটি করে ‘লাগেজ ভ্যান’ কোচ চালানো হত।  এখন আমরা পুরো একটি ট্রেনই শুধু মাত্র লাগেজ ভ্যান দিয়ে চালাব। 

তিনি বলেন, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথাবার্তা চলছে, আগামী ১/২ দিনের মধ্যেই লাগেজ ভ্যান ট্রেন চালানো হবে।  তরমুজ থেকে শুরু করে সব ধরনের সবজি-ফলমূল, কাঁচামাল বহন করা হবে এ ট্রেনে। 

রেলপথ সচিব মো. মোফাজ্জেল হোসেন জানান, করোনার সময়ে ট্রেন পরিচালনা করতে হলে কী কী পদক্ষেপ নিতে হবে এজন্য আমরা বেশ কয়েকবার বৈঠক করেছি।  যদি দূরপাল্লার ট্রেন পরিচালনা করতে হয় তাহলে নির্ধারিত দূরত্ব রেখে যাতে যাত্রী বসানো হবে।  এ জন্য এক একটি কোচে থাকা আসন সংখ্যার বিপরীতে অর্ধেক কিংবা তার বেশি সিট খালি রেখে টিকিট বিক্রি করবো।  সে ক্ষেত্রে যাত্রীদেরও সর্বোচ্চ সর্তক হতে হবে। 


keya