২:১০ এএম, ২৪ নভেম্বর ২০১৭, শুক্রবার | | ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

South Asian College

আখাউড়ায় খাল দূষন মুক্ত করনে ইউএনওর অভিযান

১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ০৯:০৭ পিএম | সাদি


আশরাফুল মামুন, ব্রাহ্মনবাড়ীয়া প্রতিনিধি : আখাউড়া পৌরশহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে ঐতিহ্যবাহী কালন্দী খালের বর্তমান অবস্থা পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মোঃ সামসূজ্জামান, আজ দুপুরে তিনি সরেজমিনে বেদখল হয়ে যাওয়া  খালের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। 

নাম ঐতিহ্যবাহী কালন্দী খাল, শুধু কাগজে পত্রেই যার অবস্থান !  বাস্তবে এর কোন অস্তিত্ব নেই,  কারন প্রভাবশালীদের দখল বানিজ্যে আখাউড়া পৌরশহরের মানচিত্র থেকেই হারিয়ে গেছে এই দীর্ঘ কয়েক কিলোমিটার কালন্দী খাল।   যার উৎপত্তি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য থেকে হয়ে তিতাস নদীতে এসে মিলেছে। 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সড়ক বাজারের একজন ব্যবসায়ী বলেন,  আজ থেকে ১ যুগ আগেও এই খালে ছিল ভারত থেকে আসা পানির বিশাল স্রোত,  কিন্তু  এই খাল এখন একটি পরিত্যাক্ত ময়লার ভাগার, এই খাল এখন আখাউড়ার গনমানুষের স্মৃতিপটে রয়েছে বাস্তবে এর কোন অস্তিত্ব নেই,  অত্র এলাকার মানুষের দীর্ঘ সময়ের প্রানের দাবী ছিল এই খাল দখল মুক্তকরন,  কিন্তু রহস্যজনক কারনে পৌর কতৃপক্ষ এবং প্রশাসন কোন ব্যবস্থা নেয়নি। 

অত্র পৌরশহরের জলাবদ্ধতা ও খাল দূষন সমস্যা  নিরসনে পৌর মেয়র তাকজিল খলিফা কাজলের ভূমিকা নিয়েও অনেকে প্রশ্ন তুলছেন। 

ছবিতে দেখা যাচ্ছে ইউএনও সাহেব যে ব্রিজটির উপরে দাড়িয়ে আছেন সেখানে ব্রিজটির তলা পর্যন্ত ঠেকেছে ময়লায় ভরাট হয়ে,  অথচ এখানে কয়েক বছর আগেও ছিল প্রায় ১০ মিটার গভীর সেই কালন্দী খাল।  পৌর শহরের বুক ছিড়ে খালটি বয়ে গেছে তিতাস নদীতে, খালটি ভরাট হয়ে যাওয়ায় পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় পৌরশহরের নাগরিক সমাজ জলাবদ্ধতায় চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছে। 

যোগাযোগ করা হলে ইউএনও জনাব মোঃ সামসূজ্জামান বলেন,  আমি আজ খালের বর্তমান অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছি,  খালটি বিভিন্নভাবে দূষিত হয়ে পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে, খালটির পূর্বের প্রাকৃতিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো।