৪:৩৫ পিএম, ২১ আগস্ট ২০১৮, মঙ্গলবার | | ৯ জ্বিলহজ্জ ১৪৩৯


আখাউড়া শিক্ষকের মামলায় শিক্ষক গ্রেফতার! এলাকায় তীব্র ক্ষোভ

১৬ মে ২০১৮, ১২:২৯ পিএম | জাহিদ


আশরাফুল মামুন, ব্রাহ্মনবাড়ীয়া প্রতিনিধি : ব্রাহ্মমনবাড়ীয়ার আখাউড়ায় হিরাপুর শহীদ নোয়াব মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষকের মামলায় একই বিদ্যালয়ের অপর শিক্ষক গ্রেফতার হয়েছেন। 

আটক শিক্ষকের নাম মোঃ রফিকুল ইসলাম এবং এই মামলার বাদী হচ্ছেন মোঃএরফানুল ইসলাম শরীফ। 

জানা গেছে ঐ শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারির পর আজ মঙ্গল বার আদালত হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিজ্ঞ বিচারক তার জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরন করে। 

মামলা ও বিদ্যালয় সুত্রে জানা গেছে বাদী ঐ শিক্ষকের বিরুদ্ধে অবৈধ ভাবে ক্ষমতা ধরে রাখা এবং ৯০ লক্ষ ৩৬ হাজার টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগে তুলে গত ৯ ই মে ব্রাহ্মনবাড়ীয়া ফৌজদারী আদালতে মামলা করেন সহকারী প্রধান শিক্ষক জনাব এরফানুর ইসলাম শরিফ।  এর আগে অভিযুক্ত শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বিগত ৫ বছর যাবত এই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ছিলেন। 

এদিকে শিক্ষকগনের দ্বন্ধ ও মামলায় মোকদ্দমায় অত্র স্কুলের শিক্ষার্থী এবং অভিবাবক মহলে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে অনেক শিক্ষার্থী কে শিক্ষক রফিকুল ইসলামের জন্য  কান্নাকাটি করতেও দেখা গেছে কারন তিনি এই স্কুলে দীর্ঘ ২৪ বছর ধরে শিক্ষকতা করছেন তার বাড়ী গাজীপুর।  অনেকে বলছেন স্কুল কমিটির নোংরা রাজনীতির বলি হয়েছেন সহজ সরল শিক্ষক জনাব রফিকুল ইসলাম।  শিক্ষার্থীগনের মাঝে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ছে স্কুলের স্বাভাবিক পড়াশুনা ও পাঠদানে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। 

যোগাযোগ করা হলে শিক্ষক এরফানুল ইসলাম শরীফ ফোনে বলেন, রফিকুল ইসলাম দীর্ঘ ৫ বছর জ্যৈষ্ঠতা লংগন করে ভারপ্রাপ্ত প্রদান শিক্ষক হিসাবে দায়িত্ব পালন করার সময় ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৯০ লক্ষ ৩৬ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন।  বিষয়টি আমি সংশ্লিষ্ঠ হাই অথরিটি কে জানানোর পর তখন তার দায়িত্ব থেকে সরে দাড়ানোর আদেশ আসার পরও সে কোন কর্নপাত করেনি। 

স্কুল ম্যানেজিং কমিটি থাকতে ও প্রধান শিক্ষক থাকতে তিনি কেন মামলা করতে গেলেন এই প্রশ্ন করলে জবাবে বলেন, আমি একজন এই স্কুলের শিক্ষক ও সচেতন নাগরিক হিসাবে তার বিরুদ্ধে মামলা করেছি। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আখাউড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জনাব মো: শওকত আকবর খাঁন বলেন, আমি শুনেছি এই স্কুলের এক শিক্ষকের মামলায় রফিক সাহেব বর্তমানে হাজতে আটক আছেন যেহেতু বিষয়টি এখন আদালতে বিচারাধীন রয়েছে এজন্য আমি কোন মন্তব্য করতে চাই না।