১১:৪৪ এএম, ১৯ আগস্ট ২০১৮, রোববার | | ৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৩৯


আজ ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস

০৪ এপ্রিল ২০১৮, ০৯:২৯ এএম | জাহিদ


আখলাছ আহমেদ প্রিয়, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী তেলিয়াপাড়া চা বাগান ব্যবস্থাপক বাংলোতে মুক্তিযুদ্ধের সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের নিয়ে এক ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। 

এ বৈঠকে দেশকে স্বাধীন করার শপথ, যুদ্ধের রণকৌশল, ১১টি সেক্টর বন্টন, অস্ত্রের যোগান, আন্তর্জাতিক সমর্থনসহ গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।  এতে ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অনেক উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। 

সামরিক কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কর্ণেল আতাউল গনি ওসমানী, লেঃ কর্ণেল সালেহ উদ্দিন মোহাম্মদ রেজা, মেজর কে এম সফিউল­াহ, মেজর খালেদ মোশারফ, মেজর কাজী নুরুজ্জামান, মেজর মঈনুল হোসেন চৌধুরী, মেজর নুরুল ইসলাম, মেজর সাফায়েত জামীল, মেজর সি আর দত্ত প্রমুখ।  দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও অদৃশ্য কারণে আজ পর্যন্ত ঐতিহাসিক এ বৈঠককে এখন পর্যন্ত জাতীয়ভাবে ঘোষণা করা হয়নি। 

ঐতিহাসিক ওই বাংলোটিকে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি জাদুঘর, ঐতিহাসিক নতুন প্রজন্মের সংরক্ষণের জন্য দাবি করা হলেও আজ পর্যন্ত এ দাবি পূরণ হয়নি।  এ নিয়ে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে রয়েছে ক্ষোভ।  প্রতি বৎসর ৪ এপ্রিল হবিগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আয়োজনে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।  এ বছরও এ দিনটিকে জাতীয়ভাবে তেলিয়াপাড়া দিবস হিসেবে ঘোষণার দাবিতে নানা অনুষ্ঠান কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। 

হবিগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার এডভোকেট মোহাম্মদ আলী পাঠান বলেন, এবার অনুষ্ঠানে আলোচনা সভায় ৩নং সেক্টর কমান্ডার তেলিয়াপাড়া স্মৃতি সৌধের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক সেনা প্রধান মেজর জেনারেল কেএম শফিউল­াহ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কেন্দ্রীয় কমান্ডের সাবেক চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল হেলাল মোরশেদ খান, মুক্তিযুদ্ধ সংসদ বিষয়ক চেয়ারম্যান ক্যাপ্টেন তাজ, সংসদ সদস্য এডভোকেট আবু জাহির, সংসদ সদস্য আব্দুল মজিদ খান, সংসদ সদস্য এডভোকেট মাহবুব আলী, জেলা প্রশাসক মাহমুদুল কবীর মুরাদ, সাবেক জিআইজি মকবুল হোসেন, পুলিশ সুপার বিধান কুমার ত্রিপুরাসহ পার্শ্ববর্তী জেলা উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার, ডেপুটি কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা পরিবার বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক জোটের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।