২:৪৩ এএম, ২৬ আগস্ট ২০১৯, সোমবার | | ২৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০




আজ থেকে সাগরে ৬৫ দিন সকল মাছ ধরা বন্ধ

২০ মে ২০১৯, ০৮:৫৫ পিএম | জাহিদ


কে.এম.রিয়াজুল ইসলাম, বরগুনা : মৎস্য সম্পদ সুরক্ষায় বঙ্গোপসাগরে ৬৫ দিন সকল প্রকার মাছ ধরা নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।  সে হিসেবে ২০ মে থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।  শেষ হবে চলতি বছরের ২৩ জুলাই।  ইলিশের জাটকা নিধনে নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর সফল হওয়ায় এই পথে এগুচ্ছে সরকার। 

প্রজ্ঞাপনটিতে ৬৫ দিন বঙ্গোপসাগরের মাছ আহরণের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।  এই সময় বঙ্গোপসাগরের কোনো স্থানেই যান্ত্রিক এমনকি ছোট্ট ডিঙ্গি নৌকা দিয়েও মাছ আহরণ করা যাবে না।  এসময় বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরা বন্ধের কারণে যাতে জেলেরা ক্ষতিগ্রস্ত না হন সেদিকেও নজর দিচ্ছে সরকার।  ক্ষতিগ্রস্ত জেলে পরিবারকে ভিজিএফ কার্ড দেওয়া হবে।  যে কার্ডের মাধ্যমে তাঁরা সরকারের কাছ থেকে রেশনিং সুবিধা পাবেন।  এ ছাড়া নানা সহায়তা দেওয়া হতে পারে। 

জানা গেছে, বরগুনা জেলা মৎস্য অফিসের তালিকায় বর্তমানে নিবন্ধিত জেলে রয়েছে ৪৪ হাজার ৪’শ ৪০ জন।  যাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি জেলে আছে পাথরঘাটা উপজেলায়।  পাথরঘাটায় নিবন্ধিত জেলে আছে ১৪ হাজার।  এসব জেলেরা রেশনিংয়ের আওতায় আসবে। 

এব্যাপারে বাংলাদেশ ফিসিং বোর্ড মালিক সমিতির সভাপতি চৌধুরী গোলাম মোস্তফা বলেন, ইলিশের মৌসুম থাকে ১৫০ দিন তার মধ্যে আশ্বিনে বন্ধ থাকে ২২ দিন।  তার মধ্যে এবার যদি বন্ধ থাকে ৬৫ দিন তাহলে মোট বন্ধ থাকে ৮৭ দিন।  এতো বন্ধ থাকলে জেলে পরিবার গুলোকে মানবেতর জীবন যাপন করতে হবে।  তাই বর্তমনের ৬৫ দিন সাগরে মাছ ধরা বন্ধ থাকার নিষেধাজ্ঞা অনেক জেলেরা মানেনা। 

"জেলায় জেলে সংখ্যা প্রায় ৫৫ হাজার নিবন্ধন আছে প্রায় ৪৫ হাজার"এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বরগুনা জেলা মৎস্য কর্মকতা আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমাদের পার্শবর্তী কয়েকটি দেশেও সাগরের মৎস্য আহরণের ওপর এই ধরনের আইন রয়েছে।  এর আগে জাটকা নিধনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় ইলিশের প্রজনন হার বেড়েছে।  এই অভিযানেও অবশ্যই সফলতা আসবে। 


keya