৭:০৩ পিএম, ২৩ নভেম্বর ২০১৭, বৃহস্পতিবার | | ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

South Asian College

আধুনিকতার এক মিশেল ছিলেন আব্দুল হামিদ বিলচলনী

২৪ আগস্ট ২০১৭, ০১:৪১ পিএম | রাহুল


মো. আখলাকুজ্জামান, গুরুদাসপুর (নাটোর) : বাংলাদেশের ইতিহাস খ্যাত চলনবিলের ‘বিলচলনী’ খ্যাত নিরলস, নির্ভিক, নিষ্ঠাবান সমাজকর্মী ও আধুনিকতার এক মিশেল ছিলেন নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার খুবজীপুর গ্রামের প্রয়াত শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ সরদার। 

খুবজীপুর গ্রামের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে বাংলার গ্রামগঞ্জে ছড়িয়ে থাকা নিবেদিত এই মাহান ব্যাক্তির প্রাণের ১২তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত হয়েছে।  বৃহস্পতিবার খুবজীপুর মোজাম্মেল হক ডিগ্রি কলেজ মিলনায়তনে সকাল ১০টায় মরহুমের স্মরণে এক বিশাল আলোচনা সভা ও দোয়া মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি স্থানীয় সাংসদ সাবেক প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল কুদ্দুস ছাড়াও প্রধান আলোচক জেলার স্বনামধন্য কথাসাহিত্যিক ও সামাজিক সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব জাকির তালুকদার, বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ, সমাজসেবী, গণমাধ্যম কর্মি, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের জনগণ উপস্থিত ছিলেন।  এ সময় উপস্থিত অতিথিবৃন্দ কোরআন তেলোয়াত থেকে শুরু করে প্রয়াত আব্দুল হামিদ সরদারের কৃতীত্ব তুলে ধরে ছন্দে ছন্দে গজল, কবিতা আবৃতির মধ্য দিয়ে মরহুমের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন। 

বক্তারা বলেন,- আপন আদর্শ আর নিবেদিত কর্মের পরিধিতে তিনি দেশ ও জাতির ইতিহাসে কীর্তিমান হয়ে আছেন।  এলাকার কু-শিক্ষা, অপসংস্কৃতির পরিবেশকে দূর করে দেশ, জাতি, সমাজ নির্বিশেষে অগণিত অসহায় গ্রামীণ মানুষদের জন্যও তিনি ব্যাপক অবদান রেখে গেছেন।  নিকষ কালো অন্ধকারের প্রতিটি ঘরে ঘরে জ্বালিয়েছেন আলোর মশাল, মানুষের চলার পথে সঠিক সন্ধান দেখিয়েছেন। 

চলনবিলের উন্নয়নের সংগ্রাম করেই তিনি জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান অধ্যায়গুলো কাটিয়েছেন।  তার মহাপ্রয়াণের পড়ন্ত বেলাভূমিতে দাঁড়িয়ে তিনি অস্ফুটো কণ্ঠে আমাদের বুঝাতে চেয়েছিলেন এলাকার উন্নয়নের ভাষা।  অসহায় ওই মানুষটির তারুন্যের প্রাবল্য যেন ঝলকানি দিয়ে উঠতো।  তাই আজ দেশের যে কোন ইতিহাস লিখতে গেলেই তার সম্পূর্ণ কীর্তিমান মতাদর্শ মনে পড়ে যায়।  তাঁকে ছাড়া অন্য কিছু ভাবতে গেলে বাংলাদেশের সকল ইতিহাস যেন হয়ে যায় নিরর্থক। 

প্রাপ্ত তথ্য সুত্রে জানা যায়, বিগত ১৯৩০ সালের ১ মার্চ আব্দুল হামিদ সরদার উপজেলার খুবজীপুর গ্রামের এক বিত্তবান কৃষক পরিবারে জন্মগ্রহন করেন।  ৭৬ বছর বয়সের কোটায় দাঁড়িয়ে তাঁর মন, প্রাণ, আত্মিক ও দৈহিক তারুন্য জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের যৌবনের গান প্রবন্ধের দিকে আকর্ষিত করে তোলে।  যা বর্তমান সমাজে বিরল। 


তাঁর স্বতঃস্ফ‚র্ত কর্মচাঞ্চল্য, তারুন্যের গতি প্রকৃতি, মানসিক শক্তি ও ধৈর্য সহিষ্ণুতা দেখে বাংলাদেশের অন্যান্য এলাকার বুদ্ধিজীবি, পেশাজীবি, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, রাজনীতিবিদ, কর্মজীবি ও সমাজকর্মিসহ সর্বস্তরের মানুষ শেষ পর্যন্ত এটাই অনুভব করেছিলেন যে, তিনি সেই বিশেষ দার্শনিক ভঙ্গির অনুসঙ্গী, যিনি মনে করেন জীবন একটি ক্রমান্তরের যুদ্ধ।  আর সেই যুদ্ধ সময় সংস্কারের জন্য লড়ে যেতে হয় সারাটি জীবন।  যে লড়াইয়ের শেষ নেই-অবসরের কোন অবকাশ নেই। 

উল্লেখ্য, আপন মহিমায় প্রয়াত অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ সরদার বিলচলনী ছিলেন একজন প্রাণোচ্ছল ব্যাক্তিত্ব।  ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের পাশাপাশি আধুনিকতার এক মিশেল হৃদয়ানুভ‚তি যেন তাঁর অন্তিম প্রকাশ।  মুখের কথা-চলার গতি আর কাজের পরিধি তাঁর শুধুই উৎসাহ উদ্দীপনা আর অনুপ্রেরণার আভাস।  তিনি সৃষ্টির বিরামহীন অবহেলিত চলনবিলকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে সাহায্য করেছিল। 

১৯৫০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে তিনি রসায়ন শাস্ত্রে এম.এস.সি ডিগ্রি লাভ করেন।  ১৯৫৩ সালের প্রথমার্ধে কলেজে অধ্যাপনার পাশাপাশি সমাজসেবাসহ সাংবাদিকতার সাথে জড়িত ছিলেন।  তাঁর সমাজকর্মের স্বাক্ষর রাখতে গিয়ে খুবজীপুর কৃষক সমিতি, দরদি লাইব্রেরী, পাঠাগার, খুবজীপুর রেডক্রস সমিতি, চলনবিল মুসলীম ছাত্র সমিতি, খুবজীপুর হাই স্কুল, স্কাউট, খুবজীপুর নজরুল প্রগতি সংঘ, চলনবিল উন্নয়ন কমিটি, গুরুদাসপুর থানা শিক্ষা সংঘ, সেরাজুল হক সাহিত্য পরিষদ, পাবনা বিজ্ঞান পরিষদ, চলনবিল গবেষনা পরিষদ, খুবজীপুর পিজান্টস ওয়েলফার কমিটি, পাবনা মাতৃমঙ্গল সমিতি, খুবজীপুর ক্রিকেট ক্লাব,

খুবজীপুর বায়তুল সালাম জামে মসজিদ, নুরুন্নবী জামে মসজিদ, খলিফাপাড়া উলুম এবতেদায়ী মাদ্রাসা, খুবজীপুর-শ্রীপুর হাট ও বাজার, বিলচলন শহীদ সামসুজ্জোহা কলেজ, চলনবিল জাদুঘর, খুবজীপুর মোজাম্মেল হক কলেজ, চলনবিল স্টেডিয়াম, খুবজীপুর দবির উদ্দিন দাখিল মাদ্রাসা, খুবজীপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়, চলনবিল হাসপাতাল, খূবজীপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও শিক্ষামূলক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত করেন। 

এছাড়াও পাবনার ভাঙ্গুড়া হাইস্কুল, কেরানীগঞ্জ কোলাতিয়া হাইস্কুল, রংপুরের কারমাইকেল কলেজ, পাবনার এডওয়ার্ড কলেজ ও ইসলামিয়া কলেজ, যশোরের মাইকেল মধুসুধন কলেজ, পাঁচবিবির মহীপুর হাজি মহসিন কলেজ, বগুড়া আজিজুল হক কলেজ, খুলনার সাতক্ষীরা ও রংপুরের গাইবান্ধা কলেজ, বগুড়ার মুজিবুর রহমান মহিলা কলেজ ছাড়াও তার বিভিন্ন চাকুরীস্থলে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নমূলক প্রতিষ্ঠান স্থাপন করে কীর্তিমান হয়ে আছেন। 

বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, ঐতিহাসিক ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলনে একজন অকুতোভয় সৈনিক এবং জাতীয় কল্যানে প্রভূত সমাজকর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৬৪ সালে তদানিন্তন পাকিস্থানি স্বাধীনতা দিবস ১৪ই আগস্ট তৎকালীন পাক প্রেসিডেন্ট ফিল্ড মার্শাল আইয়ূব খান অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ সরদারকে তমঘায়ে খেদমত (টিটে) উপাধিতে সম্মানীত করেছিলেন।  কিন্তু বিগত ১৯৬৯ সালের ১৮ই ফেব্রয়ারী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবাদ প্রতিম শিক্ষক রসায়ন বিভাগের রীডার সামসুজ্জোহার পাক স্বৈরচার বাহিনীর হাতে নির্মমভাবে শহীদ হন ড. সামসুজ্জোহা। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আইয়ূব শাহীর নির্যাতনের প্রতিবাদে বিবেকের তাড়নায় ঘৃনাভরে ১৯৬৯ সালেই ওই শহীদ জোহার স্মৃতির স্বরণে গুরুদাসপুর পৌর সদরে বিলচলন শহীদ সামসুজ্জোহা কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন তিনি।  আপন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট যশ খ্যাতি এবং আত্ম প্রতিষ্ঠার কোনো লোভ মোহ তাঁর চারিত্রিক আদর্শে লক্ষ্যচ্যুত করতে পারেনি কোনদিন। 

কীর্তিমান সেই অর্ধসহস্রাধিক পাতা সম্বলিত ঐতিহাসিক তথ্যবহুল একটি বই ‘চলনবিল ইতিকথা’ জাতিকে উপহার দিয়েছিলেন।  শিক্ষা ও সাহিত্য সাংস্কৃতিক ছাড়াও যে কোন ধর্মীয় ব্যাপারে কোন প্রকার ডাক এলে তাৎক্ষনিকভাবে সেখানে সাড়া দিতে দ্বিধাবোধ করতেন না তিনি। 

তার রচিত ভ্রমন কাহিনী পশ্চিম পাকিস্থানে ডায়েরী, পাশ্চাত্যের বৈশিষ্ট্য ও দেশে এলাম অস্ট্রেলিয়া ছাড়াও কর্মবীর সেরাজুল হক, শিক্ষা মশালবাহী রবিউল করিম, পল্লী শিক্ষক কফিল উদ্দিন, জ্ঞানের মশাল, ডিগ্রি ও ইন্টারমিডিয়েট প্রাকটিক্যাল কেমিষ্ট্রি বই, পল্লী কবি কারামত আলী, হজ্বের সফর, রসায়নের তেলেসমতি, উচ্চ মাধ্যমিক ব্যবহারিক রসায়ন, আমাদের গ্রাম, চলনবিলের লোকসাহিত্য, বঙ্গাব্দ সমাচার , ধাঁধাঁর জগত ও অংকের খেলা, ইসলামের ছায়াতলে স্বপ্নীল জীবনের কিছু কথা, অমর জীবন কাহিনী, অবিস্বরনীয় প্রাণ, আদর্শ শিক্ষক, অমর স্মৃতি ও মনোহর চয়নিকা সহ মোট ২৬ খানা তথ্যবহুল গবেষনামূলক ইতিহাস সমৃদ্ধ বই ‘চলনবিলের ইতিকথা’ প্রকাশের সময় আশির্বানী। 

উপ-মহাদেশের প্রথিতযশা জ্ঞানতাপস বহু ভাষাবিদ ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন, আব্দুল হামিদ একজন সাহিত্যসেবী ও সমাজসেবক।  তাঁর রচিত বহু সদগ্রন্থের মধ্যে নবমতম অবদান ‘চলনবিলের ইতিকথা’ ছাড়াও তিনি মহান পেশা সাংবাদিকতার পথকে অবহেলিত চলনবিলের দ্বারপ্রান্তে ইম্মেষ ঘটানোর লক্ষ্যে মাসিক আমাদের দেশ, বার্ষিক অভিযান ও সোপান পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা এবং ‘চলনবিলের ঢেউ’ পাকিস্তানের কোয়েটা থেকে প্রকাশিত বোলানের ডাক, বড়াইগ্রামে নয়া জিন্দেগী, নাটোরের নবারণ, পাকিস্থানের লয়ালপুরের মাসিক হামার ওয়াতন, লন্ডনের মাসিক আওয়াজ হোম, প্রভ‚তি পত্রিকার প্রধান পৃষ্টপোশক খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। 

প্রতিদিন রাতের খাওয়া শেষে সবাইকে পড়াতে তিনি অনুসারী ও গুনগ্রাহীদের কাছে অজস্র চিঠি লিখে ডাকযোগে পাঠিয়ে দিতেন।  চিঠির উত্তর না পেলে প্রাপককে ভর্ৎসনা করে মনের রাগ নিবারণ করতেন। 
আরো জানা যায়, বাংলা সনের দিন তারিখ নিধারণ করা নিয়ে তার অসামান্য কৃতিত্ব জাতীয় জীবনে তাকে প্রসিদ্ধিলাভে যথেষ্ট সাহায্য করেছে।  বাংলা সনের বিভিন্ন মাসের দিন সংখ্যা নির্ধারণের লক্ষ্যে ১৯৫৯ সালে তাঁরই উপস্থিত প্রস্তাবটি ১৯৬৬ নালে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নিরীক্ষা কমিটির সভার সুপারিশ সাপেক্ষে বাংলা একাডেমী কর্তৃক অনুমোদনক্রমে তা স্বীকৃতি লাভ করে। 

পরবর্তীতে বাংলাদেশ সরকার ওই প্রস্তাবটি অনুমোদন করে।  তারই প্রেক্ষিতে বৈশাখ হতে ভাদ্র মাস পর্যন্ত প্রতিমাস ৩১ দিনে এবং আশ্বিন মাস হতে চৈত্র মাস ৩০ দিনে গণনা করা হয়ে থাকে। 
বার্ধক্যের উর্দিত নিচে প্রদীপ যৌবনের অধিকারী যুব সন্ধিক্ষনের ওই প্রয়াত কালপুরুষ জন্মভূমি খুবজীপুরকে আধুনিকতায় আলোকিত করতে সেখানে প্রতিষ্ঠিত করেছেন চলনবিল জাদুঘর।  অবহেলিত চলনবিলের ইতিহাস প্রসিদ্ধ জনপদের প্রাচীনতম ঐতিহ্য ও পুরাকৃর্তির সম্ভারে অসামান্য দক্ষতার প্রত্নতাত্মিক নিদর্শন নিয়ে এক বেদনাবহ অভিজ্ঞতার ফসল হিসেবে চলনবিলের এক চলমান ইতিহাস রচনা করেছেন কালজয়ী পুরুষ প্রয়াত আব্দুল হামিদ।  বিভাগীয় প্রশাসনিক টানাপোরনে ওই জাদুঘরের প্রত্নতাত্মিক নিদর্শনসমূহ এখন সুষ্ঠু রক্ষনাবেক্ষনের অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও দেখার কেউ নেই। 

প্রতিষ্ঠানটি নিয়ে বাংলাদেশ সরকার সর্বোচ্চ মহল পর্যন্ত লেখালেখি করে আজও পর্যন্ত কোন সুরাহা হয়নি।  অবহেলিত অন্ধকারাচ্ছন্ন চলনবিলকে আধুনিকয়নের লক্ষেই হয়তবা তিনি জন্ম গ্রহণ করেছিলেন এই ছায়া সুনিবিড় মমতা জড়ানো অখ্যাত পল্লীর এক প্রত্যন্ত এলাকায়।  তার জ্ঞান, মেধা, উৎসাহ, উদ্দীপনা, আর কর্মময় সৃষ্টি পদ্ধতি দেখে এটাই প্রতিয়মান হয়- জাতীয় ইতিহাসে তিনি ছিলেন একজন চলমান বা ভ্রাম্যমান ইন্সটিটিউশন।  তাইতো চলনবিলের আপামর মেহনতি মানুষ এক কথায় তাকে বিলচলনী বলে জানতেন। 

তাঁর সত্যাশ্রয়ী কর্মপরিধি ও কল্যাণমূখী জীবন সম্পর্কে যতই ইতিহাস রচনা করা হোক না কেন, তারপরেও মনে হয় কি যেন লিখতে বাদ পড়ে গেল।  তাঁর ইহজাদু জগতি কর্মব্যস্তময় জীবনের যথাযোগ্য মূল্যায়ন আমরা সময়মত অনুধাবন করতে পারিনি।  অধূনা প্রজন্মের কাছে তার আদর্শ আর কর্মময় প্রতিভাকে অনুসরনীয় ও বরনীয় করে তুলতে পারলে হয়তো তাঁর বিদেহী আত্মার প্রতি সশ্রদ্ধ সম্মান দেখানো যাবে।  আমরা এই মূর্হূর্তে প্রয়াত ওই কালজয়ী পুরুষের ১২তম বার্ষিকী ওফাৎ দিবসে তার পবিত্র বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।  মহান আল্লাহ পাক তার পারলৌকিক সুখ-সমৃদ্ধি সুনিশ্চিত করুন। 

লেখকঃ মো. আখলাকুজ্জামান, গুরুদাসপুর (নাটোর)