১১:০৫ এএম, ১৮ অক্টোবর ২০১৮, বৃহস্পতিবার | | ৭ সফর ১৪৪০


আনন্দঘন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সিটিজি ব্লাড ব্যাংকের পঞ্চম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

১২ ডিসেম্বর ২০১৭, ০৭:৫৭ পিএম | নিশি


এসএনএন২৪.কমঃ চট্টগ্রামের অনলাইন ভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সিটিজি ব্লাড ব্যাংকের পঞ্চম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী গতকাল মঙ্গলবার ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় নগরীর মুসলিম ইনস্টিটিউট হলে অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন।  উদ্বোধক ছিলেন প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী। 

বিশেষ অতিথি ছিলেন  চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের হেমাটোলজির বিভাগের অধ্যাপক ডা. শাহেদ আহমেদ চৌধুরী, বাংলাদেশ ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার্স এসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ শিপিং এজেন্টস এসোসিয়েশনের পরিচালক খায়রুল আলম সুজন,  চট্টগ্রাম ওমেন চেম্বারের পরিচালক মোসাম্মৎ রোজিনা আক্তার লিপি, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের সমাজসেবা অফিসার অভিজিত সাহা, রানার্স এসোসিয়েটস এর সভাপতি মঈনুল কাদের নাবিল।  সভাপতিত্বে করেছেন সিটিজি ব্লাড ব্যাংকের এডমিন নিশি আক্তার । 

এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জালাল উদ্দিন বলেন, বাংলাদেশ তথা সারা বিশ্বে প্রতিনিয়ত রক্তের প্রয়োজন হচ্ছে।  আর এ চাহিদা পূরণ করছে তরুণরা সাথে অর্থনৈতিক চাকাও সচল রাখছে তরুণরা।  সিটিজি ব্লাড ব্যাংক প্রতিদিন চট্টগ্রাম মেডিকেলে প্রচুর রক্তের চাহিদা পূরণ করে যাচ্ছে।  মেডিকেলে রক্তের দালালদের নিয়ে রক্তের দাতাদের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রধান বলেন মেডিকেলের ব্লাড ব্যাংকসহ মেডিকেল এড়িয়াতে সিসি ক্যামেরা প্রতিস্থাপন ,রক্তদাতাদের নিরাপদ রক্ত সন্চালন সহ সিটিজি ব্লাড ব্যাংককে সব সময় সহযোগীতার আশ্বাস দেন

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে খায়রুল আলম বলেন দেশে সাম্প্রদায়িক সমস্যা দেখা গেলেও রক্তদান এমন  একটা সম্পর্ক  যা দিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্পৃতি বজায় রাখা সম্ভব।  মানুষের মাঝে গভীর সম্পর্ক হচ্ছে রক্তের সম্পর্ক যা কখনো ছিহ্ন করার নয়।  আর এটার জন্য অবদান রাখতে পারে তরুণরা। 

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ডা. শাহেদ আহমেদ চৌধুরী থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধের উপর জোর দেন।  দেশে আর নয় কোন রক্তচোষা থ্যালাসেমিয়া। 

অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে শতাধিক রক্তদাতা ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন। 
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে গৃহীত কর্মসূচির মধ্যে ছিল র‌্যালি, আলেচনা সভা, রক্তনীড়-২ সংখ্যা উম্মোচন, তরুণ উদ্যোক্তা সম্মাননা, বেস্ট ডিসিপ্লিন এওয়ার্ড ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।