৩:৩৬ পিএম, ২০ জুন ২০১৯, বৃহস্পতিবার | | ১৬ শাওয়াল ১৪৪০




আমদানি নীতি সহজ হচ্ছে

৩০ মে ২০১৯, ১২:২২ পিএম | জাহিদ


এসএনএন২৪.কম : রফতানিমুখী শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে বন্ডেড সুবিধাসহ আরও সহজ শর্ত রেখে সরকার নতুন আমদানি নীতি করতে যাচ্ছে।  ২০১৫-১৮ মেয়াদের আমদানি নীতি আদেশ ইতোমধ্যে শেষ হয়ে গেলেও এখনও ২০১৮-২১ বছরের আমদানি নীতি জারি করতে পারেনি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। 

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নতুন আমদানি নীতি আদেশ বুধবার (২৯ মে) অর্থনৈতিক মন্ত্রিসভা কমিটিতে অনুমোদনের জন্য উঠেছিল।  কমিটির আহ্বায়ক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল দেশের বাইরে থাকায় কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আমদানি নীতিতে সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মতামত শোনা হয়। 

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোসাম্মৎ নাসিমা খাতুন বলেন, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক মন্ত্রিসভা কমিটিতে ব্যাংকের এক প্রতিনিধি মতামত দেন- আমদানির ক্ষেত্রে লেটার অব ক্রেডিট ফরম আর দরকার পড়বে না।  একসময় দেশের প্রবাসী আয় এবং বাংলাদেশের বৈদেশিক রিজার্ভ কমে যাওয়ায় এলসি ফরমের বিষয়টি যুক্ত করা হয়েছিল।  কিন্তু এখন বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে যাওয়ায় এই এলসি রেস্ট্রিকশন আর রাখার দরকার নেই।  আগে রিজার্ভ কম ছিল, তাই নিরাপত্তার জন্য বেশকিছু শর্ত ছিল।  এরপর পর্যালোচনা করে ওই প্রস্তাবটি মৌখিকভাবে অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা কমিটি।  এখন বাংলাদেশ ব্যাংক প্রস্তাবটি লিখিতভাবে জানানোর পর আমদানি নীতি সংযুক্ত করা হবে। 

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র মতে, বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এলসি খোলা হয়ে থাকে।  যখন রিজার্ভ কম থাকে, তখনও এলসি খোলার প্রয়োজন হয়।  এটি খুলতে অনেক ফরম পূরণ করতে হয়, যা জোগান দিতে ব্যবসায়ীদের বেশ বেগ পেতে হয়, এটা ডুয়িং বিজনেসের ক্ষেত্রে অন্তরায়।  এখন রিজার্ভ ভালো।  তাই এখন ফরম পূরণের জটিলতা কমিয়ে আনা হবে। 

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, এলসি খোলার ক্ষেত্রে কিছু বিষয়ে শিথিল করা হচ্ছে। 

আমদানি নীতি প্রতি তিন বছর পর পর নবায়ন (রিনিউ) করা হয়।  দেশের অবস্থা, পণ্য এবং বৈদেশিক বাণিজ্য বিবেচনা করে নতুন আদেশে সংযোজন-বিয়োজন করা হয়।  সর্বশেষ ২০১৫-১৮ মেয়াদের জারি করা আমদানি নীতির মেয়াদ ২০১৮ সালের ৩০ জুন শেষ হয়।  তবে নতুন আদেশ জারি না হওয়া পর্যন্ত আগের নীতি কার্যকর থাকে। 

আমদানি নীতি আদেশ, ২০১৮-২০২১ অর্থনৈতিক সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদনের পর এখন আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে।  এরপর প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দেবেন।  তারপর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এই নীতি কার্যকর করতে আদেশ জারি করবে। 


keya