৯:১৪ পিএম, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার | | ৯ রবিউস সানি ১৪৪০




আমরা কে মাফ করে দেওয়ার ...?

০৮ আগস্ট ২০১৮, ০৯:৪২ পিএম | মাসুম


নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন ও উদ্ভূত পরিস্থিতিতে যেসব শিক্ষার্থীর নামে মামলা হয়েছে বা যারা গ্রেপ্তার বা রিমান্ডে আছে, তাদের ক্ষমা করে দেওয়ার ব্যবস্থা নিতে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যরা।  কিন্তু শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, যারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে গেছে এবং বেআইনি কাজ করেছে, তাদের মাফ করার তাঁরা কে? সেটা দেখবে আইন। 

বুধবার বিকেলে রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে এক জরুরি মতবিনিময় সভায় উপাচার্যদের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের মাফ করে দেওয়ার দাবি করা হয়।  নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও তাতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের প্রেক্ষাপটে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এই সভার আয়োজন করা হয়।  শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এই সভার আয়োজন করে। 

উপাচার্যদের বক্তব্যের পর শিক্ষামন্ত্রী নিজের অবস্থান জানান।  তিনি বলেন, তাঁরা চাইবেন যেন নিরপরাধ কোনো শিক্ষার্থী কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।  নিরপরাধ শিক্ষার্থী ও শিক্ষককে কোনোভাবেই যেন কোনো হেনস্তা করা না হয়।  কিন্তু যদি আইনে প্রমাণিত হয় বা তদন্তে বের হয় যে সে অন্যায় কাজ করছে কিংবা অপরাধ করছে, তাকে কে মাফ করে দেবে? শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কে মাফ করে দেওয়ার? এটা আইন দেখবে। ’

তবে শিক্ষামন্ত্রী এও বলেন, যারা নিরপরাধ শিক্ষক, শিক্ষার্থী তাদের প্রতি তাঁরা সহানুভূতিশীল।  তিনি অবশ্যই তাদের পক্ষ অবলম্বন করবেন। 

উপাচার্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আতিকুল ইসলাম, ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল মান্নান চৌধুরী, ইস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আমিনুল হক, হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আবদুল মান্নান, নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আনোয়ারুল করীম, প্রাইম এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আবদুল হান্নান চৌধুরী প্রমুখ। 

ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় আরও বক্তৃতা করেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব সোহরাব হোসাইন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিকদের সংগঠন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির সভাপতি শেখ কবীর হোসেন প্রমুখ।