১:০৮ এএম, ১৭ অক্টোবর ২০১৮, বুধবার | | ৬ সফর ১৪৪০


আমির খসরুর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্র রুখে দিবে চট্টগ্রামবাসী

০৭ আগস্ট ২০১৮, ০৮:৪৩ পিএম | মাসুম


এসএসএন২৪.কম : বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডাঃ শাহাদাত হোসেন বলেছেন, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর মতো একজন দেশবরেণ্য ও পরিচ্ছন্ন রাজনৈতক ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে বানোয়াট অডিও ফোনালাপ ব্যবহার করে সরকার তাদের অবৈধ ক্ষমতাকে দীর্ঘায়িত করার শেষ চেষ্টা করছে।  আন্দোলন সংগ্রামে তার সক্রিয় ভূমিকা থাকার কারণে তথ্য প্রযুক্তি আইনে মিথ্যা মামলা দিয়ে তাকে নিষ্ক্রিয় করার চেষ্টা করছে। 

বেগম খালেদা জিয়াকেও অন্যায়ভাবে সাজা দিয়ে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে কারাগারে বন্দি করে রেখেছে।  সরকার আরেকটি প্রহসনের নির্বাচন করার যে প্রকল্প হাতে নিয়েছে এটা সেই ষড়যন্ত্রেরই অংশ।  আমির খসরুর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্র চট্টগ্রামবাসী রুখে দিবে। 

তিনি ৭ আগস্ট মঙ্গলবার বিকালে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে নাসিমনভবনস্থ দলীয় কার্যালয় মাঠে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও আমির খসরু মাহমুদ চৌধুৃরীর মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন। 

এতে তিনি আরো বলেন, নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের দাবী কোন দল, গোষ্ঠী বা ব্যক্তির ছিল না, তাদের দাবী ছিল সার্বজনীন।  অথচ এ আন্দোলনে কোন সংগঠন ঢুকেছে বলে অবৈধ ক্ষমতাবিলাসীরা নৃশংস আক্রমণ শুরু করে রক্ত ঝরিয়েছে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের।  প্রতারণা ও প্রলোভনের কৌশলে ব্যর্থ হয়ে তারণ্যের আন্দোলনকে এরা সব সময় নির্মম নিষ্ঠুরতায় দমন করেছে।  গণতন্ত্রকে ছুরিকাহত, মানুষের মৌলিক অধিকারকে বিপন্ন ও রক্তপাতই আওয়ামীলীগের ঐতিহ্য। 

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেছেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলন দমাতে ব্যর্থ হয়ে জনগণের দৃষ্টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর মিথ্যা অডিও ফোনালাপ প্রচার করছে।  দেশে কোন যৌক্তিক আন্দোলন শুরু হলেই সরকার অডিও প্রচার করে বিএনপি নেতাদের দোষারোপ করে।  ফেনীতে বেগম খালেদা জিয়ার গাড়ী বহরে ছাত্রলীগের হামলার ঘটনাকে দামাচাপা দিতে ডা. শাহাদাত হোসেনের নামে মিথ্যা অডিও প্রকাশ করেছিল।  আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। 

প্রতিবাদ সমাবেশর থেকে তিনি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বিজভী আহামদ ও স্থায়ী কমিটির সদস্য আমিরি খসরু মাহমামুদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে দয়েরকৃত রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান। 

সিনিয়র সহসভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, সরকার তাদের অপকর্মের কৌশল হিসেবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর অডিও ফোনালাপ প্রচার করেছে।  দেশের জনগণ তাদের এ অপকৌশল বুঝে গেছে।  আওয়ামীলীগের ভিত নড়ে গেছে, তাদের আর শেষ রক্ষা হবে না।  অবিলম্বে বেগম খালেদা জিয়াকে নি:শর্ত মুক্তি দিতে হবে। 

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ সভাপতি আলহাজ্ব এম এ আজিজ, মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, হাজী মো: আলী, জয়নাল আবেদীন জিয়া, সুবক্তিগীন সিদ্দীকি মক্কি, হারুন জামান, সফিকুর রহমান স্বপন, সৈয়দ আহমদ, সাবেক কমিশনার মাহাবুবুল আলম, এডভোকেট মফিজ উল হক ভূঁইয়া, কামাল উদ্দিন কন্ট্রাক্টর, ইকবাল চৌধুরী, এম এ হান্নান। 

সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এস এম সাইফুল আলমের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন যুগ্ম সম্পাদক কাজী বেলাল উদ্দিন মো: শাহ আলম, ইস্কান্দর মির্জা, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আবদুল মান্নান, জাহাঙ্গির আলম দুলাল, কাউন্সিলর আবুল হাসেম, মনজুর আলম মনজু, আনোয়ার হোসেন লিপু, সাংগঠনিক সম্পাদক মনজুর আলম চৌধুরী মনজু, কামরুল ইসলাম, সাবেক কমিশনার হাজী মো. তৈয়ব, প্রচার সম্পদক সিহাব উদ্দিন মুবিন, সহ সাধারণ সম্পদক শামছুল আলম (ডক), হাজী সালাউদ্দিন, মো. শাহ আলম, আবু জহুর, জহির আহমদ, জাহাঙ্গীর আলম, ইঞ্জিনিয়ার কে. এম সুফিয়ান, শেখ নুরুল­াহ বাহার, নগর বিএনপির সম্পাদক বৃন্দ মো. আলী মিঠু, মাহমুদ আলম পান্না, এম আই চৌধুরী, মামুন, হামিদ হোসাইন, হাজী নুরুল আক্তার, ডা: এস এম সরওয়ার আলম, নুরুল আকবর কাজল, দিদারুল আলম চৌধুরী, মোহাম্মদ আলী, অধ্যাপক ঝন্টু বড়ুয়া, মশিউল আলম স্বপন, মো. ইসমাইল, শহিদুল ইসলাম শহীদ, জিয়া উদ্দিন খালেদ চৌধুরী, আবদুল বাতেন প্রমুখ। 


keya