৮:১০ পিএম, ১৯ আগস্ট ২০১৮, রোববার | | ৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৩৯


আমুয়া কলেজের নির্মানাধীন দেয়াল বাতাসেই ধ্বস

৩০ জুলাই ২০১৮, ০৫:০২ পিএম | জাহিদ


মো.রাজু খান, ঝালকাঠি প্রতিনিধি : ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার আমুয়া শহীদ রাজা ডিগ্রি কলেজের নির্মানাধীন ৩ তলা ভবনের নির্মানাধীন ৩য় তলার দেয়ার বাতাসেই ধ্বসে পড়েছে। 

এতে ওই ভবনের পাশে থাকা কলেজ অডিটরিয়ামের একাংশ বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে।  অডিটরিয়ামে থাকা কলেজের ৩ জন ছাত্র ও ২ জন স্টাফ অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেয়েছে।  রোববার সকাল সোয়া ১১ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।  এ ঘটনার জন্য টিকাদারের বিরুদ্ধে নামে মাত্র সিমেন্ট ব্যবহারের অভিযোগ করেছেন কলেজ কর্তৃপক্ষ। 

কলেজের ইংরেজি প্রভাষক ও মানবাধিকার কর্মী অমরেশ রায় চৌধুরী জানান, সকাল সোয়া ১১ টার দিকে বাতাস শুরু হয়।  কিছুক্ষণের মধ্যেই ধপাস করে একটি শব্দ হলে কয়েক ছাত্র ও ২ স্টাফ চিৎকার করে ছোটাছুটি করতে থাকে।  আমি সহ অন্যান্য শিক্ষকরা দৌড়ে ঘটনাস্থলে এসে দেখি নির্মানাধীন ভবনের ৩য় তলার দেয়াল ধ্বসে পড়েছে।  পাশে থাকা কলেজ অডিটরিয়ামটিও বিধ্বস্ত হয়েছে। 

ছাত্রদের বরাত দিয়ে তিনি জানান, পাশে থাকা কলেজ অডিটরিয়ামে ৩ জন ছাত্র ও ২ জন স্টাফ ছিলো।  শব্দ পেয়েই তারা দৌড় দেয়।  ইতিমধ্যে অডিটরিয়ামের ছাউনী বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে।  এঘটনায় ওই ৫ জন অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পায়। 

কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ আবুল বশার বাদশা জানান, ঘটনার সময় আমি কলেজে ছিলাম না।  তবে দুর্ঘটনার খবর সাথে সাথেই শুনেছি।  নির্মানাধীন ৩ তলা ভবনের ৩য় তলার দেয়াল ধ্বসে পড়েছে।  ঠিকাদাররা যথেচ্ছা কাজ করছে।  এখানে যদি প্রাণহানির দুর্ঘটনা ঘটতো তাহলে এর সম্পুর্ণ দায়ভার আমাকেই নিতে হতো।  অভিভাকরা আমাকে বিন্দু মাত্রও ছাড় দিতো না। 

কোন ঠিকাদার এ ভবন নির্মাণের কাজ পেয়েছে এমন প্রশ্নের জবাব অধ্যক্ষ বলেন, আসাদ নামে পিরোজপুরের এক লোক ঠিকাদারী কাজ পেয়েছেন।  তিনি আবার বরিশালের কার কাছে যেন কাজটি বিক্রি করেছেন।  তার হয়ে ঝালকাঠির আউয়াল নামের কালো বর্ণের এক ব্যক্তি কাজটি দেখাশুনা করছেন। 

তিনি বলেন, আমি চাই কলেজের কাজটি ভালোভাবে  হোক।  এটি অল্প মেয়াদি কোন কাজ না।  দীর্ঘ মেয়াদি একটি ভবন যা প্রতিষ্ঠানের জন্যই থাকবে।