৫:২৫ পিএম, ২৪ জুন ২০১৯, সোমবার | | ২০ শাওয়াল ১৪৪০




‘আ.লীগ বঙ্গবন্ধুর আর্দশকে ধারণ করেই গণমানুষের জন্য কাজ করে যাবে’

১০ জানুয়ারী ২০১৯, ০১:০৩ পিএম | জাহিদ


এসএনএন২৪.কম : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আর্দশকে ধারণ করেই গণমানুষের জন্য কাজ করে যাবে আওয়ামী লীগ।  তার দেখানো পথ ধরেই দেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে। ’

বৃহস্পতিবার (১০ জানুয়ারি) সকালে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে তার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানানোর পর তিনি এসব কথা বলেন। 

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘যারা জাতির জনকের আদর্শকে অনুসরণ করে নাই মানুষ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে।  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব এবং তার উন্নয়ন দর্শনে মানুষ আস্থা রেখেছে।  আর সেজন্যই এবারের নির্বাচনে বিপুল সমর্থন দিয়েছে।  জনগণের আস্থার প্রতিদান দিয়ে আওয়ামী এ দেশকে সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলবে। ’

এর আগে, স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে তার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  সকাল ৭টায় ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তিনি। 

পরে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে দলের সভাপতি হিসেবে শ্রদ্ধা জানান শেখ হাসিনা।  এ সময় দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের পাশাপাশি নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদেরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।  পুষ্পস্তবক অর্পণের পর জাতির জনকের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন প্রধানমন্ত্রী। 

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের এই দিনে স্বাধীন দেশে ফিরেছিলেন।  একাত্তরে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের পর শহীদের রক্তস্নাত বাংলার মাটি ও মানুষ এই দিন ফিরে পেয়েছিল হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। 

দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জন করে বীর বাঙালি।  দেশ স্বাধীন হলেও যার আহ্বানে সাড়া দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন মুক্তিযোদ্ধারা, সেই অবিসংবাদিত নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন পাকিস্তানের কারাগারে অন্তরীণ। 

ফলে স্বাধীনতা এলেও নেতার অনুপস্থিতিতে অপূর্ণতা থেকে গিয়েছিল বিজয়ের গৌরব উদ্যাপনে।  অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষা আর উৎকণ্ঠার অবসান ঘটিয়ে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু স্বাধীন দেশের মাটিতে পা রাখেন।  সেই থেকে দিনটি পালিত হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস হিসেবে।