৬:২৮ এএম, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, সোমবার | | ১৩ মুহররম ১৪৪০


আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাউজানে আওয়ামীলীগের উঠান বৈঠক!

০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০৫:৫৯ পিএম | মাসুম


প্রদীপ শীল, রাউজান প্রতিনিধি : আওয়ামীলীগে যখন হাইব্রীট নেতায় সয়লাব তখন সাংগঠনিক নেতাকর্মীরা ঝিমিয়ে পড়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়।  তাপরও থেমে থাকে না কিছু ত্যাগী কর্মী।  এসব ত্যাগী কর্মীদের কারণে আওয়ামীলীগ আজ রাষ্ট্রিয় ক্ষমতায় আসীন।  তারা নিজ দায়িত্ববোধ থেকে কাজ করে দলের জন্য।  তেমনি তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক রাজনৈতিক কর্মীর নাম লায়ন সরোয়ার্দী সিকদার। 

তিনি রাউজান উপজেলার নোয়াজিষপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসাবে তিন বারের নির্বাচিত।  ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতির দায়িত্বও পালন করছেন দীর্ঘদিন থেকে এই নেতা। 

এছাড়া চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক হিসাবে কাজ করছেন গত আট বছর ধরে। 

দলের প্রতি আনুগত্য, শেখ হাসিনার প্রতি পূর্ণ আস্তা ও রাউজানের সাংসদ ফজলে করিম চৌধুরীর অনুপ্রেরণায় কাজ করছেন নিজ ইউনিয়ন নোয়াজিষপুরে। 

জানা যায়, আগামী জানুয়ারীতে অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন।  গুরুত্বপূর্ণ এই নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি শুরু করেছেন ব্যাতিক্রমী উঠান বৈঠক। 

বিশেষ করে মহিলা ভোটাদের সচেতন করে নৌকা প্রতীকে ভোট আদায়ে সাংগঠনিক কর্মসূচী এইটি।  এই ইউনিয়নে পুরুষের চেয়ে মহিলা ভোটার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ।  পুরুষ ভোট নৌকায় পরলেও মহিলা ভোটাররা অবস্থান নেয় বিপরীত প্রতীকের। 

এই অবস্থায় স্থানীয় এই জনপ্রতিনিধি বিগত পাঁচ বছর ধরে মহিলাদের নিয়ে কাজ করছেন বিভিন্ন ভাবে।  তাদের বুঝানোর চেষ্টা করছেন আওয়ামীলীগ এই দেশের প্রতিষ্ঠাতা।  দেশে প্রেম আছে আওয়ামীলীগে।  উন্নয়ন ও অগ্রগতি এনে দিয়েছে দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনা।  প্রতিটি মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে নৌকা প্রতীক। 

রাউজানের রাজনীতি ও নির্বচনকে সামনে রেখে ব্যাতিক্রম উঠান বৈঠক প্রসঙ্গে জানতে চাইলে লায়ন এম সরোয়ার্দী সিকদার জানান, রাউজানের সাংসদ এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনায় আমাকে উৎসাহিত করেছে।  সাংসদের নিদের্শে নোয়াজিশপুর ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ইউনিয়নে পরিনত করেছি।  হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন হয়েছে নোয়াজিষপুর ইউনিয়নে।  ক্লিন, গ্রীন ও গোলাপী ইউনিয়ন হয়েছে নোয়াজিষপুর।  প্রতিটি বাড়ি সড়ক সলিন করা হয়েছে।  ব্রীজ-কালভাট সব হয়েছে এখানে।  দুইটি বড় ব্রীজ হয়েছে সর্তা খালের উপর।  স্কুল, মাদ্রাসা, মসজিদ ও মন্দির গুলোকে সাংসদ বরাদ্ধ দিয়ে যুগউপযোগি প্রতিষ্ঠানে পরিনত করেছে। 

তিনি বলেন, এই ইউনিয়নের উন্নয়নের কথা বলে শেষ করা যাবে না।  চাহিদার বিপরীতে প্রাপ্তি হয়ে বেশি।  এই এলাকার মানুষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে সাংসদের প্রতি।  এ অঞ্চলে সুখ ও শান্তির আবাসভূমি হিসাবে পরিচিত লোকমূখে।  তারপরও আমরা দেখি নির্বাচন আসলে মহিলারা আওয়ামীলীগ ও নৌকা প্রতীক নিয়ে ভূল বুঝে।  তারা নৌকায় ভোট দিতে অনিহা প্রকাশ করে। 

তাই আমরা প্রতিটি ঘরে ঘরে যাচ্ছি আমাদের অপরাধ কি জানার জন্য।  মহিলাদের জন্য আওয়ামীলীগ সরকার গৃহীত কর্মসূচী বাস্তবায়নের চিত্র তুলে ধরতে উঠান বৈঠক শুরু করেছি। 

তিনি জানান, ইতিমধ্যে তিনটি বৈঠক হয়েছে।  ব্যাপক সারা পাচ্ছি আমরা।  দুইটি উঠান বৈঠক সমাবেশে পরিণত হয়েছে। 

তিনি জানান, নির্বাচনের আগ পষর্ন্ত উঠান বৈঠক চলমান থাকবে।