৪:৪৩ এএম, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার | | ২৩ মুহররম ১৪৪১




উন্নয়ন সেবা পৌঁছে দিচ্ছে সরকার তৃণমূল পর্যায়ে : স্পিকার

১৭ জুন ২০১৯, ০১:১৩ পিএম | নকিব


এসএনএন২৪.কম : জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিগত কয়েক বছর ধারাবাহিক ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। 

এ প্রবৃদ্ধি বর্তমানে ৮ শতাংশ।  বর্তমান সরকার তৃণমূল পর্যায়ে উন্নয়ন সেবা পৌঁছে দিচ্ছে। \

নিজ কার্যালয়ে ১৩তম ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস অব চায়না’র (এনপিসি) স্টান্ডিং কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও চাইনিজ এসোসিয়েশন ফর ইন্টারন্যাশনাল আন্ডারষ্টান্ডিংয়ের প্রেসিডেন্ট মি. জি বিংজুয়ান (Mr. Ji Bingxuan) নেতৃত্বে ১৬ সদস্যের এক প্রতিনিধিদলের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এসব কথা বলেন তিনি। 

সাক্ষাৎকালে তারা দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন, বাংলাদেশের অবকাঠামোগত ও আর্থ সামাজিক উন্নয়ন, বাণিজ্য প্রসার, সিল্করোড কানেক্টিভিটি স্থাপন ও সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। 

স্পিকার বলেন, বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন অংশীদার চীন।  তিনি বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিশেষ করে ১০০টি বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চল, বিদ্যুৎ, যোগাযোগ, হাই-টেক পার্ক ও তথ্য-প্রযুক্তি ক্ষেত্রে চীনকে বিনিয়োগের আহ্ববান জানান। 

তিনি বলেন, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সকল সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান এখন সুদৃঢ়।  ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জনগণের জীবনমানের ইতিবাচক পরিবর্তন হচ্ছে।  বর্তমান সরকারের অন্যতম এজেন্ডা দারিদ্রের হার কমিয়ে আনা।  ইতোমধ্যে সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করায় দারিদ্রের হার ৪০ শতাংশ থেকে ২১ শতাংশে নেমে এসেছে। 

চীনের প্রতিনিধি দলের প্রধান মি. জি বিংজুয়ান বলেন, বাংলাদেশে গত দুই মেয়াদে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা উন্নয়নকে তরান্বিত করেছে, যা প্রশংসনীয়। 

তিনি বাংলাদেশকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বন্ধুপ্রতীম দেশ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।  আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধি এ অঞ্চলের সকল দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বয়ে আনবে। 

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সাথে চীনের উন্নয়ন অংশীদারিত্ব দিনদিন শক্তিশালী হচ্ছে।  ভবিষ্যতে উন্নয়ন সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।  এ সময় তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব গুণ ও জনগণের প্রতি ভালবাসার ভূয়সী প্রশংসা করেন। 

মি. জি বিংজুয়ান বলেন, সিল্করোড কার্যকরের মাধ্যমে বাংলাদেশের সাথে থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, হংকং এবং চীনের সাথে যোগাযোগ সহজতর হবে।  এর ফলে এ অঞ্চলের মধ্যকার ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে।  জনগণের সাথে জনগণের সম্পর্ক আরও নিবিড় হবে। 

আঞ্চলিক সহযোগিতা জরুরী উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর ফলে আঞ্চলিক তথা সমগ্র এশিয়ার উন্নয়ন হবে। 

এসময় বাংলাদেশস্থ চীনের রাষ্ট্রদূত ঝ্যাং ঝুও (Zhang Zuo),প্রতিনিধিদলের সদস্য  এবং সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।  পরে প্রতিনিধিদল একাদশ জাতীয় সংসদের চলমান অধিবেশনের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। 


keya