১:১৪ পিএম, ১৮ অক্টোবর ২০১৭, বুধবার | | ২৭ মুহররম ১৪৩৯

South Asian College

উনিশের উচ্ছ্বাসে চ্যানেল আই'র প্রতিষ্টা বার্ষিকী পালন করলো যুক্তরাষ্ট্র ব্যুরো

০৭ অক্টোবর ২০১৭, ১১:৪৭ এএম | ফখরুল


তৈয়বুর রহমান, নিউ ইর্য়ক : তারুণ্যের জয়ধ্বনিতে পালিত হলো চ্যানেল আই’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী।  দেশের প্রথম ডিজিটাল বাংলা চ্যানেল আইয়ের ১৯ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে দেশ ও বিদেশে জুড়ে হয়ে গেল উৎসব।  বিশিষ্ট ব্যক্তিদের অংশগ্রহণে বেলুন উড়িয়ে, কেক কেটে, নেচে গেয়ে উদযাপিত হয়ে গেল দিনটি। 

যুক্তরাষ্ট্র ব্যুরো চ্যানেল আই এর ১৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করেছে মহা ধুমধামের সাথে।  বিশেষ দিন মানেই চ্যানেল আই আর সেই বিশেষ দিনটি যদি হয় দেশের মাটির মানুষদের প্রিয় চ্যানেলের জন্মদিন তাহলে তো কথাই নাই।  ১৯ বছরে পা রাখার এই বিশেষ দিনে চ্যানেল আই । 

জ্যাকসন হাইটস অফিসে প্রিয় প্রাঙ্গণের জমিয়ে রেখেছেন চ্যানেল আইয়ের ভক্ত-শুভানুধ্যায়ী এবং অসংখ্য দর্শনার্থীরা।  'হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ' এই শ্লোগানে হৃদয়ে ধারন করেই ১৮ বছর আগে যাএা শুরু করেছিল বাংলাদেশের বেসরকারী টিভি চ্যানেল আই। 

গত শনিবার ৩০ সেপ্টম্বর ২০১৭ রাত ৯ টায় জ্যাকসন হাইটসের নিউ ইর্য়ক অফিসে জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্হায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন, কনসাল জেনারেল শামীম আহসান, শিল্পী মুক্তিযোদ্ধা ফকির আলমগীর, ডাঃ অরুপ রতন চৌধুরী, কুমার বিশ্বজিৎ, বিজেএমইর ভাইস প্রেসিডেন্ট সালমা হোসেন প্রমূখ ব্যক্তিবর্গের উপস্হিতিতে কেক কাটার মধ্য দিয়ে পালিত হলো ১৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন। 

এসময় আরও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মুক্তিযোদ্ধা স্বাধীন বাংলা শিল্পি রথিন্দ্র নাথ রায়, মুক্তিযোদ্ধা স্বাধীন বাংলা শিল্পি শহীদ হাসান, ফাহমিদা জাবিন, চ্যানেল আই এর চকোর মালিথা, আবুল ফজল দিদারুল ইসলাম, শাহিন আজমল, আবু তালেব চৌধুরী চান্দু, গিয়াস উদ্দিন, এম মান্নান, শাহ নেওয়াজ, আলমগীর খান আলমগীর, আব্দুল কাদির, শহিদুল ইসলাম, আলী ইউসুপ, মিজানুর রহমান, রিজু আহম্মেদ, সাজ্জাদ হোসেন সহ চ্যানেল আই প্রাঙ্গণের মূল মঞ্চে শ্রোতা-দর্শক মাতান দেশ বরেণ্য শিল্পীরা। 

যুক্তরাষ্ট্র ব্যুরো চ্যানেল আই এর প্রধান রাশেদ আহমেদের সার্বিক তও্বাবধানে ও আশরাফুল হাসান বুলবুলের উপস্হাপনায় অনুষ্ঠিত হয়।  প্রথমেই চ্যানেল আই’র সিনিয়ার রিপর্টার তারিকুল ইসলাম মাসুদ শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। 

এটা শুধু চ্যানেল আই নয় দেশের এবং প্রবাসের গণমাধ্যমের জন্য একটা উৎসব।  নানা বয়সী দর্শক-শুভানুধ্যায়ীর ভীড়।  কেউ আসছেন প্রিয় চ্যানেলকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে, কেউ আসছেন আয়োজন উপভোগ করতে, প্রিয় তারকাদের কাছ থেকে দেখতে।  সন্ধ্যাঁ থেকে শুরু হওয়া এই মানুষগুলির ভীর জ্যাকসন হাইটসের অফিস প্রঙ্গনে। 

১৯ বছরে পদার্পণ কালে চ্যানেল আই আগামী প্রজন্ম তথা তারুণ্যের জয়গানকে সামনে এগিয়ে নিতেই এবারের প্রতিপাদ্য ‘অনিশের জয়ধ্বনি।  সংঙ্গীত ও নৈশ ভোজের মধ্যে অনুষ্ঠান শেষ হয় চ্যানেল আই’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী।