১:৩৬ এএম, ১৬ অক্টোবর ২০১৮, মঙ্গলবার | | ৫ সফর ১৪৪০


এইচএসসি পরীক্ষায় প্রবেশ পত্রে গলাকাটা ফি আদায়

০১ এপ্রিল ২০১৮, ১০:১৬ পিএম | নকিব


কে.এম.রিয়াজুল ইসলাম,বরগুনা প্রতিনিধি : বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী আলহাজ্ব আব্দুল খালেক বিএম কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রবেশ পত্র বিতরণে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।  আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী আলহাজ্ব আব্দুল খালেক বিএম কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকরা এ অভিযোগ করেছেন। 

অভিযোগে জানা গেছে,অধ্যক্ষ বোর্ডের আদেশ উপেক্ষা করে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে ১ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করছে।  আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষায় গুলিশাখালী আলহাজ্ব আব্দুল খালেক বিএম কলেজের একাদশ শ্রেণির ৩৩ জন ও দ্বাদশ শ্রেণির ৩৪ জন মোট ৬৭ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। আগামী ২ এপ্রিল এদের পরীক্ষা শুরু হবে।  পরীক্ষার প্রবেশ পত্র বিতরনে অধ্যক্ষ মোঃ সিরাজুল ইসলাম পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে ১ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা নিচ্ছে। বোর্ডের নির্ধারিত প্রবেশ পত্র বাবদ কোন ফি নেই।  কিন্তু টাকা ছাড়া কাউকে প্রবেশপত্র দেয়া হচ্ছেনা।  ওই কলেজের দন্ডাদশ শ্রেণির পরীক্ষার্থী মোঃ সুমন মিয়া জানান, অধ্যক্ষ মোঃ সিরাজুল ইসলাম প্রবেশ পত্র বাবদ ওর কাছ থেকে ২ হাজার টাকা নিয়েছেন।  একাদশ শ্রেণির মেহেরুন্নেছা জানান,প্রবেশ পত্র বাবদ তার কাছ থেকে নিয়েছে ১৫’ শ টাকা। 

কলেজের (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাক্ষ মোঃ সিরাজুল ইসলাম  টাকা নেয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, প্রবেশ পত্র বাবদ টাকা নেয়া হয় না।  পরীক্ষার্থীদের কাছে বকেয়া আছে তাই নিচ্ছি।  একাদশ শ্রেণির মোঃ সোহাগ মিয়া বলেন, ফরম পূরণের সময় সকল ছাত্র /ছাত্রী বকেয়া পরিশোধ করেছে।  কলেজের দাতা সদস্য আলহাজ্ব আব্দুল খালেক বলেন,প্রবেশ পত্র বাবদ অধ্যক্ষ ১ থেকে ৩ হাজার টাকা নিচ্ছেন এ বিষয় পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকরা আমাকে জানিয়েছে। 

আমি অধ্যক্ষকে টাকা নিতে নিষেধ করেছি।  যাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে সেই টাকা ফেরৎ দিতে বলেছি।  তিনি আরো বলেন,ফরম ফিলাপের সময় বোর্ড নির্ধারিত টাকার চেয়ে দেড় থেকে ২ হাজার টাকা অধ্যক্ষ বেশি নিয়েছেন।  এ বিষয়টি তখনই আমি কলেজ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ কে জানিয়েছিলাম। 

আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও কলেজ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোঃ সরোয়ার হোসেন বলেন, প্রবেশ পত্র বাবদ টাকা নেয়ার কথা নয়।  অধ্যক্ষ টাকা নিয়ে থাকলে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 


keya