১০:০১ এএম, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, সোমবার | | ১৩ মুহররম ১৪৪০


ওজন কমাতে ৯টি পরামর্শ

১৮ আগস্ট ২০১৮, ০৮:৫১ এএম | মাসুম


এসএনএন২৪.কম : প্রতিদিনের রান্নায় ব্যবহার করা বিভিন্ন রকম মশলা আমরা খেয়ে থাকি।  তার মধ্যে বেশ কিছু মশলা ওজন কমাতে বেশ সহায়ক।  তার মধ্যে গোল মরিচ, আদা, দারচিনি ইত্যাদি মশলা ওজন কমাতে বেশ গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখে।  এইসব মশলা ওজন কমাতে ও হার্ট ভালো রাখতে খুবই কার্যকরী। 

তাহলে জেনে নিন যেসব মশলা আমাদের ওজন কমাতে বেশ সহায়তা করে-

১) মেথি

মেথি পাঁচ ফোঁড়নের অন্যতম একটি মশলা।  এটি ওজন কমাতে সাহায্য করা ছাড়াও আরও বিভিন্ন রোগ সারাতেও বিশেষভাবে কাজ করে।  এতে রয়েছে রক্তের চিনির মাত্রা কমানোর বিস্ময়কর শক্তি।  তাই ওজন কমানোর পাশাপাশি ডায়াবেটিসও নিয়ন্ত্রণে রাখে।   

২) এলাচ

এলাচে রয়েছে নানা রকম রাসায়নিক উপাদান।  যেমন: টর্পিন, টপিনিনোল, সিনিওল, এসিটেট, টপিনিল ইত্যাদি।  এইসব উপাদান শরীরের ফ্যাটবার্ন করার ক্ষমতা বাড়ায়।  ফলে শরীরে ফ্যাট জমে না। 

৩) দারচিনি

ওজন কমাতে দারচিনি বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে।  নিয়মিত দারচিনি খেলে খিদে কমে যায়।  শুধু তাই নয়, দারচিনি শরীরের জমে থাকা মেদ গলাতে সাহায্য করে।  এটি শরীরের সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, তাই ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য এটি খুবই উপকারী।  এছাড়াও পেটের রোগ, ইনফ্লুয়েঞ্জা, টায়ফয়েড, টিবি ও ক্যান্সার প্রতিরোধে দারুচিনি খুবই কার্যকরী। 

৪) হলুদ

হলুদের বিশেষ গুণ এই যে, এটি ফ্যাট টিস্যু তৈরি হতে দেয় না।  ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। 

৫) আদা

আদা শুধু সর্দি-কাশিতেই উপকারি নয়, এতে রয়েছে আরও অনেক গুণ! পেট পরিষ্কার করার ক্ষেত্রে আদা খুবই কার্যকরী।  এটি পাচনতন্ত্রে জমে থাকা খাবার পরিষ্কার করে দেয় ফলে ফ্যাট জমতে পারে না।  ফ্যাট না জমলে ওজন এমনিতেই নিয়ন্ত্রণে থাকবে।  এ ছাড়া আদার রস শরীরের জমে থাকা চর্বি দূর করতে সহায়তা করে। 

৬) কাঁচালঙ্কা

কাঁচালঙ্কায় রয়েছে অ্যাকজেলিক অ্যাসিড, কিউনিক অ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড, এস্কার্বিক অ্যাসিড, সাক্সিনিক অ্যাসিড, শিকিমিক অ্যাসিড, ফোলিক অ্যাসিড, সাইট্রিক অ্যাসিড, ম্যালিক অ্যাসিড, মেলানিক অ্যাসিড, আল্ফা-এমিরন, ক্যান্সিডিনা, ক্যারোটিন্স, ক্রিপ্টোক্যানসিন, ফ্ল্যাভনয়েডস প্রভৃতি।  এগুলো ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।  আর কাঁচালঙ্কার ক্যাপসিসিন খিদেও নিয়ন্ত্রণ করে।  গবেষণায় দেখা গিয়েছে, কাঁচালঙ্কা মেটাবলিজম বাড়িয়ে অতিরিক্ত ক্যালরি বার্ন করতে সহায়তা করে। 

৭) মৌরি

মৌরি পাচনতন্ত্রের উপকার করে, খিদে কমায়।  আর এটি লিভারেরও ক্ষেত্রেও খুব উপকারী।  মৌরি মাউথ ফ্রেশনার হিসেবেও খুবই কার্যকরী। 

৮) ইসবগুল

ইসবগুল পেট পরিষ্কার রাখে, হজম শক্তি বাড়ায়।  আর ক্ষুধা অনুভব কমায়।  প্রতি রাতে শোয়ার আগে ইসবগুল খেলে ওজন কমবে।  অনেক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ দিনে দুবেলা খাবারের ১০ মিনিট পূর্বে তিন চামচ ইসবগুল খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। 

৯) জিরা

বদহজম, পেট ফোলা এবং খাবারে অরুচি সমস্যায় জিরা খুবই উপকারি।  পাইলসের সমস্যায় মিছরির সঙ্গে জিরা মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়।  নিয়মিত জিরা খেলে ওজন কমে।  বেশি খাবার খাওয়ার অস্বস্তি থেকেও জিরা-জল মুক্তি দেয়।