৮:০৩ পিএম, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার | | ১৪ রবিউস সানি ১৪৪১




কিছুতেই থামছে না ধরলা নদী থেকে বালু উত্তোলন

৩১ জুলাই ২০১৯, ১১:২৯ এএম | নকিব


আজিজুল ইসলাম বারী,লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলায় ধরলা নদী থেকে বালু উত্তোলনের জমজমাট ব্যবসা গড়ে উঠেছে। 

বালু ব্যবসাকে কেন্দ্র করে ক্ষমতাসীন দলের এক নেতার সহযোগিতায় একটি সিন্ডিকেটও গড়ে উঠেছে। 

ওই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে প্রতিদিন সন্ধ্যায় বালু বিক্রির টাকা ভাগাভাগি হচ্ছে।  অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর ভাঙ্গন বেড়ে যাবে বলে স্থানীয়রা জানান।  

জানা গেছে, ওই উপজেলার বিলুপ্ত বাশঁকাটা বাশঁটারী ছিটমহলে কিছু দিন আগে পানি উন্নয়ন বোর্ডর উদ্যোগে ধরলা নদী খনন করা হয়েছে।  খননের বালু গুলো নদীর দুই পাড়ে স্তÍপ করে রাখা হয়।  ওই বালুর স্তÍপকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠে বৈধ বালুর অবৈধ ব্যবসা।  পাটগ্রাম উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-দপ্তর সম্পাদক কাদের এলাহী লাভলুর সহযোগিতায় বালু ব্যবসাকে কেন্দ্র করে গড়ে তোলা হয়েছে একটি সিন্ডিকেট এমন অভিযোগ রয়েছে।  

সরে জমিনে দেখা যায়,  ওই সিন্ডিকেট প্রতি বালু ট্রাক ১ শত টাকা দরে বিক্রি করছে।  প্রতিদিন দুই শতাধিক ট্রাক বালু বিক্রি হয়।  বালু বিক্রির দায়িত্বে আছেন ইউসুফ আলী নামে সিন্ডিকেটের এক সদস্য।  প্রতিদিন সন্ধ্যার পর বালু বিক্রির টাকা সিন্ডিকেটের সদস্যদের মধ্যে ভাগাভাগি হয়।  অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন ও বিক্রির ফলে ধরলা নদীর ভাঙ্গন বেড়ে যাবে বলে স্থানীয়রা জানান।  

বালু বিক্রির দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউসুফ আলী জানান, বালু বিক্রির বিষয়টি সর্ম্পুণ কাদের এলাহী লাভলু নিয়ন্ত্রণ করেন।  তার সাথেই কথা বললে বিস্তারিত জানা যাবে।  

পাটগ্রাম উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-দপ্তর সম্পাদক কাদের এলাহী লাভলু জানান, তিনি ওই বালু বিক্রির সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত নয়।  তবে এলাকার কিছু গরীব মানুষ বালু বিক্রি করে চলছে বলে তিনি জানান।  

পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল করিম ছাত্তার জানান, বালু মহল ছাড়া নদী থেকে বালু উত্তোলন অবৈধ।  কেউ যদি অবৈধ ভাবে নদী থেকে বালু করে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।