৩:১৬ এএম, ২১ নভেম্বর ২০১৭, মঙ্গলবার | | ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

South Asian College

কিডনির পাথর প্রতিরোধ করে লেবুর রস

১২ নভেম্বর ২০১৭, ০১:০৭ পিএম | রাহুল


এসএনএন২৪.কম : লেবু।  লেবু হল সাইট্রাস লিমন (Citrus limon) সাধারণ নাম। 

লেবুর অনেক গুণ।  লেবুর শরবত একটি আদর্শ স্বাস্থ্যসম্মত পানীয়।  মাত্র একটি মাঝারি আকৃতির লেবু থেকে চল্লিশ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি বা এসকরবিক এসিড পাওয়া যা একজন মানুষের দৈনিক চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট।  ভিটামিন ‘সি’ দেহের রোগ প্রতিরোধকারী কোষগুলোর কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।  তাই বিশ্বজুড়ে লেবু খুবই জনপ্রিয় এবং প্রতিটি দেশের রান্নাঘরে এটি একটি অপরিহার্য খাবার।  তাছাড়া এটি উদ্ভিজ্জ যৌগ, খনিজ এবং দেহের জন্য প্রয়োজনীয় তেলে সমৃদ্ধ।  চলুন এবার জেনে নিই লেবুর রসের চিত্তাকর্ষক সব উপকারিতা-

১. কিডনির পাথর:
লেবুতে উপস্থিত লবণ বা সাইট্রিক অ্যাসিড কিডনিতে ‘ক্যালসিয়াম অক্সালেট’ নামক পাথর গঠনে বাধা দেয়।  সবচেয়ে সাধারণ কিডনি পাথরগুলোর মধ্যে এটি একটি। 

২. লিভার পরিষ্কার রাখে:

লেবুতে বিদ্যমান সাইট্রিক অ্যাসিড কোলন, পিত্তথলি ও লিভার থেকে বর্জ্য পদার্থ বের করতে সাহায্য করে। 

৩. শক্তি বৃদ্ধি:
লেবুর রস পরিপাক নালীতে প্রবেশ করে শরীরে শক্তি বৃদ্ধি করে।  এটি মানসিক চাপ কমাতে ও মেজাজ ফুরফুরা করতেও সহায়ক ভূমিকা পালন করে। 

৪.হজমে সাহায্য করে:
লেবুর রস হজমে ব্যাপক সাহায্য করে।  সেইসঙ্গে পরিপাক নালী থেকে বর্জ্য পদার্থ বের করে দেয়।  এটি কোষ্ঠকাঠিন্যও দূর করে। 

৫. ত্বক পরিষ্কার করে:

লেবুতে উপস্থিত ভিটামিন ‘সি’ ত্বকের কোষের ক্ষয় প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।  শুধু তাই নয়, এই উপাদান শরীরে কোলাজেন তৈরি করে।  যা মুখের অবাঞ্ছিত দাগ দূর করে ঔজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনে। 

৬. ওজন হ্রাস:
লেবুতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার বা আঁশ রয়েছে।  যা ক্ষুধার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে।  এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা খালি পেটে লেবুর রস খান, তাদের ওজন দ্রুত হ্রাস পায়।  সুতরাং ওজন বৃদ্ধি নিয়ে চিন্তা না করে প্রতিদিন সকালে লেবুর রস খান। 

৭. মূত্রনালীর সংক্রমণ দূর:
যদি মূত্রনালীতে সংক্রমণ ঘটে।  তাহলে প্রচুর পরিমাণে লেবুর রস পান করুন।  এটি আরোগ্য লাভে সাহায্য করবে। 

৮. চোখের স্বাস্থ্য:
লেবুর রস চোখের স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রণ করে এবং চোখের সমস্যার বিরুদ্ধে লড়াই করে। 

৯. ক্যান্সার প্রতিরোধে:
লেবু অনেক ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।  বিশেষ করে স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে এর জুড়ি মেলা ভার।