৩:১০ এএম, ২১ নভেম্বর ২০১৭, মঙ্গলবার | | ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

South Asian College

কেন চলে যেতে চান হাথুরু

১০ নভেম্বর ২০১৭, ০৯:০৮ এএম | রাহুল


এসএনএন২৪.কম : দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে চন্ডিকা হাথুরুসিংহে এক চিঠিতে বাংলাদেশের প্রধান কোচ হিসেবে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছার কথা জানান। 

বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান।  সেই থেকে বোর্ডের সঙ্গে এ বিষয় নিয়ে কোনো কথা বলেননি হাথুরু।  কেন পদত্যাগ করতে চান, তার কোনো কারণও জানাননি তিনি। 

গত বছর আগস্টেও একই কাণ্ড করেছিলেন তিনি।  সেসময়ও শ্রীলংকা ক্রিকেট তাকে প্রধান কোচ হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল।  এবারও শোনা যাচ্ছে, বাংলাদেশ দলের সঙ্গে তিন বছরের সম্পর্ক চুকিয়ে তিনি শ্রীলংকা দলের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন। 

হাথুরু যদি চলে যান, তাহলে সেটা বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য নিশ্চয় বড় ধাক্কা হবে? নাজমুল হাসান বলেন, ‘বড় ধাক্কা কিনা জানি না।  আপনারা ভালো বলতে পারবেন।  এ কোচ চলে গেলে মিডিয়ার খুশি হওয়ার কথা।  ক্রিকেটাররাও খুশি হবে।  এই কোচকে নিয়ে আমাদের পরিকল্পনা ছিল।  সেটি বাধাগ্রস্ত হবে। 

কী কারণে চলে যেতে চান, সেটা বলেননি কোচ।  নাজমুল হাসান বলেন, ‘কোচ শুধু জানিয়েছেন তিনি থাকতে ইচ্ছুক নন।  ঝামেলা কোথায় হয়েছে, সেটা বলা মুশকিল।  হতে পারে খেলোয়াড়রা তার কথা শুনছে না। 

নিজের দেশ শ্রীলংকার প্রস্তাবে সাড়া দিয়েই হাথুরুর হঠাৎ পদত্যাগ, এটা মানতে চান না বিসিবি সভাপতি, ‘এক বছর আগেই শ্রীলংকা থেকে তার প্রস্তাব ছিল।  শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট ডেকে নিয়ে তাকে প্রস্তাব দিয়েছিলেন।  অন্য জায়গা থেকেও তার প্রস্তাব ছিল, আমাকে দেখিয়েছেন।  এখন তার সঙ্গে কথা বলার আগে বলা মুশকিল যে কেন চলে যেতে চান।  আরও ভালো প্রস্তাব নাকি পারিবারিক কারণ, না অন্য কিছু। 

তিনি বলেন, ‘দক্ষিণ আফ্রিকায় দ্বিতীয় টেস্টের পর আমাকে চিঠি দিয়েছিলেন।  সিরিজ চলছিল।  তাই আমি এ ব্যাপারে কিছু বলতে রাজি হইনি।  নির্বাচনেরও ঝামেলা ছিল।  তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেছিলেন, কিন্তু আমি করিনি।  সিইও’র সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেছিলাম।  সিইও তাকে পাচ্ছেন না। 

নাজমুল হাসান বলেন, ‘পদত্যাগপত্র রাখা বা না রাখার কোনো ব্যাপার নয়।  কেউ যদি না থাকতে চান, তাহলে তো তাকে জোর করে রাখার কোনো কারণ নেই।  কোচ সব সময় খেলা নিয়ে থাকতে পছন্দ করেন।  সেটা থাকেনও।  আমি নিশ্চিত, তিনি দরকষাকষির জন্য এমনটি করছেন না।  টাকা-পয়সা কোনো ইস্যু নয়। 

তিনি বলেন, ‘তিনি হয়তো কোনো কারণে কষ্ট পেয়েছেন।  দ্বিতীয় টেস্ট থেকেই তিনি চুপ হয়ে গেছেন।  তার হঠাৎ করে চুপ হয়ে যাওয়াটা সাধারণ কোনো ব্যাপার ছিল না।  তবে এ মাসেই তার সঙ্গে কথা হবে।  তখনই আসল কারণটা জানা যাবে। 

নাজমুল হাসান বলেন, ‘এ কোচ না থাকলে আরেকজন কোচ নিতে হবে।  তবে বিদেশি কোচ না পাওয়া পর্যন্ত দেশের কাউকে চালাতে হবে।  স্থায়ীভাবে দেশি কোচ নয়।