৯:৫৮ এএম, ৪ জুন ২০২০, বৃহস্পতিবার | | ১২ শাওয়াল ১৪৪১




করোনাঃ ব্রিক্সস ইন্ডাস্ট্রিতে ১১,৮৫৩,০০০,০০০ কোটি টাকা ক্ষয়ক্ষতি আশঙ্কা

০৩ এপ্রিল ২০২০, ০২:২৫ পিএম | নকিব


এসএনএন২৪.কমঃ 

করোনার প্রভাবে ব্রিক্সস ইন্ডাস্ট্রি শিল্পে  কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। 

বাজারজাত করতে না পারায় এমন ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে এ খাত। 

পাশাপাশি বিভিন্ন বিভাগে ইট ভাটায় কাজ বন্ধও রয়েছে। 

এমন আশঙ্কার কথা তুলে ধরেছে  ব্রিক্সস ইন্ডাস্ট্রি মালিক সমিতি। 
সূত্র জানায়, এ পর্যন্ত এ খাতে একটি ভাটায় কমপক্ষে তিন কোটি টাকা ইনভেস্ট করে তাদের কার্যক্রম চলে।  তারমাঝে জ্বালানি পণ্য, শ্রমিকদের দৈনন্দিন খরচসহ রয়েছে। 

এখন মহামারি করোনার প্রভাব পরেছে সেখানে।  ইট   কাটছে না শ্রমিকরা, মালিকরা   ক্রয় করতে পারছে না জ্বালানি পণ্য, কষ্ট সাধ্য হচ্ছে শ্রমিক মজুরি দিতে। 

ভ্যাট  অফিস সূত্রে জানাযায়,  বিভাগে অনুসারে মোট ইট ভাটা রয়েছে ৭ হাজার ৯শত ২টি এতে সারা দেশে সবমিলিয়ে লোকশানের পরিমান ১১,৮৫৩,০০০,০০০ কোটি টাকা। 

সারা দেশে লকডাউন হওয়াই ইট বিক্রির ক্ষেতে মালামাল আনানেওয়া বন্ধ । যেখানে তিনকোটি টাকা ইনভেস্ট সেখানে চলমান আয় তার অর্ধমাত্রা। 

ভাটা মালিকরা জানায়, ইট তৈরির ক্ষেত্রে যে টাকা ব্যায় হয় তা অধিক হচ্ছে ফরোয়ার্ড ইটের টাকা ব্যাংক থেকে তেমন একটা লোন নেওয়া হয় না।   দাদন দেওয়ার পরও  হাজার হাজার শ্রমিকদের বসে বসে খাওয়াচ্ছে ইটভাটা মালিকরা।  মাত্র  কয়েকদিন আগে ইটভাটার মওসুম শুরু হয়েছে।  ইটকাটার স্থান শুকিয়ে পঠ তৈরি করে স্থান প্রস্তুত করে সব ইটভাটায় পুরোদমে ইটকাটা শুরু করে।  বেশ কয়েকটি ইটভাটায় আগুনও জ্বালিয়ে দেয়।  আগুন দিয়েও ইটভাটার মালিকরা পড়েছে বেকায়দায়।  এখন ইট বিক্রি না থাকায় মালিকরা পড়েছে মোটা অঙ্কের লোকশানে। 
এদিকে চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার ইটভাটা মালিকরা জানায়,  MR চৌধুরী ব্রিক্সস ইন্ডাস্ট্রি, গফুর আলী বোস্তামী ব্রিক্সস,  রোস্তম শাহ ব্রিক্সস,  মক্কা ব্রিক্সসসহ  বেশ ইন্ডাস্ট্রিতে ও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এ মহামারি প্রভাবে। 
রাউজান  ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি জমির উদ্দিন পারভেজ জানান, বর্তমানে উপজেলা জুড়ে যে সকল ব্রিক্সস ইন্ডাস্ট্রি রয়েছে সব গুলোতে ইট বিক্রি হ্রাস পেয়েছে।  ফলে লোকশানের খাতা বহন করতে হচ্ছে।  যে পরিমান অর্থব্যয় করা হচ্ছে তার অর্ধপরিমান ও আয় আসেনি ব্রিক্সস ইন্ড্রাস্টি থেকে।