৫:৫৭ এএম, ২ ডিসেম্বর ২০২০, বুধবার | | ১৬ রবিউস সানি ১৪৪২




‘কর জমা দেয়াকে ঝামেলা মনে করেন বেশির ভাগ মানুষ’

১৬ নভেম্বর ২০২০, ১০:৫১ এএম |


এসএনএন২৪.কমঃ কর জমা দেয়াকে ঝামেলার বিষয় মনে করেন বেশির ভাগ মানুষ, অটোমেশনের মাধ্যমে এ ভীতি দূর হলে রাজস্ব আদায় বাড়বে বলে মন্তব্য করেছেন এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম। 

রাজধানীর পল্টনে করাঞ্চল-৬ কার্যালয়ে ই-রিটার্ন দাখিল সফটওয়ার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, কর জিডিপি অনুপাত বাড়াতে করের আওতায় আনতে হবে আরও অনেক মানুষকে। 

এ সময় তিনি বলেন, করোনার কারণে অটোমেশন কার্যকর পিছিয়ে গেছে।  আগামী বছর সব করাঞ্চল থেকে অটোমেশন সুবিধা দেয়া সম্ভব হবে।  মাত্র এক পাতার ফরম পূরণ করে অনলাইনে রির্টান জমা দিতে পারবেন ৪ লাখ টাকার কম আয় ও ৪০ লাখ টাকার কম সম্পদের করদাতারা।  তবে এর বাইরে অন্যদের বিস্তারিত তথ্যসহ ফরম পূরণ করতে হবে অনলাইনে। 

এ বছর এই করাঞ্চলের এক লাখ ৩৫ হাজার করদাতাই রিটার্ন সুবিধা পাচ্ছেন।  তাৎক্ষণিক রিটার্ন প্রাপ্তিস্বীকার পত্রও পেয়ে যাবেন এসব করদাতা।  করোনার সময়ে ঘরে বসে রির্টান জমা দেয়ার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখবে এই কার্যক্রম।  অনুষ্ঠানে এনবিআর চেয়ারম্যান আশা করেন, সামনের বছর দেশের সব কর অঞ্চলে অনলাইন রিটার্ন দাখিলের সেবা চালু করা যাবে। 

উল্লেখ্য, চলতি বছর বাজেট ঘোষণায় অনলাইন কর রিটার্ন দাখিলে করদাতাদের দুই হাজার টাকা কর ছাড় দেয়া হয়েছিল।  তবে ভিয়েতনামের প্রতিষ্ঠান এফপিটি ৫১ কোটি টাকা ব্যয়ে কেন্দ্রীয় ই-ট্যাক্স ফাইলিংয়ের অটোমেশন সফটওয়ারের কাজ এনবিআরকে বুঝিয়ে না দেয়ায় সারাদেশের করদাতারা এ সুবিধা নিতে পারছেন না।  পরে ঢাকার কয়েকটি কর অঞ্চল অনলাইন রিটার্ন দাখিলে আলাদা করে সেবা চালুর উদ্যোগ নেয়। 

কর অঞ্চল ৬ এর বেশির ভাগ করদাতাই ব্যাংকের চাকরিজীবী।  অনলাইনে সহজে রিটার্ন দাখিলের সুযোগ পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন করদাতারা।  চলতি মাসের শেষ তারিখ পর্যন্ত আয়কর রিটার্ন দাখিল করা যাবে।  এ সময় বাড়ানো হবে না বলে জানিয়েছে এনবিআর।