১২:১১ এএম, ১২ এপ্রিল ২০২১, সোমবার | | ২৯ শা'বান ১৪৪২




ক্লান্তি কাটায়, বুদ্ধি বাড়ায় ডিম!

১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১১:৫১ এএম |


এসএনএন২৪.কমঃ প্রোটিনের সবচেয়ে ভালো উৎস ডিম।  ডিম সবার সাধ্যের মধ্যেই রয়েছে। 
ডিমকে বলা হয় ‘সুপারফুড’। 

বিভিন্ন ধরনের খাদ্যগুণ রয়েছে ডিমে।  প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল, ফসফরাস, আয়রন, জিংক, ম্যাঙ্গানিজসহ সব উন্নত পুষ্টি উপাদান থাকায় ডিমের গুরুত্ব অনেক।  সুপারফুড ডিম মাংসপেশি, মস্তিষ্কের টিস্যু গঠন ও মেধা বিকাশে সহায়তা করে।  

সারাদিন কাজের ফাঁকে প্রায়ই ক্লান্তি চলে আসে, পেয়ে বসে তন্দ্রা।  এই তন্দ্রা ও ক্লান্তি কাটানোর জন্য অনেকেই বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেন।  বিশেষজ্ঞরা বলেন, শরীরের সেরোটোনিন হরমোনের মাত্রা কমে গেলে মানসিক অবসাদের সৃষ্টি হয়।  ডিম সেরোটোনিন তৈরির ভালো উপাদান।  এতে আরও রয়েছে ফলিক এসিড যা মুড বুস্টার হিসেবে কাজ করে। 

ডিমপ্রিয় মানুষের জন্য আরো একটি সুখবর আছে।  ডিমের অন্যান্য গুণের সঙ্গে টাইপ-২ ডায়াবেটিস দূর করার ক্ষমতা রয়েছে।  ‘দ্য আমেরিকান জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন’ এ প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, সপ্তাহে চারটি ডিম টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়। 

যারা সপ্তাহে একটি ডিম খান তাদের তুলনায় যারা সপ্তাহে চারটি ডিম খান তাদের টাইপ-২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি ৩৭ ভাগ কম।  

এক-একজনের ডিম খাওয়ার ধরণও আলাদা, কারো পোচের মাঝখানে জ্বলজ্বল করতে থাকে হলদে কুসুম, কেউ বা খান পরোটা দিয়ে পেঁয়াজ মরিচের মামলেট, কেউ বা মাশরুমসহ, ডিম ভুনা বা চিলি অ্যান্ড গার্লিক সঙ্গে দিয়ে।  যেভাবেই খাওয়া হোক ডিমের পুষ্টিগুণ পাওয়া যায় সব ভাবেই।  

শিশু থেকে বৃদ্ধ, নারী-পুরুষ সবাই সকালের নাস্তায় একটি ডিম খেতে পারেন বলে জানিয়েছেন পুষ্টিবিদরা।   তবে উচ্চরক্তচাপ, ডায়াবেটিস, স্থুলতার মতো শারীরিক সমস্যা থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ মতো ডিম খেতে হবে।