৯:৫২ এএম, ২৩ নভেম্বর ২০১৭, বৃহস্পতিবার | | ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

South Asian College

কুষ্টিয়ায় বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস পালন

১৫ নভেম্বর ২০১৭, ০১:৩৩ এএম | সাদি


এসএম জামাল, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : “সকল গর্ভধারন হোক পরিকল্পিত” প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে কুষ্টিয়ায় বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস পালন করা হয়েছে।  এ উপলক্ষে মঙ্গলবার সকালে কুষ্টিয়া ডায়াবেটিক সমিতির আয়োজনে বর্ণাঢ্য র‌্যালী শেষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।  র‌্যালীতে নেতৃত্ব দেন কুষ্টিয়ার সহকারী পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো: শহীদুল্লাহ। 

সমিতির সভাপতি মতিউর রহমান লাল্টুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রেফেসর ড. সেলিম তোহা, কুষ্টিয়ার সহকারী পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো: শহীদুল্লাহ, স্বাচিপ সভাপতি ও বিএমএর সাধারন সম্পাদক ডা: আমিনুল হক রতন, ডা: আসমা জাহান লিজা বক্তব্য রাখেন। 

বিএমএর কুষ্টিয়া জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক ডা: আমিনুল হক রতন তার বক্তব্যে বলেন,  ডায়াবেটিস প্রতিরোধযোগ্য।  যে সকল মায়েদের গর্ভকালীন ডায়াবেটিসের ঝুঁকি আছে, তাদের নিয়মিত ডায়াবেটিসের স্ক্রিনিং করতে হবে।  ওজন বেশি থাকলে কমিয়ে স্বাভাবিক ওজনে আনতে হবে।  নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম করতে হবে, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, এই সকল কিছু নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে পরিকল্পিত গর্ভধারণ করলে ডায়াবেটিস ও তার ভয়াবহ জটিলতা থেকে রক্ষা পাওয়া যেতে পারে। 

কুষ্টিয়ার সহকারী পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো: শহীদুল্লাহ তার বক্তব্যে বলেন, ডায়াবেটিস এমন একটি রোগ যার কারনে অন্ধত্ব পঙ্গুত্বর মত মর্মান্তিক রোগ হতে পারে।  সারাবিশ্বে ডায়াবেটিস রোগ দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে।  বেড়ে যাওয়ার কারণ আমরা অসচেতন।  আমরা ডায়াবেটিস রোগ নির্ণয়ে পরীা পর্যন্ত করায় না।  তাই অনেকেই ডায়াবেটিস রোগ আছে বুঝতে পারে না।  এ জন্যই আমাদেরকে সুস্থ সবলভাবে বেঁচে থাকতে হলে নিয়মিত ডায়াবেটিস আছে কি-না পরীা করতে হবে।  এবং নিয়ম মাফিক খাবার খেতে হবে।  তাহলেই আমরা সুস্থ সবল থাকতে পারব। 

ডা: লিজা-ডা: রতন ম্যাটসের চেয়ারম্যান ডা: আসমা জাহান লিজা তার বক্তব্যে বলেন, একটি অনিরাময়যোগ্য রোগ ডায়াবেটিস।  বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে বিশ্বব্যাপী মানুষের মৃত্যু ও শারীরিক অক্ষমতার একটি প্রধান কারণ হলো এটি।  নারী, পুরুষ, শিশু নির্বিশেষে সবারই ডায়াবেটিস হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।  নিয়ন্ত্রিত না হলে নীরব ঘাতক হিসেবে পরিচিত এ রোগটি মানুষের কর্মক্ষমতা হরণের পাশাপাশি চোখ, হূদযন্ত্র, মস্তিষ্ক, কিডনি ও ত্বকসহ বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করতে পারে।  এসময় রোগি, চিকিৎসকসহ বিভিন্ন শ্রেণী মানুষ অংশ নেয়।