১০:২৭ এএম, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার | | ১৯ মুহররম ১৪৪১




কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের দরজা খোলা সুবিধা বঞ্চিত মানুষের জন্য

০২ নভেম্বর ২০১৭, ১০:৪৫ এএম | নকিব


এস এম জামাল,কুষ্টিয়া ,প্রতিনিধি:  দরিদ্র, অসহায় কাকলী বেগম। 

চিকিৎসার সহযোগীতার জন্য কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসকের কাছে এসেছেন।  তিনি তাৎক্ষনিক হাসপাতাল সমাজসেবা অফিসারের মাধ্যমে তার চিকিৎসা ও পথ্যের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।  হাসপাতাল সমাজসেবা অফিসার সুশান্ত কুমার পাল রোগীকে নিয়ে হাসপাতালের ৩ নং ওয়ার্ড এ নিয়ে গিয়ে অতিরিক্ত বেডে রোগীকে থাকার ব্যবস্হা করলেন এবং হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যালয়ের রুগী কল্যাণ সমিতি কুষ্টিয়া থেকে দরকারী সব ঔষধ পথ্য দিয়ে আসলেন। 

সপ্তাহের এই বুধবার দিনটি আসলেই জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসেন জেলার প্রধান কর্তাব্যক্তি জেলা প্রশাসকের কাছে।  এখানে অভাব, অভিযোগ আর সমস্যা নিরসনের জন্য তাদের এই ছুটে আসা।  আর তাই সপ্তাহের এই দিনটিকেই বেছেই নেওয়া হয়েছে।  সাবেক জেলা প্রশাসক সৈয়দ বেলাল হোসেন এই সিষ্টেম চালু করে গেছেন।  ফলে সাধারন মানুষরা তাদের অভাব অভিযোগ নিয়ে সরাসরি জেলা প্রশাসকের কাছে এসে বলতে পারছে।  প্রতি বুধবারেই সকাল ১০টার দিকে জেলা প্রশাসকের অফিসকক্ষের বাইরে বসে কিংবা দাঁড়িয়ে বিভিন্ন বয়সীর মানুষ। 

এদের মধ্যে অধিকাংশই থাকে দারিদ্র পিড়ীত সমাজের মানুষ।  যারা বিভিন্ন সময় সমস্যা সমাধানের জন্য সঠিক জায়গা না পেয়ে এখানেই ছুটে আসে।  এছাড়াও চিকিৎসাসহ অন্যান্য আর্থিক সাহায্য সংক্রান্ত সহযোগীতার জন্যও আসেন অনেক হতদরিদ্র।  যাদের সকলকেই সাহায্য সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেন জেলা প্রশাসক মো. জহির রায়হান।  অনেকের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাৎক্ষনিক সমস্যার সমাধান দেন এছাড়াও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্টকে নির্দেশ প্রদান করেন। 

এসব কারনেই জেলার মানুষ খুশী, বিশেষ করে সমাজের হতদরিদ্র সুবিধা বঞ্চিত মানুষগুলো।  কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) হাসান হাবীব জানান, জেলার বিভিন্ন প্রান্ত হতে ছুটে আশা মানুষজন তাদের নানাবিধ অভাব, অভিযোগ আর অসঙ্গতির কথা তুলে ধরে জেলা প্রশাসকের নিকট এর প্রতিকার চেয়ে আবেদন করেন।  জেলা প্রশাসক আন্তরিকতা সহকারে তাদের কথাগুলো শুনে থাকেন এবং কিছু সমস্যার তাৎক্ষনিক প্রতিকারের ব্যবস্থা করেন এবং কিছু সমস্যা সমাধানকল্পে সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহে প্রেরণ করেন।