৯:৩৮ পিএম, ১৯ নভেম্বর ২০১৮, সোমবার | | ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪০




খাগড়াছড়িতে সাত খুনের ঘটনায় জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ঘটনাস্থল পরিদর্শন

২৭ আগস্ট ২০১৮, ০৭:৫০ পিএম | মাসুম


এম. সাইফুর রহমান, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি : খাগড়াছড়িতে সাত খুনের ঘটনা তদন্তে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের তদন্ত কমিটি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। 

সোমবার সকালে খাগড়াছড়ি সদরের স্বণির্ভর বাজারের ঘটনাস্থল পরিদর্শনের সময় প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ইউপিডিএফের নেতাকর্মী ও স্থানীয় জনসাধারণ এবং ভুক্তভোগী পরিবারের সাথে কথা বলেন তদন্ত কমিটির সদস্যরা। 

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্য নুরুন নাহার ওসমানীকে আহ্বায়ক করে গঠিত তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটির সদস্য সচিব কমিশনের উপ-পরিচালক এম রবিউল ইসলামকে এবং সদস্য বাঞ্চিতা চাকমা। 

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের তদন্ত কমিটির সাথে ঘটনার প্রেক্ষিতে গঠিত জেলা প্রশাসনের তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু ইউসুফ, সদস্য সচিব ও সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাহী কর্মকর্তা সামশুল তাবরীজ উপস্থিত ছিলেন। 

স্বণির্ভর বাজারে মানবাধিকার কমিশনের তদন্ত কমিটির কাছে ইউপিডিএফর পক্ষ থেকে চার দফা দাবি উত্থাপন করে লিখিত বক্তব্য প্রদান করা হয়।  চার দফা দাবি সর্ম্পকে পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ খাগড়াছড়ি শাখার সাধারণ সম্পাদক অমল চাকমা বলেন, চার দফা দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রশাসনের গঠিত তদন্ত কমিটির পরিবর্তে বিচার বিভাগীয় তদন্ত, অবিলম্বে হামলাকারীদের সনাক্ত করে গ্রেপ্তারপূর্বক আইনের আওতায় আনা, জননিরাপত্তা ও জানমালেল নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি ও ভুক্তভোগী পরিবারদের ক্ষতিপূরণ প্রদান। 

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক নুরুন নাহার ওসমানী সাংবাদিকদের বলেন, খাগড়াছড়িতে গত ১৮ আগস্ট সংগঠিত হত্যাকান্ডের ঘটনায় কমিশনের গঠিত তদন্ত কমিটি মাঠে কাজ করে কমিশন চেয়ারম্যানকে প্রতিবেদন জমা দিবেন।  এর আগে, তদন্ত কমিটি খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরীর সাথে সাক্ষাত করেন। 

উল্লেখ্য, গত ১৮ আগস্ট খাগড়াছড়ি সদরের স্বণির্ভর বাজারে সন্ত্রাসীদের গুলিতে ৩ ইউপিডিএফ নেতাসহ ৬জন নিহত হয় এবং হামলার সময় দৌঁড়ে পালাতে গিয়ে রাস্তায় পড়ে গিয়ে অপর একজনের মৃত্যুর ঘটনার ঘটে।