৯:৪৩ এএম, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮, রোববার | | ৭ রবিউস সানি ১৪৪০




খাবারে যোগ করুন প্রাকৃতিক রঙ

০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১২:৪৯ এএম | সাদি


এসএনএন২৪.কম :  বিভিন্ন খাবার ও ডেজার্ট আইটেমে হরহামেশাই ব্যবহার করা হয় ফুড কালার।  পোলাও, সবজির আইটেম, পুডিং, কেক, জর্দা, পায়েশ ইত্যাদিতে সচরাচর বাজারের যে কৃত্রিম রঙ ব্যবহার করা হয়, সেগুলো মূলত পেট্রোলিয়াম বেজড।  ফলে এসব ফুড কালার বা খাবারের রঙ মেশানো ডেজার্ট খাওয়ার পর হতে পারে র‌্যাশ ও একজিমাসহ নানা সমস্যা।  সাধারণত খাবারে রঙ মেশানোর পক্ষপাতী নন বিশেষজ্ঞরা, তবে সে রঙ যদি হয় ভেষজ উপাদানে তৈরি, তবে তাতে কোনো ক্ষতি নেই।  রঙিন ভেষজ যেসব উপাদান আপনার রান্নাঘরের ঝুড়ি ও ফ্রিজে রয়েছে, সেগুলো দিয়েই তৈরি করা যায় ফুড কালার। 

বাজারে এখন বিটরুট ও বেদানা পাওয়া যায়।  বিটরুট ও বেদানার রস দিয়ে টুকটুকে লাল রঙ তৈরি করা সম্ভব।  আবার বিটরুট ও চেরির রস দিয়ে তৈরি করা যাবে প্রাকৃতিক গোলাপি রঙ।  জর্দায় যে কমলা রঙ ব্যবহার করা হয়, তা তৈরি করা যাবে কমলালেবু ও গাজর রস করে।  এতে খাবারে যোগ হবে বাড়তি স্বাদ।  ঝালজাতীয় খাবারে এমনিতেই হলুদ বাটা বা গুঁড়া ব্যবহার করা হয়।  পাশাপাশি ঝাল ও মিষ্টি খাবার দুটোতেই হলুদাভ রঙ এনে দেবে জাফরান। 

প্রাকৃতিক উপায়ে সবুজ রঙ তৈরি করা খুবই সহজ।  গ্রিন টি, ধনে পাতার রস, পালংশাকের রস ইত্যাদি সবুজ উপাদান দিয়ে ঘরে বসেই বানিয়ে ফেলা সম্ভব ভিটামিন সি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ ফুড কালার। 

কেক বা পুডিংয়ে বেগুনি রঙ ব্যবহার করতে চাইলে বেগুনি খোসার মিষ্টি আলু, ব্লুবেরি ও কালো আঙুর ব্যবহার করতে পারেন।  তাছাড়া কেক এ চকোলেট রঙ আনতে সাধারণত ব্যবহূত হয় কোকো পাউডার।  ব্যবহার করা যায় কফি, ব্ল্যাক টি, দারুচিনিও। 

যদিও ঘরে তৈরি এসব রঙ খুব বেশি গাঢ় আভা দেয় না, কিন্তু স্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রাকৃতিক এসব ফুড কালারই ভরসাযোগ্য।