২:৩৬ পিএম, ১৯ আগস্ট ২০১৯, সোমবার | | ১৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০




গাজীপুরে হিজবুত তাহ্রীর দুই সক্রিয় সদস্য আটক

১৬ মে ২০১৯, ০২:১৫ পিএম | জাহিদ


মো.রমজান আলী, গাজীপুর : নিষিদ্ধ ঘোষিত সংঘঠন ‘হিজবুত তাহ্রীর বাংলাদেশ’র দুই সক্রিয় সদস্যকে আটক করেছে র‌্যার-১ পোড়াবাড়ি ক্যাম্পের সদস্যরা।  বৃহস্পতিবার সকালে ওই ক্যাম্পের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

আটকরা হলো- সিরাজগঞ্জ সদরের বহুলী এলাকার সুরুজ্জামান শেখর ছেলে মোঃ হামিদ সিরাজী (৩৩) এবং ঢাকার ধানমন্ডি এলাকার মৃত আবু হেনা ফজলে এলাহীর ছেলে মোঃ ওসামা ফজলে এলাহী (২৯)।  হামিদ সিরাজী গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজেন্দ্রপুরের সাটিয়াবাড়ি এলাকায় এবং ওসামা ফজলে এলাহী চট্টগ্রামের বায়েজীদ বোস্তামী থানাধীন কুঞ্জছায়া এলাকার থাকত। 

র‌্যাব জানায়, পোড়াবাড়ী ক্যাম্পের সদস্যরা গত ১৪ মে বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে সরকার কর্তৃ কনিষিদ্ধ ঘোষিত সংঘঠন ‘হিজবুত তাহ্রীর বাংলাদেশ’র বেশ কিছু সংখ্যক সক্রিয় সদস্য সাটিয়াবাড়ি এলাকার দেলুয়ারের বাড়িতে হামিদ সিরাজীর ভাড়াকৃত বাসায় একত্রিত হয়ে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি ও নাশকতা ঘটানোর উদ্দেশ্যে গোপন মিটিং করছে। 

পরে ওই কোম্পানীর কোম্পানী কমান্ডার লেঃ কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল-মামুনের নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল সেখানে অভিযান চালিয়ে হিজবুত তাহ্রীর বাংলাদেশ’র সক্রিয় সদস্য মোঃ হামিদ সিরাজীকে আটক করে।  এ সময় তার রুম তল্লাশি করে উগ্রবাদী কার্যক্রমে উদ্বুদ্ধ করণের ২৩ টি বই, একটি নোটবুক, একটি মোবাইল ফোন, এবং ৩টি শার্ট উদ্ধার করা হয়।  পরে ধৃত আসামীর দেয়া তথ্য এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সহায়তায় ওই আভিযানিক দলটি চট্টগ্রামের কুঞ্জছায়া এলাকার অভিযান চালিয়ে ওসামা ফজলে এলাহীকে আটক করে।   

র‌্যাব আরো জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে ধৃতরা ‘হিজবুত তাহ্রীর বাংলাদেশ’র সক্রিয় সদস্য হিসেবে স্বীকার করে এবং ওসামা ফজলে এলাহী উক্ত সংগঠনের অন্যতম ‘থিংক ট্যাঙ্ক’ ও অর্থদাতা।  আসামীরা জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায়- তারা osama abdullah  নামক ফেইসবুক আইডি ব্যবহার করে ওসামা ফজলে এলাহী যুক্তরাজ্য ভিত্তিক দাওয়াতী সংগঠন IERA এর অনুসরণে Mission dawah Bangladesh নামক ফেইসবুক পেইজ খুলে ওই পেইজের এ্যাডমিন হিসেবে আন্তর্জাতিক উগ্রবাদি মতাদর্শের সমর্থনে বিভিন্ন পোস্ট করে।  ওই পোস্ট লিফলেট আকারে প্রচারের জন্য সে হামিদ সিরাজীকে বিকাশের মাধ্যমে আট হাজার টাকা দেয়। 

ধৃতরা তাদের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালিত করার জন্য ওইসব বইপুস্তক বিলি বন্টন, প্রশিক্ষণ ও তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে একে অপরকে সাহায্য সহায়তা ও প্ররোচিত করাসহ বিভিন্নভাবে উগ্রবাদী কার্যক্রমকে বেগবান ও অর্থায়ন করে আসছিল। 

আটকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানায় র‌্যাব।