২:১৭ পিএম, ১৯ আগস্ট ২০১৯, সোমবার | | ১৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০




গরমে সুস্থ থাকার ১৫ উপায়

২৮ এপ্রিল ২০১৯, ০৮:৩৯ এএম | জাহিদ


এসএনএন২৪.কম : তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন।  নেই বাতাস, নেই বৃষ্টি।  এ গরমে সুস্থ থাকা দায়।  হঠাৎ করেই অসুস্থ হয়ে যেতে পারেন আপনি।  তাই থাকেতে হবে সতর্ক।  আসুন জেনে নিই গরমে কীভাবে সুস্থ থাকবেন-

১. গরমে সুস্থ থাকতে প্রচুর পানি পানের কোনো বিকল্প নেই।  পানি ছাড়াও ডাব, জুস, লাচ্ছি, লেবুপানি, দই প্রভৃতি খেতে পারেন। 

২. সরাসরি রোদে যাওয়া থেকে বা অধিক পরিশ্রম থেকে বিরত থাকুন।  বিশেষ করে সকাল ১১টা থেকে তিনটা পর্যন্ত সরাসরি রোদে যাবেন না।  এই সময়টা দিনের সবচেয়ে বেশি গরম থাকে। 

৩. সূর্যের আলো থেকে চোখ সুরক্ষার জন্য রোদচশমা ব্যবহার করুন।  এ ছাড়া সূর্যের আলোয় সরাসরি যাওয়ার পরিবর্তে মাথায় ছাতা, টুপি, পায়ে জুতা-স্যান্ডেল ব্যবহার করুন।  

৪. উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবারের পরিবর্তে অল্প অল্প খান।  

৫. সুযোগ থাকলে একাধিকবার গোসল করতে পারেন।  বিশেষ করে, ঘুমানোর আগে গোসল করে দিলে শরীরের তাপমাত্রা কম থাকবে।  

৬. হালকা, ঢিলেঢালা ও হালকা রঙের সুতি কাপড় পরবেন।  

৭. ঘর যাতে ঠাণ্ডা থাকে এবং ঘরে যাতে বাতাস প্রবেশ করতে পারে, সে সুযোগ রাখবেন।  

৮. কারও যদি শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা, দুর্বলতা ও মাথা ঝিমঝিম করে, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।  

৯. গরমের দিনে খাবার সামান্য এদিক-ওদিক হলেই পেটব্যথা হয়, পেট কামড়ায়, হজমে গোলমাল দেখা দেয়।  বাইরের খাবার খাওয়ার আগে সচেতন থাকুন।  

১০. গরমে আর ক্লান্তিতে বাইরের খোলা খাবার ও পানীয় গ্রহণের হার বেড়ে যায়।  তার ওপর গরমে সহজেই খাদ্যদ্রব্য দূষিত হয়।  বাড়ে মাছি ও পোকামাকড়ের বিস্তার, যা রোগবালাই ছড়াতে সাহায্য করে।  এসবের ফলে বাড়ে পানি ও খাবারবাহিত রোগের প্রকোপ।  এর মধ্যে একটি বড় সমস্যা হলো জন্ডিস।  জন্ডিস থেকে বাঁচতে, বিশেষ করে রাস্তার খোলা খাবার গ্রহণ থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন। 

১১. গ্রীষ্মের অতিরিক্ত গরমে ঘামাচির সমস্যা বাড়ে।  এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অতিরিক্ত গরমে প্রচুর পানি পান করা উচিত।  প্রতিদিন কমপক্ষে দুবার গোসল করা প্রয়োজন।  প্রতিদিন অন্তত একবার গোসলের সময় সাবান মাখতে হবে।  ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে প্রচুর পরিমাণে। 

১২. গরমের সময়ের একটি মারাত্মক স্বাস্থ্যগত সমস্যার নাম হিটস্ট্রোক।  চিকিৎসাশাস্ত্র অনুযায়ী, প্রচণ্ড গরম আবহাওয়ায় শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে শরীরের তাপমাত্রা ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট ছাড়িয়ে গেলে তাকে হিটস্ট্রোক বলে।  হিটস্ট্রোক এড়াতে যথাসম্ভব ঘরের ভেতরে বা ছায়াযুক্ত স্থানে থাকুন।  

১৩. তাপমাত্রা বৃদ্ধিকারী পানীয়, যেমন: চা ও কফি পান না করাই ভালো।  

১৪.  গরমে প্রচুর সবজি খেতে পারেন।  শসা, টমেটো, ক্যাপসিকাম, লাউ, শাক-পাতা আপনার খাদ্যতালিকায় রাখুন।  

১৫. গরমে ঘামের সঙ্গে শরীর থেকে অতিরিক্ত লবণপানি বেরিয়ে যায়।  তাই শরীরে লবণপানির ঘাটতি মেটাতে খাবার স্যালাইন খাওয়া যেতে পারে।  খাবার স্যালাইন শরীরের পানি স্বল্পতা দূর করে।  মাত্রারিক্ত কোনো জিনিসি ভালো নয়।  তাই