১২:৩৮ এএম, ২৩ নভেম্বর ২০১৭, বৃহস্পতিবার | | ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

South Asian College

চিকিৎসাবিজ্ঞানে বাংলাদেশী আন্দালিবের কৃতীত্ব

২৬ অক্টোবর ২০১৭, ১২:২৩ পিএম | নিশি


এম এনাম হোসেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত : আরব আমিরাতে বেড়ে ওঠা বাংলাদেশী ছেলে মোহাম্মদ আন্দালিব চৌধুরী, এমডি, এমআরসিপি (ইউকে) কে Marquis Who’s Who তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।  সমস্ত Marquis Who’s Who প্রোফাইলগুলি নির্বাচিত হয় বর্তমান রেফারেন্স মানের ভিত্তিতে তাকে এ সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে। 

নির্বাচনের সময় অবস্থান, উল্লেখযোগ্য সাফল্য, দৃশ্যমানতা, এবং ক্ষেত্রবিশেষের মত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিলো বলে জানানো হয়। 

আন্দালিব আরব আমিরাতের বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা প্রকৌশলী আবু জাফরের বড় ছেলে।  তার এ সাফল্যে আরব আমিরাতের বাংলাদেশ কমিউনিটিতে নেমেছে খুশির বন্যা।  কমিউনিটির বিশিষ্টজন  নওশের আলী জানান, আন্দালিব এখানকার প্রজন্মের প্রতীক।  সে নতুনদের প্রেরণার উৎস।  তাকে দেখে আমাদের প্রজন্ম এভাবে আলোকিত হবে। 

২০০৫ সালে আন্দালিব সংযুক্ত আরব আমিরাতের গাল্ফ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি থেকে ব্যাচেলর অফ মেডিসিন এবং ব্যাচেলর অফ সার্জারি উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেছেন।  তিনি ২০১২ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত টলেডো মেডিক্যাল সেন্টারে 'রেসিডেন্সি ইন ইন্টারনাল মেডিসিন' শেষ করেন। 

যদিও বেশিরভাগ চিকিৎসকই ইন্টার্নশিপ এবং ফেলোশিপ দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেন, কিন্তু আন্দালিব এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম।  তিনি আফ্রিকা ও ইউরোপের কার্ডিওলজি সেক্টরে সফল কর্মজীবনের পরই এই ভূমিকা পালন করছেন। 

তিনি আবুধাবীতে আল মাফরাক হাসপাতালে এবং মিশরের কায়রোতে অবস্থিত আইন শামস বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে মেডিকেল অফিসার হিসেবে ছিলেন।  তিনি এই কর্মজীবনের মধ্যেই একটি বছর কার্ডিওলজির সিনিয়র হাউস অফিসার হিসেবে জেমস কুক ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে (মিডেল্সব্রো, ইউ. কে.) কাজ করেন |

আন্দালিব এখনও যুক্তরাজ্যের রয়েল কলেজ অফ ফিজিসিয়ান্স এবং সেইসাথে আমেরিকান সোসাইটি অফ হাইপারটেনশন, আমেরিকান কলেজ অফ কার্ডিওলজি, আমেরিকান সোসাইটি অফ ইকোকারাইডোগ্রাফি এবং হার্ট ফেলিয়ার সোসাইটি অফ আমেরিকা তে রয়েছেন ।  তিনি ইন্টারন্যাশনাল মেডিসিনের আমেরিকান বোর্ড এবং ইকোকার্ডিওগ্রাফার জাতীয় বোর্ড থেকে অনুমোদনপ্রাপ্ত।  বাংলার পাশাপাশি ইংরেজি, হিন্দি ও আরবি ভাষায় কথা বলতে পারেন তিনি । 

১৮৯৯ সালে Marquis Who’s Who-র প্রথম সংস্করণটি মুদ্রিত করা হয় | তখন তাতে রাজনীতি, ব্যবসা, আইন, শিক্ষা, শিল্প, সাহিত্য, ধর্ম এবং বিনোদন ক্ষেত্রের অনেক বিশিষ্ট লোকের জীবনী তুলে ধরা হয়।  এখন পৃথিবীর হাজার হাজার গবেষক, সাংবাদিক, গ্রন্থাগারি এবং নির্বাহী অনুসন্ধান সংস্থাগুলির জন্য অপরিহার্য জীবনী উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে এ সংস্করণ |