৫:১৩ এএম, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, রোববার | | ১২ মুহররম ১৪৪০


চট্টগ্রামে সাংবাদিকের উপর হামলা। আটক ১

১৬ আগস্ট ২০১৮, ০৯:৪১ পিএম | মাসুম


এসএনএন২৪.কম : চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালী থানায় এনায়েত বাজার এলাকার কামাল চেম্বারে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মিন্টু চৌধুরীর ওপর হামলা করেছে সন্ত্রাসীরা। 

বৃহস্পতিবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে হামলার সময় মিন্টু চৌধুরী ও বিডিনিউজের অফিস সহকারী মো. ফারুক আহত হয়েছেন। 

এ ঘটনায় স্থানীয় এক যুবদল নেতার ভাই জাহিদ ওরফে জীবন এবং গাড়িচালক হামিদ হোসেনকে আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে।  ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে হামিদ হোসেনকে আটক করেছে। 

ঘটনার বিষয়ে আহত মিন্টু চৌধুরী জানান, বেলা তিনটার দিকে এনায়েত বাজার কামাল চেম্বারে নিজ কার্যালয়ের নিচে পৌঁছে ভবনের সামনে মোটরসাইকেলটি রাখি।  এসময় আমাদের অফিস সহকারী মো. ফারুকও সেখানে দাঁড়ানো ছিল।  মোটরসাইকেলটি রাখার পরই সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা একটি প্রাইভেটকারের চালক ফারুককে গালি দেয়।  এ বিষয়ে ফারুকের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি চলার সময় জাহিদ ওরফে জীবন লোকজন নিয়ে এসে আমাদের ওপর হামলা চালায়। 

মিন্টু চৌধুরী বলেন, হামলাকারীরা অতর্কিত হামলা করেছে।  তাদের গতিবিধি দেখে মনে হয়েছে উদ্দেশ্যমূলক ও পরিকল্পিতভাবে এ হামলা করা হয়েছে। 

হামলার খবর পেয়ে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হাসান ফেরদৌসের নেতৃত্বে জনা পঞ্চাশেক সাংবাদিক সেখানে উপস্থিত হন।  এরপর হামিদ হোসেনকে আটক করে পুলিশ। 

গাড়িচালক হামিদ হোসেন কক্সবাজার জেলার বাসিন্দা।  তিনি নগরীর দেবপাহাড় এলাকার বাসিন্দা এক ব্যবসায়ীর প্রাইভেট কার চালান। 

হামলাকারী জাহিদ ওরফে জীবন এনায়েত বাজার গোয়ালপাড়া এলাকার বাসিন্দা।  তার বড় ভাই সামসুল আলম নগর যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। 

পরে সন্ধ্যায় কোতোয়ালী থানায় মিন্টু চৌধুরী বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন।  এতে জাহিদ ওরফে জীবন, গাড়িচালক হামিদ হোসেন এবং জীবনের অজ্ঞাতনামা আরও পাঁচ-ছয়জন সঙ্গীকে আসামি করা হয়েছে। 

কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহসীন বলেন, সাংবাদিকের ওপর হামলার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে আমরা ঘটনাস্থলে ছুটে যাই।  অভিযুক্ত জীবনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।  ঘটনাস্থল থেকে প্রাইভেটকারের চালক হামিদ হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।  জীবনের বিরুদ্ধে এলাকায় আগেও একাধিক সন্ত্রাসী ঘটনার অভিযোগ আছে।  অভিযুক্ত সবাইকে গ্রেফতার করা হবে।  কেন এ হামলা তা আমরা তদন্ত করে দেখছি। 


keya