১২:৪৪ পিএম, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭, বৃহস্পতিবার | | ২৯ জ্বিলহজ্জ ১৪৩৮

South Asian College

ট্যানারি মালিকদের সংবাদ সম্মেলন

চামড়া পাচারের আশঙ্কা, সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ

০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ০৬:০৯ পিএম | রাহুল


এসএনএন২৪.কমঃ চলতি বছর চামড়া পাচার বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের চামড়া শিল্পমালিকরা।  এ জন্য সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন তাঁরা। 

আজ সোমবার বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন ট্যানারির মালিকরা। 

বছরে যে পরিমাণ চামড়া সংগ্রহ করেন ট্যানারি মালিকরা, তার বেশির ভাগই আসে কোরবানির ঈদে।  এ বছর কোরবানিতে গরু, মহিষ ও ছাগল মিলিয়ে প্রায় ৮০ লাখ পিস চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ছিল।  তবে চামড়া সংগ্রহ কিছুটা কম হবে জানিয়ে ট্যানারি মালিকরা বলছেন- পূর্বনির্ধারিত দামেই চামড়া কিনবেন তাঁরা। 

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান শাহিন আহমেদ বলেন, ‘আমাদের যে বেঁধে দেওয়া দাম সেই দামের ভেতরেই আমরা অবশ্যই চামড়া সংগ্রহ করব।  এখানে কোনো আপনার হেরফের হবে না।  ২০টা জেলাতে আপনার বন্যা পরিস্থিতির কারণে কিন্তু আমাদের প্রতিবছর যে গ্র্যাজুয়ালি (ক্রমশ) টেন পারসেন্ট চামড়া আমরা বেশি পাই সেটা কিন্তু আমরা এ বছর পাব না। ’

ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন জানায়, সাভারে চালু হওয়া ট্যানারিগুলোর পাশাপাশি সরকারের অনুমতি নিয়ে হাজারীবাগেও কিছু চামড়া সংরক্ষণ করা হয়েছে।  তবে প্রতি বছর কোরবানির ঈদের চামড়ার ২০ শতাংশই ভারতে পাচার হয়ে যায় উল্লেখ করে পাচাররোধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান ট্যানারি মালিকরা। 

এ প্রসঙ্গে শাহিন আহমেদ আরো বলেন, ‘প্রায় টোয়েন্টি পারসেন্ট চামড়া যেহেতু সীমান্ত দিয়ে পাচার হয়ে যায়, আমরা বর্ডার গার্ডসহ যাঁরা আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আছেন, তাঁরা যাতে আপনার চামড়া পাচাররোধের ব্যাপারে অন্ততপক্ষে এক মাস আপনার নজরদারি জোরদার করেন। ’

পরবর্তী সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংরক্ষিত চামড়াগুলো কিনতে, প্রয়োজনীয় ব্যাংকঋণ দেওয়ার দাবি জানায় ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন।