৯:৫০ এএম, ১৮ নভেম্বর ২০১৮, রোববার | | ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪০




চোরাই মোটরসাইকেল জব্দ করায় প্রভাষকের উপর হামলা

১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১১:৪৪ এএম | জাহিদ


সাকলাইন শুভ, বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি: নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের গড়মাটি বাজারে শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় মজনু সরকারের ছেলে সাদ্দাম সরকার এর নিকট থেকে রেজিস্ট্রেশন ও শোরুমের কাগজ বিহীন একটি Hero Honda-100cc মোটরসাইকেল বড়াইগ্রাম থানার এসঅাই মামুন হোসেন অাটক করে।  গাড়ী অাটক করার পর গাড়ীর কাগজ দেখতে চাইলে সাদ্দাম সরকার গাড়ীর কোন কাগজ নাই বলে নিশ্চিত করেন।  পরে গাড়ীটি জব্দ করে থানায় নিয়ে যায় এসঅাই মামুন হোসেন। 

এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার রাতে মাহফুজুর রহমান ও সাদ্দাম সরকার সহ কয়েকজন চিহ্নিত দুর্বৃত্তরা গোপালপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান মিনহাজ্ব এর বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়।  হামলায় যুবলীগ নেতা মিজানুর রহমান মিনহাজ্ব এর বড়ভাই রাজাপুর ডিগ্রী অনার্স কলেজের প্রভাষক মোঃ হাবিবুর রহমানের মাথায় গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে দুর্বৃত্তরা এবং বাজারের কয়েকটি দোকানপাট ভাংচুর করে পালিয়ে যায়।  ঘটনাটি দ্রুত বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অসি শাহরিয়ার খানকে জানালে তিনি তাৎক্ষনিক এস.অাই অামিরুল কে বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেন।  মধ্যরাতেই এসঅাই অামিরুল সরজমিনে তদন্ত করেন এবং ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করেন। 

পরে রাতে রাজাপুর ডিগ্রী অনার্স কলেজের প্রভাষক মোঃ হাবিবুর রহমানের মাথায় গুরুতর রক্তাক্ত জখম অবস্থায় বড়াইগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।  বর্তমানে বড়াইগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। 

চুরাই গাড়ীটি ছারানোর জন্য উপজেলা ছাত্রলীগের শীর্ষস্থানের একজন নেতা অসংখ্যবার অসি শাহরিয়ার খান ও এসঅাই মামুন হোসেন কে তদবির করেন, কিন্তু অসি গাড়ীটি ছারেন নাই। 

মারামারির ঘটনায় যেনো কোন মামলা না নেয়া হয় সেজন্য উপজেলা অাওয়ামী লীগের একজন শীর্ষস্থানীয় পর্যায়ের নেতা অসিকে বারবার সুপারিশ করেছেন বলে জানা গেছে। 

পরে রবিবার বড়াইগ্রাম থানায় মিজানুর রহমান মিনহাজ্ব বাদী হয়ে একটি মারামারি মামলা দায়ের করেছেন এবং সংবাদ লেখা পর্যন্ত চুরাই গাড়ীর মামলাটি পক্রিয়াধীন রয়েছে বলে বড়াইগ্রাম থানার এসঅাই মামুন নিশ্চিত করেছেন।