৭:৪৬ এএম, ১৯ জুলাই ২০১৯, শুক্রবার | | ১৬ জ্বিলকদ ১৪৪০




চরখালী ফেরিতে স্থায়ী কোনো ড্রাইভার নেই গ্রীজারদের দিয়ে ফেরি চালানো হচ্ছে

১৫ মে ২০১৯, ০৫:০৩ পিএম | জাহিদ


মো.দেলোয়ার হোসাইন, পিরোজপুর : পিরোজপুরের কচা নদীর চরখালী ফেরি চালানোর জন্য স্থায়ী কোন ড্রাইভার নেই।  গ্রীজার দ্বারা  দুটি ফেরি চালাতে হচ্ছে।  দীর্ঘ প্রায় তিন যুগেও এ ঘাটের ফেরি চলাচলের জন্য প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ড্রাইভার নিয়োগ সম্ভব হয়নি। 

বিষয়টি স্বীকার করে সড়ক ও জনপথ বিভাগের পিরোজপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদ মাহমুদ গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, চরখালী ফেরি চালানোর জন্য স্থায়ী কোন ড্রাইভার নেই।  প্রেষণে অন্য ঘাট থেকে ড্রাইভার এনে চালানো হয়।  তবে এ ঘাটের সিনিয়র গ্রাজার (বর্তমানে চালক) আব্দুর রবের সাথে কথা হলে তিনি জানান আসলে এ ঘাটের ফেরি যারা আমরা চালাই সবাই গ্রীজার। 

বুধবার বেকুটিয়া ফেরি থেকে কর্তৃপক্ষ যাকে প্রেষণে এনে ছিলেন তিনিও ড্রাইভার নন গ্রীজার।  তিনি আরো জানান এরশাদ সরকারের সময়ের ফেরি এখন জোড়া তালি দিয়ে কোন প্রকার চালানো হচ্ছে।  জানা গেছে মঙ্গলবার ফেরি চালক আব্দুর রব অসুস্থতার জন্য খুলনা চিকিৎসার জন্য গেলে চালক আব্দুর রশিদ ফেরি চালানো অবস্থায় অসুস্থ হয়ে পড়েন।  তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে ছয় (৬) ঘন্টা ফেরি চলা চল বন্ধ থাকে।  ঘাটে সৃষ্টি হয় যান জটের।  তিব্র গরমে দুই পারের যাত্রীগণ দুরবস্থার মধ্যে পড়েন।  এর মধ্যে মঠবাড়িয়া থেকে ইউসুফ মল্লিক (৪০) নামের এক রোগীকে অ্যাম্বুলেন্সে করে পি

রোজপুর যাওয়ার জন্য ফেরিঘাটে তিন ঘন্টা অপেক্ষা শেষে এক পর্যায় ফেরিতে উঠতে পারলেও দুর্ভাগ্যজনক পথেই তার মৃত্যু হয়।  দীর্ঘ দিনের লক্কর জক্কর মার্কা ফেরি মাঝ নদীতে প্রাই অর্ধ ডুবু হয়।  তখন সেচ মেশিন চালিয়ে পানি সেচ করে ফেরি সচল করা হয়।  এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সিনিয়র গ্রীজার আব্দুর রব ফেরিটি চালাচ্ছিলেন।  ১৯৮৮ সালে কচা নদীর চরখালী ফেরি চালু হওয়ার পর থেকে জোড়া তালি দিয়ে ফেরি অদ্যবদি চালু রাখা হলেও নতুন কোন ফেরি এ ঘাটে আসেনি বলে এলাকা বাসি জানিয়েছেন।