৫:২৭ এএম, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৭, সোমবার | | ২৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

South Asian College

জাটকা ধরার ফলেই ভোলার মেঘনা তেঁতুলিয়ায় ইলিশের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে

০৪ ডিসেম্বর ২০১৭, ০৭:১০ পিএম | নিশি


মোঃআমজাদ হোসেন,ভোলা প্রতিনিধিঃ জলবায়ু পরিবর্তনসহ নদীতে চর পড়াসহ প্রভাবশালীদের অবৈধ জাল দিয়ে অবাদে জাটকা ইলিশ ধরার ফলে ভোলার মেঘনা তেঁতুলিয়া নদীতে ইলিশের উৎপাদন ব্যহত হচ্ছে।  একই সাথে জেলেদের সঠিক ভাবে নিবন্ধন না হওয়ায় পুনবাসনে চাল থেকে প্রকৃত জেলেরা বিতাড়িত হচ্ছে বলে মৎস্যজীবীরা অভিযোগ করেন। 

সোমবার দুপুরে ভোলায় ইলিশ সংরক্ষন ও তৎসম্বন্বিত মানুষের জীবন জীবিকা বিষয়ক আলোচনা সভা ও ইলিশ নিয়ে যাদের জীবিকা তাদের গল্প নামক তথ্যচিত্রের মস্থ অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন। 

ভোলা সদর রোডে একটি হোটেলে ইন্টার ন্যাশনাল ওয়াটার অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

ইন্টার ন্যাশনাল ওয়াটার অ্যাসোসিয়েশনের প্রোগ্রাম ম্যানেজার বুশরা নিশাতের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, ভোলা সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো:আসাদুজ্জামান, মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন,মজিবুর রহমান, কমিউনিষ্ট পাটির সভাপতি মোবাশ্বির উল্লাহ চৌধুরী, ভোলা জেলা মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি নুরুল ইসলাম,সাধারন সম্পাদক আবুলর কাশেম, শিক্ষক তোফায়েল মাষ্টার,এ্যাডভোকেট তোয়াহা,ফরিদ মাঝি,জেলে নুন নবী প্রমুখ। 

এ সময় ভোলা জেলা মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি নুরুল ইসলাম বলেন, গত বিএনপির আমলে দেশে ২ লাখ ৩০ হাজার টন ইলিশ উৎপাদন হতো।  আর এখন ৫ লাখ টন উৎপাদন হচ্ছে।  ইলিশের উৎপাদন বাড়লেও প্রভাবশালীদের অবৈধ জালের কারনে ইলিশ উৎপাদনে ক্ষতি হচ্ছে। 

ভোলায় যাদের অবৈধ জাল রয়েছে তাদের দ্রুত তালিক করে প্রকাশ করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।  ভোলা সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো:আসাদুজ্জামান বলেন, ভোলার মেঘনা থেকে আগামী ১৫ জানুয়ারীর মধ্যে খুটা জাল মুক্ত করা হবে। এছাড়াও তিনি দাদনদারদের কাছ থেকে নিজেদের মুক্ত হতে নিজেদেরই উদ্দ্যোগ গ্রহন করার জন্য জেলেদের প্রতি আহবান জানান।