৭:০৬ এএম, ২০ আগস্ট ২০১৮, সোমবার | | ৮ জ্বিলহজ্জ ১৪৩৯


জয়ের হাতছোঁয়া দূরত্ব থেকে ছিটকে গেলো টাইগাররা

২৬ জুলাই ২০১৮, ১০:৫২ এএম | জাহিদ


এসএনএন২৪.কম : টাইগারদের ব্যাটিংয়ের শুরু থেকে শেষ ওভারের আগ পর্যন্ত কেউ কি আঁচ করতে পেরেছিলো ম্যাচটির ফিনিশিং এমন হবে? উত্তরটা যে ‘না’ হবে তা কিন্তু বলাই যায়। 

কেননা ম্যাচের শুরু থেকে ৪৯ ওভার পর্যন্ত বাংলাদেশ যেভাবে দাপুটে ব্যাটিং করেছে তাতে করে কারো কল্পনাও করার কথা নয় যে টাইগাররা এ ম্যাচটি হেরে যাবে।  বিস্ময়কর মনে হলেও বাস্তবতা হলো ম্যাচটি ৩ রানে হেরেছে টাইগাররা। 


শেষ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ৮ রান।  হাতে ছিল পাঁচ উইকেটে।  কিন্তু সেই ম্যাচটি হেরে বসলো বাংলাদেশ।  নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৬ উইকেটে ২৬৮ রান করে মাশরাফি বাহিনী।  এ পরাজয়ে সিরিজ জয়ের হাতছোঁয়া দূরত্ব থেকে ছিটকে গেলে টাইগাররা। 

এদিন গায়ানার প্রোভিডেন্স স্টেডিয়ামে টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শিমরন হেটমায়ারের ১২৫ রানে ভর করে ২৭১ রান সংগ্রহ করে ক্যারিবীয়রা। 

বল হাতে রুবেল হোসেন ৩টি, মোস্তাফিজ ও সাকিব আল হাসান ২টি করে উইকেট নেন।   এছাড়া মাশরাফি ও মিরাজ ১টি করে উইকেট নেন। 

জবাবে ব্যাট করতে নেমে তামিম ও বিজয়ের জুটি দুর্দান্ত এক সূচনা এনে দেয়।  তামিম কিছুটা ঠাণ্ডা মেজাজে খেললেও শুরু থেকেই মারমুখি ছিলেন এনামুল হক বিজয়।  কিন্তু ইনিংসটি বেশি দূর এগিয়ে নিতে পারেননি তিনি।  দলীয় ৩৬ রানের মাথায় ম্যাচের ৩য় ওভারে আলজারি জোসেফের বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরে যান।  আউট হওয়ার আগে মাত্র ৯ বলে ২৩ রান করেন তিনি। 

এরপর ব্যাট করতে আসেন সাকিব আল হাসান।  সাকিব-তামিম জুটি থেকে আসে ৯৭ রান।  তাদের জুটিটি ভাঙেন বিশু।  তামিম আউট হন ব্যক্তিগত ৫৪ রানে। 

সাকিবকে সঙ্গ দিতে ক্রিজে আসেন মুশফিকুর রহিম।  তবে তাদের জুটিটি বেশি দূর এগুতে পারেনি।  এ জুটি থেকে মাত্র ১৬ রান আসে।  তামিম যখন আউট হন তখন দলীয় রান ছিলো ১২৯।  আর সাকিব আউট হন দলীয় ১৪৫ রানে।  ব্যক্তিগত ৫৬ রানে সাজঘরে ফিরে যান সাকিব। 

সাকিব-মুশফিক জুটি বেশিক্ষণ স্থায়ী না হলেও মাহমুদউল্লাহ-মুশফিক জুটি বেশ ভালোই লড়ে যাচ্ছে।  তাদের এই জুটিতে ২০০ রানের গণ্ডি পার করে বাংলাদেশ।  এরপর হঠাতই ছন্দপতন।  দলীয় ২৩২ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ৩৯ রানে মুশফিকের সাথে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হয়ে যান তিনি।  ক্রিজে মুশফিকের সঙ্গী হন সাব্বির রহমান। 

তবে তিনি বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে পারেননি।  ব্যক্তিগত ১২ রানে ফিরে যান তিনি।  এরপর সাব্বিরের পথ ধরেন মুশফিক।  ব্যক্তিগত ৬৮ রানে আউট হয়ে যান তিনি।  আর এই আউটের মধ্য দিয়েই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় বাংলাদেশ। 

তখন জয়ের জন্য দরকার মাত্র ৮ রান।  মোসাদ্দেক হোসেনকে সঙ্গ দিতে ক্রিজে আসেন মাশরাফি।  কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি নির্ধারিত ৫০ ওভারে ২৬৮ রান তোলে বাংলাদেশ।  স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩ রানে ম্যাচটি জিতে নেয়।  এ জয়ের ফলে সিরিজে (১-১) সমতায় ফিরলো ক্যারিবীয়রা।