৮:১৮ এএম, ১৯ জুলাই ২০১৯, শুক্রবার | | ১৬ জ্বিলকদ ১৪৪০




ঝালকাঠির আদালতে দশ লাখ টাকার মানহানী মামলা

১৫ মে ২০১৯, ০৪:৫৭ পিএম | জাহিদ


মো.রাজু খান, ঝালকাঠি : দৈনিক আমাদের বরিশাল পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক এস.এম রফিকুল ইসলাম এবং একই পত্রিকার ঝালকাঠি প্রতিনিধি বশির আহমেদ খলিফার নামে ঝালকাঠির আদালতে একটি মানহানী মামলা হয়েছে। 

ঝালকাঠি শহরের পূর্বচাদকাঠি এলাকার বাসিন্দা মো. মনির হোসেন ওরফে ব্লগার মনির হোসেন বাদী হয়ে গতকাল বুধবার ঝালকাঠির সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দশ লাখ টাকার মানহানীর অভিযোগে দন্ড বিধির ৫০০/৫০১/৫০২/৫০৫ (ক) ও ৩৪ ধারায় এ মামলা দায়ের করেন।  আদালতের বিচারক বেগম রুবাইয়া আমেনা মামলাটি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।  মনির হোসেনের পক্ষে আদালতে মামলা পরিচালনা করেন এ্যাড. শামীম আলম, এ্যাড. আক্কাস সিকদার ও এ্যাড. মানিক আচার্য্য। 

মামলায় মনির হোসেন দাবী করেন এস.এম রফিকুল ইসলাম এবং বশির খলিফা পরস্পর যোগসাজসে মনির হোসেনের সামাজিক মান মর্যাদা ক্ষুন্ন ও মানহানী করার জন্য ১নং আসামী তাহার সম্পাদিত দৈনিক আমাদের বরিশাল পত্রিকার প্রথম পাতায় মনির হোসেনের ছবিসহ গত ১৬/০৪/২০১৯ ইং তারিখ ৩য় বর্ষ  ‘‘অবশেষে ফেসবুক লেখক মনিরের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তার আইনে মামলা’’ শীর্ষক একটি সংবাদ প্রকাশ করে।  উক্ত মিথ্যা এবং মানহানীকর সংবাদে উল্লেখ করা হয় ‘‘ নাম তার মনির, অনেক কোরিয়া মনির আবার কেউ পাগল মনির হিসেবে চেনেন। 

শহরের পুর্ব চাঁদকাঠি এরাকার জেলেপাড়া খাল পাড়ের কদম আলী লাহাড়ীর দ্বিতীয় সংসারের পুত্র।  কিছু দিন কোরিয়া ছিল।  ফেসবুক সন্ত্রাসের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ সেখান থেকে জেল খেটে খালি হাতে বাড়ি ফিরতে হয়েছে তাকে।  খালি হাতে বাড়ি ফিরে মনির প্রায়ই কলেজ খেয়াঘাট নদীর পাড়ে নেশাগ্রস্থ অবস্থায় পড়ে থাকত।  এরপর শুরু করে বিনা চালানের ফেসবুক প্রতারণা ব্যবসার প্রক্রিয়া।  

রফিকুল ইসলাম ও বশির খলিফা পরস্পর যোগসাজসে প্রকাশিত সংবাদে সম্পূর্ন অযাচিতভাবে বাদীকে পাগল মনির, কদম আলী লাহাড়ীর দ্বিতীয সংসারের পুত্র, ফেসবুক প্রতারক, ফেসবুক সন্ত্রাসী, বাদীর শশুরকে লাল ওরফে ঝোলা কারিকর, বাদীকে নেশাগ্রস্থ, জেল খাটা আসামী ইত্যাদি শব্দ লিখে ও মুদ্রন করে জনসমক্ষে প্রকাশ ও বাজারে বিক্রি করে মনির হোসেনের দশ লক্ষ টাকার মানহানী করেছে।  আসামীরা বাদী সম্পর্কে জানিয়া বুঝিয়া উক্তরুপ মানহানীকর, অশ্লীল, সুনাম নস্টকারী, শব্দ মুদ্রন ও খোদাই করে প্রকাশ এবং জন সাধারণের মধ্যে বিক্রি করিয়া বাংলাদেশ দন্ড বিধির ৫০০/৫০০১/৫০৫(ক) ও ৩৪ ধারার অপরাধ করিয়াছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।