৬:২৫ এএম, ১০ ডিসেম্বর ২০১৮, সোমবার | | ১ রবিউস সানি ১৪৪০




২নং ওয়ার্ডে নাগরিকদের বিশাল সমাবেশে-মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন

টোকেন ট্যাক্স ১০২ টাকা থেকে কমিয়ে ৫১ টাকায় নির্ধারণ করেছি

০৪ নভেম্বর ২০১৭, ০৯:৩৮ পিএম | ফখরুল


এসএনএন২৪.কম : চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত পঞ্চবার্ষিকী পৌরকর মূল্যায়নকে কেন্দ্র করে নিন্দুকদের একটি অংশ অপরাজনীতিতে জড়িয়ে নগরবাসীকে বিভ্রান্ত করার অপপ্রয়াসে লিপ্ত হয়েছে।  আপিল রিভিউ বোর্ডের বিবেচনায় তাদের অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি থেকে সম্মানিত হোল্ডারগণ ধীরে ধীরে মুক্তি পেয়ে স্বস্থিতে আপিল বোর্ড থেকে ঘরে ফিরতে শুরু করেছে।  মেয়র বলেন, অতীতের টোকেন ট্যাক্স সর্বনিম্ন ১০২ টাকা ছিল। 

আমি তাদের এই টোকেন ট্যাক্স কমিয়ে ৫১ টাকায় নির্ধারণ করেছি।  এই ৫১ টাকা পরিশোধে কোন হোল্ডার অপরাগ মনে করলে আমি তাদের হয়ে প্রতি বছর নিজ তহবিল থেকে টোকেন ট্যাক্স সিটি কর্পোরেশনকে পরিশোধ করে দেব।  আপিল রিভিউ বোর্ডের বিবেচনায় বিধবা, গরীব, নিঃস্ব, অসচ্ছল মানুষদের সর্বোচ্চ ছাড় দেওয়া হচ্ছে। 

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন অন্যায় ভাবে গরীবের উপর ট্যাক্স ধার্য্য করে কোন ধরনের জুলুম করার ইচ্ছা পোষন করেনা।  তবে সচ্ছল ও বিত্তবানদের পৌরকর নিয়মিত পরিশোধ করে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার জন্য আহবান জানান মেয়র। 

তিনি বলেন, আমি বিবেক দ্বারা পরিচালিত হই।  জীবনে উত্থান-পতন দেখেছি, জুলুম-নির্যাতন ও অপবাদ অনেক সহ্য করেছি।  অন্যায়ের কাছে মাথানত করার শিক্ষা-দীক্ষা নিতে পারিনি।  যা সত্য, যা বাস্তব তাই বিশ্বাস করি এবং সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করি।  নগরবাসীর গুরুদায়িত্ব কাধে নিয়েছে তাদের প্রাপ্য সেবা শতভাগ দেয়ার জন্য।  তবে আইন ও বিধি-বিধানের বিপরীতে অন্যায় ও অবিচার করার কোন অভিপ্রায় আমার নেই।  তিনি সেবার স্বার্থে সকলকে নিয়মিত পৌরকর আদায় করা এবং এসেসমেন্টের কারণে কোন আপত্তি থাকলে ১১ নভেম্বর ২০১৭ এর মধ্যে আপিল করার আহবান জানান। 

শনিবার বিকেলে নগরীর কুলগাঁও স্কুল ময়দানে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ২নং জালালাবাদ ওয়ার্ড কাউন্সিলর আয়োজিত বিশাল সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির ভাষনে মেয়র এ আহবান জানান।  পঞ্চবার্ষিকী পৌরকর পুনঃমূল্যায়ন সংক্রান্ত বিষয়ে নাগরিকদের অবহিত করার লক্ষে আয়োজিত বিশাল এ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাহেদ ইকবাল বাবু। 

সমাবেশে এলাকাবাসীদের পক্ষে আলহাজ্ব মো. ইব্রাহিম, হাজী আবদুল মালেক, আলহাজ্ব মো. ইয়াকুব, শফিকুল আলম, মো. আমিনুল হক খান, আবু সৈয়দ আজম, হারুন উর রশিদ, বাহার উদ্দিনসহ সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ তাদের মতামত তলে ধরেন।  পরে একটি র‌্যালী রাজপথ পদক্ষিন করে।