২:১০ পিএম, ১৮ জানুয়ারী ২০১৮, বৃহস্পতিবার | | ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৯

South Asian College

ডিআইজি মিজানকে ডিএমপি থেকে প্রত্যাহার

০৯ জানুয়ারী ২০১৮, ০৩:৩৭ পিএম | সাদি


এসএনএন২৪.কম : ডিআইজি মিজানকে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার পদ থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।  মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। 

‘এক নারীকে জোর করে তুলে নিয়ে বিয়ে করার’ অভিযোগে আলোচিত এ পুলিশ কর্মকর্তার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল হুঁশিয়রি দিয়ে বলেছেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অবস্) মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের অভ্যন্তরীণ তদন্ত চলাবস্থায় এমন সিদ্ধান্ত নিলো  পুলিশ সদর দপ্তর। 

এর আগে, সোমবার (৮ জানুয়ারী) বিকেলে রাজধানীর নাখালপাড়া হোসেন আলী স্কুলে প্রধান অতিথি হিসেবে শীতবস্ত্র বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে একথা জানান তিনি।  ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে আইজিপি’র নেতৃত্বে শিগগিরই তদন্ত কমিটি গঠিত হবে।  অপরাধ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, যত বড় কর্মকর্তাই হোন না কেন, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়।  তিনি যদি এমন গর্হিত কাজ করেন তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

সোমবার ‘পুলিশ সপ্তাহ-২০১৮’ শুরুর আগেই আলোচনায় আসেন ডিআইজি মিজান।  তার বিরুদ্ধে তুলে নিয়ে বিয়ে করে প্রতারণার অভিযোগ এনেছেন এক নারী।  যদিও মিজান ওই নারীকে প্রতারক বলে দাবি করেছেন। 

মিজানের স্ত্রী পরিচয় দেয়া নারী একটি জাতীয় দৈনিককে জানান, পান্থপথের স্কয়ার হাসপাতালের কাছে তার বাসা।  সেখান থেকে কৌশলে গত বছরের জুলাই মাসে তাকে তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা মিজান।  পরে বেইলি রোডের মিজানের বাসায় নিয়ে তিনদিন আটকে রাখা হয়েছিল তাকে।  আটকে রাখার পর বগুড়া থেকে তার মা’কে ১৭ জুলাই ডেকে আনা হয় এবং ৫০ লাখ টাকা কাবিননামায় মিজানকে বিয়ে করতে বাধ্য করা হয়।  পরে লালমাটিয়ার একটি ভাড়া বাড়িতে তাকে স্ত্রীর মর্যাদা দিয়ে রাখেন ইতোপূর্বে বিবাহিত মিজান। 

তিনি আরও অভিযোগ করেন, কয়েক মাস কোনো সমস্যা না হলেও ফেসবুকে স্ত্রী পরিচয় দিয়ে একটি ছবি তোলার পর ক্ষেপে যান মিজান।  বাড়ি ভাঙচুরের একটি ‘মিথ্যা মামলা’য় তাকে গত ১২ ডিসেম্বর কারাগারে পাঠানো হয়।  সেই মামলায় জামিন পাওয়ার পর মিথ্যা কাবিননামা তৈরির অভিযোগে আরেকটি মামলায় তাকে আটক দেখানো হয়। 

দুটি মামলায় জামিনে বেরিয়ে আসার পর পুলিশ কর্মকর্তা মিজানের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তোলেন ওই নারী। 

Abu-Dhabi


21-February

keya