১১:৪১ এএম, ২৫ নভেম্বর ২০১৭, শনিবার | | ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

South Asian College

ডাটা সংরক্ষণে ক্লাউড স্টোরেজকে হার মানাবে ম্যাগনেটিক টেপ

১৩ আগস্ট ২০১৭, ১০:৩১ এএম | ফখরুল


এসএনএন২৪.কমঃ ভার্চুয়াল স্টোরেজ মানেই এখন ক্লাউড স্টোরেজ।  ডাটা স্টোর করার এর থেকে আদর্শ জায়গা আর কী হতে পারে? তবে ডাটা সংরক্ষণের আরও একটি বিকল্প পথ দেখাচ্ছে আইবিএম-র গবেষকরা।  স্টোরেজের মাধ্যম শুনলে কিন্তু অবাক হতেই হবেন!

সিডি (কমপ্যাক্ট ডিস্ক), পেন ড্রাইভ আসার আগে এক সময় ক্যাসেট ও ভিসিডির বাজার ছিল আকাশছোঁয়া।  অডিও-ভিডিও জগতে প্রযুক্তির আমূল পরিবর্তন এসে যাওয়ায় এ সব ক্যাসেটের বাজার প্রায় উঠে গিয়েছে।  ক্যাসেট বা ভিসিডির ভিতর গোল করে পাকানো সেই রিল এখন নস্ট্যালজিয়া।  তবে, জানেন কী, ক্যাসেটে থাকা ওই ম্যাগনেটিক টেপই ভবিষ্যতে ফের বাজার দখল করতে পারে। 

আইবিএম-র একটি গবেষক দল জানাচ্ছে, সোনির নতুন প্রোটোটাইপ ম্যাগনেটিক টেপের মাত্র এক বর্গ ইঞ্চি জায়গায় ২০১ গিগাবাইট ডাটা সংরক্ষণ করা গিয়েছে।  যা এখনও পর্যন্ত রেকর্ড।  এই ম্যাগনেটিক টেপ আরও উন্নত প্রযুক্তিতে তৈরি করা হয়েছে।  একাধিক বেরিয়াম ফেরাইটের পাতলা স্তরে তৈরি এই ম্যাগনেটিক টেপ। 

আইবিএমের এই গবেষণা ম্যাগনেটিক টেপের বিশেষত্বকে আরও এক ধাপ উপরে তুলল।  ২০১৫-তে প্রতি বর্গ ইঞ্চিতে ১২৩ জিবি ডাটা সংরক্ষণ করতে পারত ম্যাগনেটিক টেপ।  আইবিএম-র তরফে জানানো হয়েছে, ম্যাগনেটিক টেপের একটি কার্টিজে মোট ৩৩০ টেগা বাইট ডাটা সংরক্ষণ করার ক্ষমতা রাখে।  ওই কার্টিজটির সাইজ অনুযায়ী, হাতের মুঠোর মধ্যে ৩০ কোটি বই ধরে রাখতে পারবেন আপনি। 

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিস্কের তুলনায় ম্যাগনেটিক টেপের উত্পাদন খরচ অনেক কম।  এবং অনেক বেশি স্থায়িত্ব রয়েছে ওই টেপের।  তবে, গুগল, অ্যামাজনের মতো ক্লাউড সংস্থাগুলোর দাবি, ম্যাগনেটিক টেপের তুলনায় দ্রুত এবং সহজে সংরক্ষণ করা যায় তাদের স্টোরেজে।  তবে তারা আইবিএম-র এই গবেষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন। 

Abu-Dhabi


21-February

keya