১২:৪০ এএম, ২৩ নভেম্বর ২০১৭, বৃহস্পতিবার | | ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

South Asian College

ঢাকার ঘূর্ণিতে ১০১-তেই কাবু সিলেট

১১ নভেম্বর ২০১৭, ০৯:৩২ পিএম | সাদি


এসএনএন২৪.কম : এবারের বিপিএলের প্রথম পর্বে টানা ৩টি ম্যাচে জয়লাভ করে দারুণ উজ্জীবিত সিলেট তাদের শেষ ম্যাচে হেরে যায়।  সেই হারের তিক্ততা নিয়েই বিপিএলের ঢাকা পর্বে ঢাকা ডায়নামাইটসের বিরুদ্ধে মাঠে নামে সিলেট।  কিন্তু ঢাকার বোলারদের তোপের মুখে পড়ে ১০১ রানেই গুটিয়ে যায় তাদের ইনিংস। 

টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ঢাকা ডায়নামাইটসের বোলারদের বোলিং তোপের মুখে পড়ে সিলেট সিক্সার্স।  ঢাকার বোলারদের তাণ্ডবের মুখে পড়ে একে একে টপঅর্ডার ব্যাটসম্যানরা সবাই সাজঘরে ফিরে যান। 

ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই উইকেট হারানোর মহড়ায় নামে সিলেট।  তাদের ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামানোর জন্য বড় অবদান রাখে ঢাকার বোলার সুনিল নারিন ও পাকিস্তান থেকে উড়ে আসা পাক বোলার শহিদ আফ্রিদি।  তাদের ঘূর্ণিতেই মূলত সিলেট কাবু হয়ে যায়।  সুনিল নারিন ৪ ওভার বল করে মাত্র ১০ রান দিয়ে ৩টি মূল্যবান উইকেট নিজের করে নেন। 

আফ্রিদির বোলিং ছিল আরও বিধ্বংসী।  তিনি মাত্র ১২ রান দিয়ে ৪টি উইকেট তুলে নেন।  এছাড়া ঢাকার আরেক বোলার আবু হায়দার রনিও ২টি উইকেট দখল করেন।  তবে তিনি অবশ্য রান একটু বেশি খরচ করেছেন।  ৪ ওভারে তিনি ২৩ রান দিয়েছেন। 

বিপিএলের সিলেট পর্বে বেশ কয়েকটি ম্যাচে ভালো রান করে দারুণ ছন্দে থাকা উপুল থারাঙ্গা মাত্র এক রান করেই আবু হায়দার রনির শিকার হন।  তার জায়গায় আসেন সাব্বির রহমান।  তিনিও এক রান করেই প্যাভিলিয়নের দিকে পা বাড়ান।  তার উইকেটটি তুলে নেন সুনিল নারিন। 

এর পরই সিলেট অধিনায়ক নাসির হোসেন ব্যাট হাতে ঢাকার বোলারদের মোকাবেলা করতে মাঠে নামেন।  কিন্তু তিনিও ফিরে পাকিস্তান থেকে উড়ে আসা শহিদ আফ্রিদির শিকার হয়ে। 

নাসির ফিরে যাওয়ার আগে স্কোরবোর্ডে জমা করে যান ব্যক্তিগত ১০টি রান।  খরচ করেন ১৪ বল।  তাতে একটি চারের মার ছিল। 

এর পরই আবার আবু হায়দার রনির আঘাত।  গুণাথিলাকাকে ১৫ রানের মাথায় প্যাভিলিয়নে পাঠিয়ে দেন।  গুণাথিলাকা ১৫ রানের মধ্যে ৩টি চার উপহার দেন। 

নাসির আউট হওয়ার পর মাঠে নামেন রস হোয়াইলি।  তিনিও মাত্র ৬ রান করে বিশ্রামাগারে চলে যান।  তিনি সুনিল নারিনের শিকার হন। 

শেষে আবুল হাসান ও তাইজুল ইসলাম কিছুটা প্রতিরোধের চেষ্টা করেন।  তাদের ব্যাটেই ভর করে ২০ ওভার শেষে ১০১ রানে থামে সিলেটের ইনিংস।  আবুল হাসান সর্বোচ্চ ৩০* ও তাইজুল ১৬* রানে অপরাজিত থাকেন।