৬:০৫ এএম, ২০ অক্টোবর ২০১৮, শনিবার | | ৯ সফর ১৪৪০


ঢাবি শিক্ষককে প্রাণনাশের হুমকি

২১ জুলাই ২০১৮, ০৩:০৯ পিএম | মাসুম


বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল হলে আজ শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর দর্শকনন্দিত প্রযোজনা ‘হাফ আখড়াই’ নাটকের মঞ্চায়ন হবে।  আজ নাটকটির ৫৭তম মঞ্চায়ন হবে।  বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এবং উদীচীর কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. রতন সিদ্দিকীর রচনা ও আজাদ আবুল কালামের নির্দেশনায় ‘হাফ আখড়াই’ নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেন উদীচী কেন্দ্রীয় নাটক বিভাগের শিল্পীরা।  উনিশ শতকের গোড়ার দিকে বাংলা টপ্পা গানের একটি দলকে ঘিরে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন, নারীর প্রতি সে সময়ের সমাজের দৃষ্টিভঙ্গী, ধনী-গরিব বৈষম্য প্রভৃতি বিষয়ই এ নাটকটির মূল প্রতিপাদ্য।  নাট্যকার রতন সিদ্দিকী জানান, ১৮০৪ সালে বাংলা টপ্পা গানের জনক রামনিধি গুপ্ত কলকাতায় প্রতিষ্ঠা করেন আখড়াই।  নিজস্ব পদ্ধতিতে সঙ্গীত শিক্ষা প্রচলনের মাধ্যমে দ্রুতই কলকাতার অভিজাত শ্রেণীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।  কিন্তু বয়সের ভারে শিষ্য মোহনচাঁদের কাছে শিক্ষাগুরুর দায়িত্ব হস্তান্তরের পরই ধীরে ধীরে পাল্টাতে থাকে তার প্রতিষ্ঠিত আখড়াইয়ের চেহারা।  গুরু-শিষ্যের দ্বন্দ্বের এক পর্যায়ে মোহনচাঁদ গঠন করেন আলাদা দল, যার নাম হয় ‘হাফ আখড়াই’। 

এ দ্বন্দ্বই অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ‘হাফ আখড়াই’ নাটকে।  পরিচালক আজাদ আবুল কালামের মতে মোহনচাঁদের হাতে দলের দায়িত্ব যাওয়ার পর বাংলা টপ্পা গানের আরেক বাঁক পরিবর্তন দেখা দেয়।  এ পরিবর্তন শৈল্পিক না হয়ে ছিল গণমানুষমুখী।  তার কথায়, ঐতিহাসিক উপাদান এখানে মূল উপজীব্য নয়, ইতিহাসের ছাইয়ের ভেতরে আত্মার হাহাকারই এই নাট্যক্রিয়ায় উষ্ণীষ। 

- See more at: http://www.dailyjanakantha.com/details/article/360476/%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%9A%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E2%80%98%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AB-%E0%A6%86%E0%A6%96%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%87%E2%80%99-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%A8-%E0%A6%86%E0%A6%9C#sthash.VORJRoBg.dpuf

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল হলে আজ শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর দর্শকনন্দিত প্রযোজনা ‘হাফ আখড়াই’ নাটকের মঞ্চায়ন হবে।  আজ নাটকটির ৫৭তম মঞ্চায়ন হবে।  বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এবং উদীচীর কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. রতন সিদ্দিকীর রচনা ও আজাদ আবুল কালামের নির্দেশনায় ‘হাফ আখড়াই’ নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেন উদীচী কেন্দ্রীয় নাটক বিভাগের শিল্পীরা।  উনিশ শতকের গোড়ার দিকে বাংলা টপ্পা গানের একটি দলকে ঘিরে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন, নারীর প্রতি সে সময়ের সমাজের দৃষ্টিভঙ্গী, ধনী-গরিব বৈষম্য প্রভৃতি বিষয়ই এ নাটকটির মূল প্রতিপাদ্য।  নাট্যকার রতন সিদ্দিকী জানান, ১৮০৪ সালে বাংলা টপ্পা গানের জনক রামনিধি গুপ্ত কলকাতায় প্রতিষ্ঠা করেন আখড়াই।  নিজস্ব পদ্ধতিতে সঙ্গীত শিক্ষা প্রচলনের মাধ্যমে দ্রুতই কলকাতার অভিজাত শ্রেণীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।  কিন্তু বয়সের ভারে শিষ্য মোহনচাঁদের কাছে শিক্ষাগুরুর দায়িত্ব হস্তান্তরের পরই ধীরে ধীরে পাল্টাতে থাকে তার প্রতিষ্ঠিত আখড়াইয়ের চেহারা।  গুরু-শিষ্যের দ্বন্দ্বের এক পর্যায়ে মোহনচাঁদ গঠন করেন আলাদা দল, যার নাম হয় ‘হাফ আখড়াই’। 

এ দ্বন্দ্বই অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ‘হাফ আখড়াই’ নাটকে।  পরিচালক আজাদ আবুল কালামের মতে মোহনচাঁদের হাতে দলের দায়িত্ব যাওয়ার পর বাংলা টপ্পা গানের আরেক বাঁক পরিবর্তন দেখা দেয়।  এ পরিবর্তন শৈল্পিক না হয়ে ছিল গণমানুষমুখী।  তার কথায়, ঐতিহাসিক উপাদান এখানে মূল উপজীব্য নয়, ইতিহাসের ছাইয়ের ভেতরে আত্মার হাহাকারই এই নাট্যক্রিয়ায় উষ্ণীষ। 

- See more at: http://www.dailyjanakantha.com/details/article/360476/%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%9A%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E2%80%98%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AB-%E0%A6%86%E0%A6%96%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%87%E2%80%99-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%A8-%E0%A6%86%E0%A6%9C#sthash.VORJRoBg.dpuf

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল হলে আজ শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর দর্শকনন্দিত প্রযোজনা ‘হাফ আখড়াই’ নাটকের মঞ্চায়ন হবে।  আজ নাটকটির ৫৭তম মঞ্চায়ন হবে।  বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এবং উদীচীর কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. রতন সিদ্দিকীর রচনা ও আজাদ আবুল কালামের নির্দেশনায় ‘হাফ আখড়াই’ নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেন উদীচী কেন্দ্রীয় নাটক বিভাগের শিল্পীরা।  উনিশ শতকের গোড়ার দিকে বাংলা টপ্পা গানের একটি দলকে ঘিরে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন, নারীর প্রতি সে সময়ের সমাজের দৃষ্টিভঙ্গী, ধনী-গরিব বৈষম্য প্রভৃতি বিষয়ই এ নাটকটির মূল প্রতিপাদ্য।  নাট্যকার রতন সিদ্দিকী জানান, ১৮০৪ সালে বাংলা টপ্পা গানের জনক রামনিধি গুপ্ত কলকাতায় প্রতিষ্ঠা করেন আখড়াই।  নিজস্ব পদ্ধতিতে সঙ্গীত শিক্ষা প্রচলনের মাধ্যমে দ্রুতই কলকাতার অভিজাত শ্রেণীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।  কিন্তু বয়সের ভারে শিষ্য মোহনচাঁদের কাছে শিক্ষাগুরুর দায়িত্ব হস্তান্তরের পরই ধীরে ধীরে পাল্টাতে থাকে তার প্রতিষ্ঠিত আখড়াইয়ের চেহারা।  গুরু-শিষ্যের দ্বন্দ্বের এক পর্যায়ে মোহনচাঁদ গঠন করেন আলাদা দল, যার নাম হয় ‘হাফ আখড়াই’। 

এ দ্বন্দ্বই অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ‘হাফ আখড়াই’ নাটকে।  পরিচালক আজাদ আবুল কালামের মতে মোহনচাঁদের হাতে দলের দায়িত্ব যাওয়ার পর বাংলা টপ্পা গানের আরেক বাঁক পরিবর্তন দেখা দেয়।  এ পরিবর্তন শৈল্পিক না হয়ে ছিল গণমানুষমুখী।  তার কথায়, ঐতিহাসিক উপাদান এখানে মূল উপজীব্য নয়, ইতিহাসের ছাইয়ের ভেতরে আত্মার হাহাকারই এই নাট্যক্রিয়ায় উষ্ণীষ। 

- See more at: http://www.dailyjanakantha.com/details/article/360476/%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%9A%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E2%80%98%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AB-%E0%A6%86%E0%A6%96%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%87%E2%80%99-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%A8-%E0%A6%86%E0%A6%9C#sthash.VORJRoBg.dpuf

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল হলে আজ শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর দর্শকনন্দিত প্রযোজনা ‘হাফ আখড়াই’ নাটকের মঞ্চায়ন হবে।  আজ নাটকটির ৫৭তম মঞ্চায়ন হবে।  বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এবং উদীচীর কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. রতন সিদ্দিকীর রচনা ও আজাদ আবুল কালামের নির্দেশনায় ‘হাফ আখড়াই’ নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেন উদীচী কেন্দ্রীয় নাটক বিভাগের শিল্পীরা।  উনিশ শতকের গোড়ার দিকে বাংলা টপ্পা গানের একটি দলকে ঘিরে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন, নারীর প্রতি সে সময়ের সমাজের দৃষ্টিভঙ্গী, ধনী-গরিব বৈষম্য প্রভৃতি বিষয়ই এ নাটকটির মূল প্রতিপাদ্য।  নাট্যকার রতন সিদ্দিকী জানান, ১৮০৪ সালে বাংলা টপ্পা গানের জনক রামনিধি গুপ্ত কলকাতায় প্রতিষ্ঠা করেন আখড়াই।  নিজস্ব পদ্ধতিতে সঙ্গীত শিক্ষা প্রচলনের মাধ্যমে দ্রুতই কলকাতার অভিজাত শ্রেণীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।  কিন্তু বয়সের ভারে শিষ্য মোহনচাঁদের কাছে শিক্ষাগুরুর দায়িত্ব হস্তান্তরের পরই ধীরে ধীরে পাল্টাতে থাকে তার প্রতিষ্ঠিত আখড়াইয়ের চেহারা।  গুরু-শিষ্যের দ্বন্দ্বের এক পর্যায়ে মোহনচাঁদ গঠন করেন আলাদা দল, যার নাম হয় ‘হাফ আখড়াই’। 

এ দ্বন্দ্বই অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ‘হাফ আখড়াই’ নাটকে।  পরিচালক আজাদ আবুল কালামের মতে মোহনচাঁদের হাতে দলের দায়িত্ব যাওয়ার পর বাংলা টপ্পা গানের আরেক বাঁক পরিবর্তন দেখা দেয়।  এ পরিবর্তন শৈল্পিক না হয়ে ছিল গণমানুষমুখী।  তার কথায়, ঐতিহাসিক উপাদান এখানে মূল উপজীব্য নয়, ইতিহাসের ছাইয়ের ভেতরে আত্মার হাহাকারই এই নাট্যক্রিয়ায় উষ্ণীষ। 

- See more at: http://www.dailyjanakantha.com/details/article/360476/%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%9A%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E2%80%98%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AB-%E0%A6%86%E0%A6%96%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%87%E2%80%99-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%A8-%E0%A6%86%E0%A6%9C#sthash.VORJRoBg.dpuf
এসএনএন২৪.কম : কোটা সংস্কার আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে শিক্ষার্থীদের পাশে থাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুর রাজ্জাক খানকে মুঠোফোনের মাধ্যমে  প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

বিষয়টি জানিয়ে তিনি  শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। 

জানা গেছে, বিভিন্ন সময় আবদুর রাজ্জাক খানের মোবাইলে +৩৩১২৩৪৫৬৭৮ নম্বর থেকে ফোন করে প্রাণ নাশের হুমকি দেওয়া হয়।  কোটা আন্দোলনে ছাত্রদের পাশে না থাকতে বলা হয়। 

এ বিষয়ে আবদুর রাজ্জাক খান বলেন, আমাকে বিভিন্ন সময় এই নম্বর থেকে কল দিয়ে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল।  কয়েক দিন আগে আমাকে কল দিয়ে বলেন, আমি তোর বাপ, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে কেন গিয়েছিলি? আবার ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে কথা বলিস।  তোর এত বড় সাহস।  তোকে দেখে নিব। 

কারা হুমকি দিতে পারে? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হুমকি দাতা ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে না লিখতে বলেছে।  আমি কোটা আন্দোলনের পূর্বেও ছাত্রলীগের বিভিন্ন অন্যায়ের বিরুদ্ধে ফেসবুকে বিভিন্ন লেখা লিখেছি। 

তবে হুমকির সাথে ছাত্রলীগ নাও জড়িত থাকতে পারে।  নিরাপত্তা চেয়ে এর মধ্যে থানায় আমি একটা মামলা করেছি।