৯:০১ পিএম, ১৫ অক্টোবর ২০১৮, সোমবার | | ৪ সফর ১৪৪০


তীব্র শীতে বিপর্যস্ত জন-জীবন। কাঁপছে হবিগঞ্জ

০৯ জানুয়ারী ২০১৮, ১২:২৮ এএম | নিশি


আখলাছ আহমেদ প্রিয়, হবিগঞ্জ : তীব্র শৈত্য প্রবাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন।  হিম বাতাস আর প্রচন্ড ঠান্ডায় তরতর করে কাপছে হবিগঞ্জবাসী। 

জোয়ান, যুবক, বৃদ্ধ, শিশু কিশোরসহ সাধারণ কেটে খাওয়া মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে।  হবিগঞ্জ এর  উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু শৈত্য প্রবাহ বেশ কয়েকদিন যাবত অব্যাহত রয়েছে।  আর এতে করে সবছেয়ে বেশি দূর্ভোগে পড়েছেন কেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ। 

এছাড়াও হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে দিন দিন বাড়ছে নিউমোনিয়া, সর্দি, কাশি, জ্বর, শ্বাসকষ্ট ও হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা।  কনকনে ঠাণ্ডা বাতাস আর ঘন কুয়াশা যেন শীতের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।  

এতে করে দেখা যায় অনেকেই বাসা বাড়ির সামনে লাকড়ি দিয়ে আগুন ধরিয়ে আগুনের উষ্ণতা নিচ্ছেন।  এছাড়াও ধমকে রয়েছ  সাধারণ মানুষের কাজ কর্ম।  এতে আয়ের বাক্স এক্কেবারে শূন্য কৌটায়।  

সারা দেশের ন্যায় হবিগঞ্জেও গত ৬দিন যাবত শীতের তীব্রতা বেড়েই চলেছে।  আর এতে করে বেড়েই চলেছে গরম কাপরের কদর।   দোকান গুলোতে বাড়ছে সাধারণ ক্রেতাদের ভীর।  শীতার্থদের উপস্থিতি যেন চোখে পড়ার মত। 

এছাড়াও সরেজমিনে হবিগঞ্জ শহরের চৌধুরী বাজার পয়েন্ট, শায়েস্তানগর পয়েন্ট, ফায়ার সার্ভিস পয়েন্টসহ বেশ কয়েকটি পয়েন্ট ঘুরে দেখা যায়, সন্ধ্যা হলেই রাস্তার পাশে বশে কয়েকজন মিলে মিলে খড়খুটি ও পেপারসহ বিভিন্ন জ্বালানি দিয়ে আগুণ ধরিয়ে শীত নিবারন করতে। 

রাস্তার পাশে আগুন দিয়ে শীত নিবারণ করা জাহেদ আলী মামুন নামে যুবক জানান, গত ৬ দিন যাবত শীত বেড়ে যাওয়ায় সন্ধ্যার পর আমরা বন্ধুরা মিলে গাছের ডাল ও খড় দিয়ে আগুণ জ্বালিয়ে শীত নিবরণ করছি।  এর উষ্ণতায় কিছুটা হলেও গরমের আবাস পাওয়া যায়।   সদর আধুনিক হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, ঠাণ্ডা বাড়ায় শীতজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। 

এর মধ্যে শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তির সংখ্যাই বেশি।  আক্রান্তদের অনেকেই ডায়রিয়া, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, হৃদরোগ নিয়ে হাসপাতালে আসছেন। রবিবার ও সোমবার এর মধ্যে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রায় ৩৫-৪০ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে।  

এর শিশুর সংখ্যা বেশি।  তবে শৈত প্রবাহ আরো কয়েকদিন থাকলে রোগীর সংখ্যা দ্বিগুন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 


keya