৬:৩৭ এএম, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, সোমবার | | ২২ জমাদিউস সানি ১৪৪১




তারুন্যের ভাবনায় বিজয় দিবস

১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৬:২৪ পিএম | নকিব


মুনজুরুল ইসলাম নাহিদ, ইবি:  ডিসেম্বর আসলে বিজয়ের সুবাতাস প্রবাহিত হতে থাকে।  ১৬ ডিসেম্বর আমাদের মহান বিজয় দিবস। 

এইদিনে ১৯৭১ সালে আমাদের মুক্তিবাহিনীর নিকট পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণের মাধ্যমে আমাদের বিজয় নিশ্চিত হয়। 

তাই পুরো জাতি এই অন্যন্য এক মাত্রায় পালন করে দিনটি। 

দেশে-বিদেশে সকল স্থানে বাঙালি তাদের মহান বিজয় দিবসকে মনের মাধুরী মিশিয়ে উৎযাপন করে আসছে।  সারাবিশ্বকে জানিয়ে দেয় আমরা এক অন্যন্য জাতি।  যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি।  বিজয়টা আমাদের এক বড় অর্জন। 

মুক্তিসংগ্রামের অকুতোভয় সেনানী ছিল বাংলার দামাল তরুনরা।  তরুনেরা আজও আছে৷ বিজয় দিবস এ প্রজন্মের তরুনদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে।  সামনে নিয়ে আসে পূর্বসূরীদের আত্মত্যাগের মহিমা।  তাদের নিয়ে নিতুন করে ভাবে তরুনেরা। 

বিজয়ে ৪৯ তম বর্ষে এসে বিজয় দিবস নিয়ে কি ভাবছেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা? বিজয় নিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থীর সাথে কথা বলে তাদের ভাবনা তুলে ধরছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি মুনজুরুল ইসলাম নাহিদ। 

“বিজয় এক স্বর্গীয অনুভূতির ।  এই স্বর্গীয় অনুভুতির পাশাপাশি বেদনাও কিন্তু কম নয়।  কারন এই বিজয় এসেছে নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ৩০ লাখ জীবনের বিনিময়ে।  আমরা সেই বীর শহীদদের বীরত্বগাথা, আত্মত্যাগের কথা কোনোদিন ভুলতে পারিনা।  কিন্তু যখন দেখি একজন বীর মুক্তি যোদ্ধা অনাহারে অর্ধাহারে দিনাতিপাত করছে তখন মনটা ভীষন খারাপ লাগে ।  আমার কাছে বিজয় মানে আমি মুক্ত আমি স্বাধীন আমি কথা বলবো।  শুধু মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস একদিনই নয় বরং প্রত্যক দিন চর্চা হোক প্রত্যকটা দিন শুরু এবং শেষ হোক বিজয়ের চেতনায়। “ মুখলেছুর রহমান, সুইট, শিক্ষার্থী, ফোকলোর স্টাডিজ বিভাগ। 

“বিজয় কথাটি তিনটি অক্ষরের, কিন্তু বাঙালীর আবেগের কেন্দ্রবিন্দুতে মিশে আছে বিজয় দিবস ১৬ ডিসেম্বর।  ৩০ লক্ষ শহীদ আর ২ লক্ষ মা বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে প্রাপ্ত আমাদের এই কাঙ্ক্ষিত বিজয়।  কিন্তু তরুণ প্রজন্ম এই বিজয়কে ঠিক সেই যথাযথ মর্যাদায় পারন করতে পারছে কিনা সেটা ভাববার বিষয়।  তরুণরা দেশের ভবিষ্যৎ।  তাই আমাদের উচিৎ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে এ দেশকে সব রকম অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা থেকে রক্ষা করা।  সবশেষে এই ৪৮ তম বিজয়দিবসে একজন মেয়ে হিসেবে আমি চাই এ দেশে যেন আর কোন মেয়ে ধর্ষিতা না হয়।  এগিয়ে যাক তারুণ্য, এগিয়ে যাক বাংলাদেশ। “ সাফিয়া স্বর্না, শিক্ষার্থী, ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ। 

“১৬ই ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবস, বাঙ্গালির মুক্তির দিন।  শত্রুমুক্ত স্বাধীন দেশ পেলেও আজও আমরা অর্জন করতে পারেনি আমাদের কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা।  আজও আমারা দারিদ্রের বেড়াজালে আবদ্ধ, লড়তে হচ্ছে ক্ষুধার সাথে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, অবাধ দুর্নীতি, আর প্রাকৃতিক দুর্যোগের সাথে।   স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে তা রক্ষা করা কঠিন’ আর এ কঠিন কাজটির দায়িত্বই আমাদের তরুণদের হাতে।  যে মানচিত্রের জন্য সাত কোটি বাঙ্গালীকে বেছে নিতে হয়েছিল সংগ্রামের পথ, সে মানচিত্র রক্ষা করার দায়িত্ব তরুণদের।  লাল-সবুজের বিজয় কেতন নিয়ে তরুণদেরই সামনে এগিয়ে যেতে হবে কঠিন পথ ধরে।  ধরে রাখতে হবে আমাদের গৌরবময় ইতিহাস।  এগিয়ে যেতে হবে তারুন্যের শক্তি নিয়ে। “ শাহরিয়ার হক শুভ, শিক্ষার্থী, ল এন্ড ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগ। 

“বিজয় দিবস, এইদিনের পিছনের ইতিহাস, তাৎপর্য কম বেশি আমরা সবাইই জানি।  কিন্তু দিন দিন কেমন যেন দেশ প্রেম, দেশত্ববোধ ব্যপারটা হারিয়ে যাচ্ছে তরুণ প্রজন্ম থেকে।  এর একটা অন্যতম কারণ হতে পারে প্রযুক্তির অতি দ্রুত প্রসার এবং এর সঠিক ব্যবহার না জানা।  এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আমাদের সোচ্চার হতে হবে।  বিজয় দিবসের আয়োজনের পরিমান বাড়াতে হবে, তরুণ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে নিজেদের দায়িত্ববোধ হিসেবে।  তাহলে যেমন প্রজন্ম উপকৃত হবে, তেমনি সম্মিলিতভাবে 


keya