৮:২৪ এএম, ৮ আগস্ট ২০২০, শনিবার | | ১৮ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১




দাম কমেছে হাঁস-মুরগির, মাছবাজারও নিম্নমুখী

১১ জুলাই ২০২০, ১০:০৭ এএম | নকিব


এসএনএন২৪.কমঃ ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে হাস-মুরগির খাদ্য উৎপাদনের কাঁচামাল আমদানি পর্যায়ে অগ্রিম আয়কর ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ শতাংশ করা হয়েছে। 

তবুও দাম কমছিল না হাঁস-মুরগির দাম। 

অবশেষে সপ্তাহের ব্যবধানে আকার ভেদে কেজিতে ১০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত কম দামে বিক্রি হচ্ছে হাঁস ও মুরগি।  তবে হাঁস-মুরগির দাম কমলেও আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে ডিম। 

তবে দাম কমেছে সব ধরনের মাছের।  মাছ ভেদে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে মাছের দাম।  ইলিশের কমেছে সবচেয়ে বেশি, কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত কমে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ।  শুক্রবার (১০ জুলাই) কারওয়ান বাজার (খুচরা বাজার), মতিঝিল টিঅ্যান্ডটি, ফকিরাপুল, শান্তিনগর, সেগুন বাগিচা, মগবাজার, মালিবাগ, খিলগাঁও বাজারসহ রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্রই দেখা যায়। 

সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা কমে এসব বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকায়, কেজিতে ৩০ টাকা কমে প্রতি কেজি লেয়ার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২২৫ টাকায় আর সাদা লেয়ার বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়। 

কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা কমে প্রতি কেজি সোনালী মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ২৭০ টাকায়, ছোট সোনালী প্রতি হালি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায়, প্রতি কেজি দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৫৮০ টাকায়। 

প্রতিটি ডিম পাড়া হাঁস (ছোট) ৩০০ থেকে ৩২০ টাকায় আর বড় হাঁস বিক্রি হচ্ছে ৩৮০ টাকায়। 

তবে ডিমের দাম আছে আগের সপ্তাহের মতোই।  এসব বাজারে প্রতি ডজন লাল ডিম (আকার ভেদে) ১০৫ থেকে ১১০ টাকায়, দেশি মুরগি ১৬০ থেকে ১৭০ টাকায়, সোনালী মুরগির ডিম ১৪০, হাঁসের ডিম ১২৫ থেকে ১৩০ টাকায়, কোয়েরের ডিম প্রতি ১০০ পিস ২০০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

এদিকে মাছের বাজারের চিত্রও স্বস্তিদায়ক।  এসব বাজারে কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কমে প্রতি কেজি কাঁচকি মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩২০ টাকায়, প্রতি কেজি মলা বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৮০ টাকায়, ছোট পুঁটি (তাজা) ৫০০ টাকা, আর সাধারণ ছোট পুঁটির দাম ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা, টেংরা (তাজা) প্রতি কেজি ৬০০ থেকে ৭০০ টাকায়, দেশি টেংরা ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকায়, শিং (আকার ভেদে) ২৮০ থেকে ৫০০ টাকায়, পাবদা ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায়, চিংড়ি (গলদা) ৪০০ থেকে ৬০০ টাকায়, বাগদা ৫০০ থেকে ৯৫০ টাকায়, হরিণা চিংড়ি ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকায়, দেশি চিংড়ি (ছোট) ৩২০ থেকে ৪৮০ টাকায়, রুই (আকার ভেদে) ২০০ থেকে ৩০০ টাকায়, মৃগেল ১৮০ থেকে ৩০০ টাকায়, চাষের পাঙ্গাস ১১০ থেকে ১৮০ টাকায়, তেলাপিয়া ১০০ থেকে ১৬০ টাকায়, থাই কৈ ১৭০ থেকে ১৯০ টাকায়, কাতল ১৮০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

তবে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইলিশের বাজার অপরিবর্তিত থাকলেও এ সপ্তাহে হঠাৎ দাম কমেছে কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত।  বর্তমানে এসব বাজারে প্রতি এক কেজি ওজনের একেকটি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৯৫০ থেকে ১০০০ টাকায়, ৭৫০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৬৫০ থেকে ৭৫০ টাকায়, ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা, ছোট ইলিশ আকার ভেদে ৩২০ থেকে ৪৯০ টাকা কেজি দরে। 

হাসিবুল নামে মালিবাগ বাজারের এক মাছ বিক্রেতা জানান, এখন বাজারে যে পরিমাণ মাছের সরবরাহ আছে, সে তুলনায় ক্রেতা কিছুটা কম আছে।  চাহিদা কমায় পাইকার বাজারে মাছের দাম কমেছে, যার প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারেও।  তবে মাছের ঘাটতি দেখা দিলে দাম আবার বেড়ে যাবে। 

মুরগির দাম নিয়ে খিলগাঁও বাজারের মুরগি বিক্রেতা বোরহান বলেন, এখন পাইকারি বাজারে মুরগির সংকট না থাকায় দাম কমেছে।  সেখানে (পাইকারি) দাম কমায় খুচরা বাজারেও দাম কমেছে।