৯:৫৩ পিএম, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮, বুধবার | | ১০ রবিউস সানি ১৪৪০




দাম বেড়েছে দেশি ফলের চালান কমের কারনে

০৬ জানুয়ারী ২০১৮, ০৭:২৮ এএম | নকিব


এসএনএন২৪.কম : দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শীতের তীব্রতা বেশি থাকায় বাজারে চালান কমেছে দেশি ফলের। 

এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দামও বেড়েছে কয়েকগুন।  সবশেষ বাজার দর অনুযায়ী, ৩-৪ ধরনের দেশি ফলের দাম বিগত কয়েক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। 

শুক্রবার সকালে রাজধানীর বাদামতলীর ফলের আড়ৎ ঘুরে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা যায়। 

দেশি ফলের সবশেষ পাইকারি বাজার দর অনুযায়ী, উন্নতমানের নারিকেল কুল কেজিপ্রতি ১৬০ টাকা থেকে ১০০ টাকা, বাউকুল ৬০-২০ টাকা, টক কুল ৪৫ টাকা, দেশি পেয়ারা ৬০ টাকা ও সবেদা ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।  এছাড়া শবরী কলা প্রতি ফনা ৪০০ টাকা ও চাম্পা কলা প্রতি ফনা ২০০ টাকা এবং বরিশালের ডাব প্রতি পিস ২০-৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

প্রতিটি ফলের কেজিতে দাম বেড়েছে ২৫-৫০ টাকা করে।  এছাড়া কলা ও ডাবের দাম বেড়েছে যথাক্রমে ১০০ টাকা থেকে ১০ টাকা। 

দেশি ফলের বাড়তি দাম সম্পর্কে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রথমত শীতের তীব্রতার কারণে রাজধানীতে ফলের চালান কম আসছে।  দ্বিতীয়ত রাজশাহী ও সাতক্ষীরা অঞ্চলে বৃষ্টিপাত বেশি হওয়ার কুল ও পেয়ারা চাষ ব্যাপক হারে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 

এ দুই কারণ মিলিয়ে বাজারে দেশি ফলের আমদানি অনেক কমেছে।  ফলে চাহিদা অনুযায়ী যোগানের ঘাটতি দেখা দিয়েছে।  সেজন্য এসব ফলের দাম বেড়েছে। 

বাদামতলীর ফলের আড়ৎতের বাউকুলের পাইকারি ব্যবসায়ী মোতালেব বাংলানিউজকে বলেন, জানুয়ারি মাসের এমন সময় ট্রাকে ট্রাকে কুল বাজারে আসতো।  কিন্তু এখন রাত-দিন মিলিয়ে দুই ট্রাক কুলও আসে না।  তাই ২০ টাকা কেজির বাউকুল ৬০ টাকা বিক্রি করতে হচ্ছে। 

আড়তে আসা কমলাতিনি বলেন, দাম বাড়তির কারণে আমাদের ক্রেতা কমে গেছে।  এই শীতে মানুষ এমনিই ফল কম খায়, এর মধ্যে যদি দাম বেশি থাকে তা হলেতো আরও সমস্যা।