৬:৩৮ পিএম, ২৯ মার্চ ২০২০, রোববার | | ৪ শা'বান ১৪৪১




দূর্ঘটনার কবলে ইবির বাস, শিক্ষকসহ আহত ৪০

১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১০:৪১ এএম | নকিব


মুনজুরুল ইসলাম নাহিদ, ইবি প্রতিনিধি : মধ্যরাতে মারাত্মক দূর্ঘটনার কবলে পড়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থী বহনকারী ভাড়ায় চালিত একটি বাস।  এতে গাড়িতে থাকা দুই শিক্ষক, চালক ও শিক্ষার্থীসহ প্রায় ৪০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। 

 রাত দেড়টার দিকে কুষ্টিয়ার বিত্তিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।  একাডেমিক কাজে শিক্ষার্থীদের নিয়ে নওগাঁ তে যাওয়া বাসটি ক্যাম্পাসে ফেরার পথে এ দূর্ঘটনার শিকার হয়। 

আহতদের মধ্যে বাস চালকের অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।  তাকে কুষ্টিয়া সদর হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।  আহত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কুষ্টিয়া সদর হাসপাতাল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। 

আহত শিক্ষার্থীরা জানান, এগ্রি বিজনেস বিষয়ে ফিল্ডওয়ার্কের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের এমবিএ ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা নওগাঁ যান।  ফিল্ডওয়ার্ক শেষে নওগাঁ থেকে সন্ধ্যার দিকে রাজ মোটরস নামে ভাড়ায় চালিত গাড়িতে করে ক্যাম্পাসের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। 

আনুমানিক রাত দেড়টার দিকে বাসটি কুষ্টিয়ার বিত্তিপাড়া নামক স্থান পার হয়।  বাসটির চালক বিত্তিপাড়া থেকে কিছুদুরে রাস্তার পাশে দাড়িয়ে থাকা একটি ট্রাককে ওভারটেক করতে যায়।  বিপরীত দিক থেকে আরো যানবাহন আসতে দেখে চালক দ্রুত গতিতে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকটিকে ওভারটেক করতে গেলে ঐ ট্রাকের সাথে সজোরে ধাক্কা খায় বাসটি। 

এসময় বাসটি রাস্তা থেকে ছিটকে গিয়ে পাশে থাকা গাছের সাথে সংঘর্ষে  সামনের অংশ দুমড়ে মুচড়ে যায়।  অপরদিকে বাসের ধাক্কায় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকটিও খাদে পড়ে যায়।  ঘটনার সাথে সাথেই পুলিশ, বিজিবি, ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আহতদের উদ্ধার করেন।  এসময় বাসে থাকা ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ধনঞ্জয় কুমার ও ড. মুর্শিদ আলমসহ প্রায় ৪০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। 

আহতদের মধ্যে থেকে বাস ও ট্রাকচালকসহ ১২জনকে কুষ্টিয়া সদরে এবং প্রায় ২৮ জনকে অ্যাম্বুলেন্স ও মাহিন্দ্রাতে করে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে আনা হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রের ডেপুটি প্রধান মেডিকেল অফিসার ডা. পারভেজ হাসান জানান, ‘ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ধনঞ্জয় কুমার ও ড. মুর্শিদ আলমসহ প্রায় ২৮ জনকে আমরা চিকিৎসা দিয়েছি।  এদের মধ্যে কয়েকজন একটু বেশি আহত। ’