২:০১ এএম, ১ ডিসেম্বর ২০২০, মঙ্গলবার | | ১৫ রবিউস সানি ১৪৪২




দৃশ্যমান হলো পদ্মা সেতুর পৌনে ৬ কিলোমিটার

২১ নভেম্বর ২০২০, ০৪:১১ পিএম |


এসএনএন২৪.কমঃ  মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তের ১ ও ২ নম্বর পিলারের ওপর পদ্মা সেতুর ৩৮তম স্প্যান বসানো হয়েছে।  শনিবার (২১ নভেম্বর) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটে ‘ওয়ান-এ’ স্প্যানটি বসানো হয়।  এর মধ্য দিয়ে পদ্মা সেতুর ৫ হাজার ৭০০ মিটার (প্রায় পৌনে ৬ কিলোমিটার) দৃশ্যমান হলো। 

পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী (মূল সেতু) দেওয়ান মো. আব্দুল কাদের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ৩৭তম স্প্যান ‘২-সি’ বসানোর ৯ দিনের মাথায় ৩৮তম স্প্যান ‘ওয়ান-এ’ বসানো সম্পন্ন হলো।  এর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হলো পদ্মা সেতুর ৫ হাজার ৭০০ মিটার।  এখন আধা কিলোমিটারের মতো বাকি রইল। 

তিনি আরও জানান, এ মাসে ১০ ও ১১ নম্বর পিলারের ওপর ৩৯তম স্প্যানটি বসানোর কথা রয়েছে।  সব কিছু ঠিক থাকলে ডিসেম্বর মাসে ১১ ও ১২ নম্বর পিলারে ৪০তম স্প্যান ‘২-ই’ ও ১২ ও ১৩ নম্বর পিলারে সর্বশেষ ৪১তম স্প্যান ‘২-এফ’ বসানোর কথা রয়েছে। 

২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়।  ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর খুঁটিতে প্রথম স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হয় পদ্মা সেতু।  এরপর একে একে বসানো হলো ৩৭টি স্প্যান।  এতে দৃশ্যমান হয়েছে সেতুর ৫ হাজার ৫৫০ মিটার।  ৪২টি পিলারে ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ৪১টি স্প্যান বসিয়ে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হবে। 

মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদীশাসনের কাজ করছে দেশটির আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন।  দুটি সংযোগ সড়ক ও অবকাঠামো নির্মাণ করছে বাংলাদেশের আব্দুল মোমেন কো. লিমিটেড। 

৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ বহুমুখী সেতুর মূল আকৃতি হবে দোতলা।  কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে এ সেতুর কাঠামো।  পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পর ২০২১ সালে খুলে দেয়া হবে।