১:২৩ এএম, ১৬ অক্টোবর ২০১৮, মঙ্গলবার | | ৫ সফর ১৪৪০


ধুনটে বড়চাপড়া সরকারি হাটের জায়গা বেদখল

১৬ মে ২০১৮, ১২:৩৮ পিএম | জাহিদ


এম.আর আলম, বগুড়া প্রতিনিধি : বগুড়ার ধুনট উপজেলার চিকাশি ইউনিয়নের বড়চাপড়া হাটের সরকারি জায়গা অবৈধভাবে দখল নিয়ে দোকানঘর নির্মান করেছে স্থানীয় প্রভাবশালী ১৩ ব্যক্তি।  এতে হাটের জায়গা কমে গিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতাকে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শত বছরের ঐতিহ্যবাহী বড়চাপড়া হাট এবছর উপজেলা পরিষদ থেকে ১লাখ ১০ হাজার টাকায় বার্ষিক ইজারা বন্দোবস্ত দেওয়া হয়েছে।  হাটের সরকারি জায়গায় দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা দোকানঘর নির্মান করেছে।  বর্তমানে অবৈধভাবে দখল প্রক্রিয়া চলমান রেখেছে স্থানীয়রা। 

হাটের আয়তন ৬৫ শতক।  হাটের দক্ষিন পাশে পাকা সড়ক।  অবশিষ্ট তিন পাশের জায়গা দখল নিয়ে দোকানঘর নির্মান করেছে।  এসব দোকান ঘরে কেউ নিজেরা ব্যবসা করছে, আবার কেউ মাসিক চুক্তিতে ভাড়া দিয়েছে।  এরা হলো বড় চাপড়া গ্রামের আব্দুস ছালাম, বাদশা মিয়া, সাচ্চু মন্ডল, আব্দুর রশিদ, আশাদুল ইসলাম, হোসেন আলী, নায়েব আলী, সাহার উদ্দিন, বাবর আলী আকন্দ, স্বপন কুমার, আকবর আলী ও শমসের আলী। 

হাটের জায়গা বেদখল হওয়ায় ক্রেতা বিক্রেতাকে জায়গা অভাবে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।  এছাড়া হাটের উন্নয়ন কাজেও বিগ্ন ঘটছে।  প্রায় এক বছর আগে উপজেলা প্রশাসন কয়েকটি অবৈধ দোকানঘর উচ্ছেদ করেছিল।  কিন্ত বর্তমানে তারাও আবার নতুন করে হাটের জায়গা দখল নিয়ে দোকানঘর নির্মান করেছে। 

চিকাশি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমুল কাদির শিপন বলেন, হাটের উন্নয়নের জন্য জেলা পরিষদ থেকে অর্থ বরাদ্দের প্রক্রিয়া করছি।  কিন্ত হাটের জায়গা বেদখল থাকায় উন্নয়ন কাজের বরাদ্দ পেতে জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে।  এ কারনে অবৈধ দোকান ঘরের মালিকদের দখল ছেড়ে দিতে বলা হলেও কোন কাজ হচ্ছে না। 

এ বিষয়ে দোকানঘরের মালিক আব্দুস ছালাম বলেন, শত বছর আগে বাপ-দাদার সম্পতির উপর হাট লাগানো হয়েছে।  তাই নিজেদের মনে করেই হাটের জায়গায় দোকানঘর উত্তোলন করে ব্যবসা-বানিজ্য করছি।  উন্নয়নের স্বার্থে সরকার চাইলে যে কোন সময় হাটের জায়গার দখল ছেড়ে দেওয়া হবে। 

ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাজিয়া সুলতানা বলেন, হাটের জায়গায় অবৈধভাবে দোকানঘর উত্তোলনের অভিযোগ পেয়েছি।  এ সব দোকানঘর উচ্ছেদের আইনী প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। 


keya